বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সৎ মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই হানিমুনে দিয়া মির্জা! প্রশংসায় নেটিজেনরা
দিয়া ও সামাইরা
দিয়া ও সামাইরা

সৎ মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই হানিমুনে দিয়া মির্জা! প্রশংসায় নেটিজেনরা

  • অভিনেত্রী মলদ্বীপে হানিমুনের ছবিতে ধরা পড়েছে সৎ মেয়ে সামাইরার ছবি। সামাইরাকে সঙ্গে নিয়ে বৈভবের সঙ্গে হানিমুনে মলদ্বীপ পাড়ি দেন দিয়া।

হানিমুনে স্বামী বৈভব রেখির সঙ্গে মলদ্বীপে পাড়ি দিয়েছেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। ৩৯ বছর বয়সী অভিনেত্রী মলদ্বীপ ট্যুরের একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন।

সামাজিক মাধ্যমে সাদা ম্যাক্সি পোশাকের সঙ্গে মাথায় গ্রীষ্মের জন্য টুপি পরে ছবি পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে দিয়া জানিয়েছেন, তপ্ত রোদে নির্জন দ্বীপে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। তাঁর সেই ছবিও তুলেছেন স্বামী বৈভব রেখি। সেই কথা ক্যাপশনে জানাতে ভোলেননি তিনি।

পোস্টে অভিনেত্রী তাঁর একাধিক ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, সৎ মেয় সামাইরার সঙ্গেও ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ছবিতে অনেককেই কমেন্ট করতে দেখা যাচ্ছে। প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা এবং ব্যবসায়ী বৈভব রেখি। দুই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় তাঁদের সাদামাটা বিয়ের অনুষ্ঠান। বৈদিক মতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই জুটি। এই বিয়েতেও হাজির ছিল বৈভবের প্রথমপক্ষের মেয়ে সামাইরা। শুধু তাই নয়, দিয়ার হাত ধরে মন্ডপে হাজির হয় সে। দিয়ার স্বামী বৈভব রেখি ও তাঁর প্রথম স্ত্রী , ফিটনেস কোচ সুনয়নার মেয়ে সামাইরা।বৈভবের দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্তের প্রতি তিনি পূর্ণ সমর্থন ও আস্থা প্রকাশ করেছেন সুনয়ানা। সামাইরার পরিবারের পরিসর আরও খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে, এমনই জানিয়েছেন দিয়ার স্বামীর প্রথম স্ত্রী।

 সুনয়না এক ভিডিয়ো বার্তায় গত মাসে জানান, ‘আমার প্রাক্তন স্বামী দিয়াকে (মির্জা) বিয়ে করেছে, এবং তারপর থেকে আমি প্রচুর ডিএম (ডিরেক্ট মেসেজ) এবং হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পাচ্ছি… সকলে আমায় প্রশ্ন করছে আমি ঠিক আছি তো? সকলকে তাঁদের চিন্তার জন্য ধন্যবাদ। আমাকে নিজের বলে ভাবার জন্য ধবন্যবাদ। আমরা একদম ঠিক আছি, শুধু ঠিক নয়, আমার মেয়ে ভীষণরকমভাবে এক্সাইটেড। আমি তো দেখলাম বেশ কিছু ভিডিয়ো যেখানে ও ফুল ছুঁড়ছে। এটা ওর জন্য বেশ ভালো যে পরিবারের পরিসরটা বেড়ে গেল। কারণ বম্বেতে আমাদের আর কোনও পরিবার নেই, তাই বেশ ভালো যে পরিবার বাড়ল। জীবনের পরিসর বাড়ানো সবসময়ই ভালো’।

বন্ধ করুন