বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Dilip Kumar: প্রয়াত বলিউডের কিংবদন্তি, ফিরে দেখা ৫ দশকের অভিনয় জীবন

Dilip Kumar: প্রয়াত বলিউডের কিংবদন্তি, ফিরে দেখা ৫ দশকের অভিনয় জীবন

  • তিন দশক আগে বলিউডকে বিদায় জানিয়েছেন দিলীপ সাহাব। বলিউডে ‘ট্র্যাজিক কিং’ নামে পরিচিত তিনি। 
প্রয়াত দিলীপ কুমার। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ মুম্বইয়ের এক বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। বহুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। করোনার বাড়বাড়ন্তে দীর্ঘদিনি নিভৃতবাসে ছিলেন। 
1/15প্রয়াত দিলীপ কুমার। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ মুম্বইয়ের এক বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। বহুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। করোনার বাড়বাড়ন্তে দীর্ঘদিনি নিভৃতবাসে ছিলেন। 
মুম্বইয়ের পিডি হিন্দুজা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সেখানেই প্রয়াত হয়েছেন তিনি। প্রয়াণের সময় দিলীপ কুমারের স্ত্রী সায়রা বানু তাঁর পাশে ছিলেন।
2/15মুম্বইয়ের পিডি হিন্দুজা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সেখানেই প্রয়াত হয়েছেন তিনি। প্রয়াণের সময় দিলীপ কুমারের স্ত্রী সায়রা বানু তাঁর পাশে ছিলেন।
১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে জন্ম নেন দিলীপ কুমার। জন্মকালে তাঁর নাম ছিল মহম্মদ ইউসুফ খান। তার বাবার নাম ছিল মোহাম্মদ সারোয়ার খান, যিনি একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন। কৈশোরে মুম্বাই থেকে পুনে গিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যদের জন্য পরিচালিত একটি ক্যান্টিনে কাজ নেন ইউসুফ খান। কিন্তু কিছু বছর সেখানে কাজ করার পপর আবারও ফিরে আসেন মুম্বইতে।
3/15১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে জন্ম নেন দিলীপ কুমার। জন্মকালে তাঁর নাম ছিল মহম্মদ ইউসুফ খান। তার বাবার নাম ছিল মোহাম্মদ সারোয়ার খান, যিনি একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন। কৈশোরে মুম্বাই থেকে পুনে গিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যদের জন্য পরিচালিত একটি ক্যান্টিনে কাজ নেন ইউসুফ খান। কিন্তু কিছু বছর সেখানে কাজ করার পপর আবারও ফিরে আসেন মুম্বইতে।
বাবার সঙ্গে ব্যবসার কাজেই হাত লাগান। আর সেই সূত্রেই আলাপ হয় সেসময়ের প্রখ্যাত সাইকোলজিস্ট ডা. মাসানির সঙ্গে। যিনি তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন 'বোম্বে টকিজ' এর মালিকের সঙ্গে। সেখানে দেবিকা রানির সঙ্গে পরিচয় করান তাঁর। সে সময় বম্বে টকিজের মালকিন ছিলেন তিনি। উর্দু ভাষায় তাঁর দক্ষতার জন্য চিত্রনাট্য লেখার বিভাগে কাজ করেছেন তিনি।
4/15বাবার সঙ্গে ব্যবসার কাজেই হাত লাগান। আর সেই সূত্রেই আলাপ হয় সেসময়ের প্রখ্যাত সাইকোলজিস্ট ডা. মাসানির সঙ্গে। যিনি তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন 'বোম্বে টকিজ' এর মালিকের সঙ্গে। সেখানে দেবিকা রানির সঙ্গে পরিচয় করান তাঁর। সে সময় বম্বে টকিজের মালকিন ছিলেন তিনি। উর্দু ভাষায় তাঁর দক্ষতার জন্য চিত্রনাট্য লেখার বিভাগে কাজ করেছেন তিনি।
আর তখনই তাঁর কাছে প্রস্তাব আসে ‘জোয়ার ভাঁটা’য় অভিনয়ের। প্রথম ছবিতে অভিনয় করার সময় থেকেই নাম বদলে রেখেছিলেন দিলীপ কুমার। ইউসুফ থেকে তাঁকে দিলীপ কুমার নাম রাখতে সাহায্য করেছিলেন তাঁর প্রথম ছবির প্রযোজক দেবিকা রানি। দেবিকা তাঁকে ১৯৪৪ সালে লিড রোলে চান্স দেন।
5/15আর তখনই তাঁর কাছে প্রস্তাব আসে ‘জোয়ার ভাঁটা’য় অভিনয়ের। প্রথম ছবিতে অভিনয় করার সময় থেকেই নাম বদলে রেখেছিলেন দিলীপ কুমার। ইউসুফ থেকে তাঁকে দিলীপ কুমার নাম রাখতে সাহায্য করেছিলেন তাঁর প্রথম ছবির প্রযোজক দেবিকা রানি। দেবিকা তাঁকে ১৯৪৪ সালে লিড রোলে চান্স দেন।
সে সময় বলিউডে নাম বদল ছিল বেশ সাধারণ ঘটনা। জনপ্রিয়তা পেতে ছোট নাম বা আকর্ষণীয় নামের পিছনে ছুটতেন অনেকেই। তবে দিলীপ কুমার নাম বদল করেছিলেন অন্য কারণে। বলা যায় বাবার কাছে মার খাওয়ার ভয়ে। ১২৫০ টাকায় কাজ শুরু করেন দিলীপ।
6/15সে সময় বলিউডে নাম বদল ছিল বেশ সাধারণ ঘটনা। জনপ্রিয়তা পেতে ছোট নাম বা আকর্ষণীয় নামের পিছনে ছুটতেন অনেকেই। তবে দিলীপ কুমার নাম বদল করেছিলেন অন্য কারণে। বলা যায় বাবার কাছে মার খাওয়ার ভয়ে। ১২৫০ টাকায় কাজ শুরু করেন দিলীপ।
প্রথম সাফল্য পেতে ৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৪৭ সালে ‘যুগনু’ ছবিতে আসে প্রথম হিট। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন নূর জাহান। এরপর ১৯৪৮-এ ‘মেলা’, ‘শাহিদ’ দু’টোর সুপার হিট ছিল। পঞ্চাশের দশকে ছিল তাঁরই রাজত্ব। 
7/15প্রথম সাফল্য পেতে ৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৪৭ সালে ‘যুগনু’ ছবিতে আসে প্রথম হিট। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন নূর জাহান। এরপর ১৯৪৮-এ ‘মেলা’, ‘শাহিদ’ দু’টোর সুপার হিট ছিল। পঞ্চাশের দশকে ছিল তাঁরই রাজত্ব। 
দিলীপ কুমার প্রায় পাঁচ দশক ধরে ৬৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি: মুঘল-এ-আজম (১৯৬০), দেবদাস (১৯৫৫), নয়া দঔর (১৯৫৭), গঙ্গা যমুনা (১৯৬১), ক্রান্তি (১৯৮১), কর্মা (১৯৮৬)। ১৯৬০-এ এল তাঁর সবচেয়ে সফল সিনেমা ‘মুঘল-ই-আজম’। ১১ বছর ধরে এই ছবিই ছিল ভারতীয় সিনেমায় সর্বোচ্চ লাভদায়ী ছবি।
8/15দিলীপ কুমার প্রায় পাঁচ দশক ধরে ৬৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি: মুঘল-এ-আজম (১৯৬০), দেবদাস (১৯৫৫), নয়া দঔর (১৯৫৭), গঙ্গা যমুনা (১৯৬১), ক্রান্তি (১৯৮১), কর্মা (১৯৮৬)। ১৯৬০-এ এল তাঁর সবচেয়ে সফল সিনেমা ‘মুঘল-ই-আজম’। ১১ বছর ধরে এই ছবিই ছিল ভারতীয় সিনেমায় সর্বোচ্চ লাভদায়ী ছবি।
বেশিরভাগ ট্র্যাজেডি ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করায় বলিউডে তিনি ‘ট্র্যাজিক কিং’ নামে পরিচিত ছিলেন। একসময় অবসাদে ভুগে মনোবিদেরও পরামর্শ নিয়েছিলেন তিনি। একটু হালকা চালের চরিত্র শুরু করেন। তারমধ্যে রয়েছে ‘আন’, ‘আজাদ’, ‘কোহিনূর’। 
9/15বেশিরভাগ ট্র্যাজেডি ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করায় বলিউডে তিনি ‘ট্র্যাজিক কিং’ নামে পরিচিত ছিলেন। একসময় অবসাদে ভুগে মনোবিদেরও পরামর্শ নিয়েছিলেন তিনি। একটু হালকা চালের চরিত্র শুরু করেন। তারমধ্যে রয়েছে ‘আন’, ‘আজাদ’, ‘কোহিনূর’। 
ব্রিটিশ পরিচালক ডেভিড লীনের ছবির অফার ছিল তাঁর কাছে। ‘লরেন্স অব অ্যারাবিয়া’ ছবিতে শেরিফ আলির চরিত্রে জন্য পরিচালক বেঁছেছিলেন তাঁকে। সেই অফার ফিরিয়ে দেন তিনি। একবার এলিজাবেথ টেলরের বিপরীতেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তা হয়ে ওঠেনি।
10/15ব্রিটিশ পরিচালক ডেভিড লীনের ছবির অফার ছিল তাঁর কাছে। ‘লরেন্স অব অ্যারাবিয়া’ ছবিতে শেরিফ আলির চরিত্রে জন্য পরিচালক বেঁছেছিলেন তাঁকে। সেই অফার ফিরিয়ে দেন তিনি। একবার এলিজাবেথ টেলরের বিপরীতেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তা হয়ে ওঠেনি।
‘দাগ’ (১৯৫৬) ছবির জন্য প্রথমবার ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান। এরপর ৭টি ফিল্ম ফেয়ার পেয়েছিলেন। ২০১১ সালে শাহরুখ খান একমাত্র তাঁর এই রেকর্ড ছুঁতে পেরেছেন। তিনিই প্রথম ছবি পিছু ১ লক্ষ টাকা করে পারিশ্রমিক নিতে শুরু করেন। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। ভারতীয় সিনেমায় এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য।
11/15‘দাগ’ (১৯৫৬) ছবির জন্য প্রথমবার ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান। এরপর ৭টি ফিল্ম ফেয়ার পেয়েছিলেন। ২০১১ সালে শাহরুখ খান একমাত্র তাঁর এই রেকর্ড ছুঁতে পেরেছেন। তিনিই প্রথম ছবি পিছু ১ লক্ষ টাকা করে পারিশ্রমিক নিতে শুরু করেন। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। ভারতীয় সিনেমায় এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য।
১৯৬১ সালে ‘গঙ্গা যমুনা’ নামে একটিই ছবি সারা জীবনে প্রযোজনা করেছেন তিনি। ১৯৭০ সাল থেকে বক্স অফিসে তাঁর একের পর এক ছবি ব্যর্থ হতে শুরু করে। সত্যজিৎ রায় তাঁকে বলেছিলেন ‘আদর্শ মেথড অ্যাক্টর’। বলা হয়, অশোক কুমারের অভিনয় শৈলিকে নকল করতেন দিলীপ।
12/15১৯৬১ সালে ‘গঙ্গা যমুনা’ নামে একটিই ছবি সারা জীবনে প্রযোজনা করেছেন তিনি। ১৯৭০ সাল থেকে বক্স অফিসে তাঁর একের পর এক ছবি ব্যর্থ হতে শুরু করে। সত্যজিৎ রায় তাঁকে বলেছিলেন ‘আদর্শ মেথড অ্যাক্টর’। বলা হয়, অশোক কুমারের অভিনয় শৈলিকে নকল করতেন দিলীপ।
অভিনেতার জীবনের প্রথম প্রেম মধুবালা। দুজনের বিচ্ছেদের পরই তিনি বিয়ে করে নেন। ১৯৬৬ সালে ১১ অক্টোবার নিজের থেকে ২২ বছরের ছোট সায়রা বানুকে বিয়ে করেন দিলীপ কুমার। 
13/15অভিনেতার জীবনের প্রথম প্রেম মধুবালা। দুজনের বিচ্ছেদের পরই তিনি বিয়ে করে নেন। ১৯৬৬ সালে ১১ অক্টোবার নিজের থেকে ২২ বছরের ছোট সায়রা বানুকে বিয়ে করেন দিলীপ কুমার। 
সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ের ১৬ বছর পর ঘর ত্যাগ করেন। সায়রা বানুর সঙ্গে সম্পর্ক থাকাকালীনই ১৯৮১ সালে হায়দরাবাদের বিশিষ্ট সমাজকর্মী আসমা রেহমানকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা। সেই সম্পর্ক টিকেছিল মাত্র ২ বছর। শেষে আবার সায়রা বানুর কাছে ফিরে আসেন তিনি। তাঁদের কোনও ছেলেমেয়ে নেই।
14/15সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ের ১৬ বছর পর ঘর ত্যাগ করেন। সায়রা বানুর সঙ্গে সম্পর্ক থাকাকালীনই ১৯৮১ সালে হায়দরাবাদের বিশিষ্ট সমাজকর্মী আসমা রেহমানকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা। সেই সম্পর্ক টিকেছিল মাত্র ২ বছর। শেষে আবার সায়রা বানুর কাছে ফিরে আসেন তিনি। তাঁদের কোনও ছেলেমেয়ে নেই।
মহম্মদ ইউসুফ খান ওরফে দিলীপ কুমার রুপালি পর্দার সম্রাট ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি।
15/15মহম্মদ ইউসুফ খান ওরফে দিলীপ কুমার রুপালি পর্দার সম্রাট ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি।
অন্য গ্যালারিগুলি