গত বছর অগস্টেই স্বামী সাহিল সঙ্গার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা জানান দিয়া মির্জা  (PTI)
গত বছর অগস্টেই স্বামী সাহিল সঙ্গার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা জানান দিয়া মির্জা (PTI)

'স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সমাজ আমাকে অন্য চোখে দেখে', বললেন দিয়া মির্জা

  • 'আমি এমন একটা সমাজে বাস করি যেখানে মানুষ শিক্ষিত এবং প্রগতিশীল, তা সত্ত্বেও আমার প্রতি একটা দুঃখ নিয়ে তাঁরা কথা বলে। তাঁদের কথায় সবসময় সহানুভূতি জড়িয়ে থাকে', জানান দিয়া।

অভিনেত্রী দিয়া মির্জা জানালেন স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ্যের পর তাঁকে নিয়ে মানুষের মনোভাব পাল্টে গিয়েছে। গত বছরই স্বামী তথা প্রযোজক সাহিল সঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানেন অভিনেত্রী। যদিও সেই নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতে না-রাজ দিয়া। অভিনেত্রীর কথায়, 'এটা আমার কাছে আশ্চর্যজনক, কারণ আমি এমন একটা সমাজে বাস করি যেখানে মানুষ শিক্ষিত এবং প্রগতিশীল, তা সত্ত্বেও একটা দুঃখ নিয়ে তাঁরা কথা বলে। সহানুভূতি তাঁদের কথায় জড়িয়ে থাকে। তাঁদের সেই দৃষ্টি খুব সামালোচনামূলক তা নয়, কিন্তু কেমন যেন সহানুভূতিমাখা,কখনও কখনও করুণ হয়'।

পিঙ্কভিলাকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে অভিনেত্রী আরও জানান, ' কোনও কোনও মহিলা যাঁরা একইরকম অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তাঁরা অনেক সময় প্রশ্ন করে আমি কীভাবে সবটা সামাল দিচ্ছি? কেমনভাবে এতটা শক্ত রয়েছি? কী করে হাসছি? কেমনভাবে কাজে যাচ্ছি? তাদের জন্য আমার কাছে কোনও উত্তর থাকে না। আমি বলি, আমি নিজের পথ খুঁজে নিয়েছি, আশা করি তারাও নিজেদের পথ খুঁজে নেবে'।

গত বছর অগস্ট মাসে টুইটারে একটি বিবৃতি জারি করে দিয়া পাঁচ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানেন। তিনি লেখেন, 'আমারা বন্ধু ছিলাম আর আজীবন থাকব । সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশেও থাকব। হয়ত আমাদের এই যাত্রাপথ অন্যদিকে আমাদের নিয়ে যাবে। তবে একসঙ্গে যে সফর আমরা পেরিয়ে এসেছি সেটা কোনওদিনই ভোলবার নয়'।

গত বছর ডিসেম্বরে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে দিয়া জানিয়েছিলেন, 'জীবনে যে কোনও পরিবর্তনই বড়ো চ্যালেঞ্জ, কঠিন এবং বেদনাদায়ক কিন্তু সেটা মানুষকে আরও বেশি উদ্দীপিত করে। তোমাকে আরও বড়ো হয়ে ওঠতে সাহায্য করে এবং তোমার খুশির রাস্তাটাও মসৃণ করে। সৌভাগ্যবশত আমি যে সব কাজ করছি সেগুলো আমাকে সুযোগ করে দিচ্ছে এই দুঃখ থেকে বেরিয়ে আসতে'।




বন্ধ করুন