বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘সব জায়গায় ওঁর ছবি কেন’, মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নিয়ে প্রশ্ন বিশিষ্ট পরিচালকের মেয়ের

‘সব জায়গায় ওঁর ছবি কেন’, মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নিয়ে প্রশ্ন বিশিষ্ট পরিচালকের মেয়ের

কেন সব জায়গায় মমতার ছবি, প্রশ্ন পরিচালক কন্যার। 

‘আমার সমস্যা হল উনি সব জায়গায় কেন?’, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হোর্ডিং সব জায়গায় দেখে প্রশ্ন তুললেন পরিচালক সুমন ঘোষের সাত বছরের মেয়ে লীলা। 

পরিচালক সুমন ঘোষ বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করেন। যেখানে তিনি তাঁর দুই মেয়ের মধ্যে হওয়া কথোপকথন তুলে ধরেছেন। যেখানে আছে বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। আর শেয়ার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সম্প্রতি ছুটি কাটাতে দেশে ফিরেছিলেন। ফ্লোরিডার আটলান্টিক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক তিনি। সঙ্গে দুই মেয়ে মায়া আর লীলা। শীতের আমেজে তিন সপ্তাহে কলকাতার নানা প্রান্তে ঘুরেছেন। কলেজ স্ট্রিট থেকে দক্ষিণেশ্বর-- গিয়েছেন সব জায়গা। ফেরার পথে এয়ারপোর্টে ঢোকার আগে সাতেকের লীলা একটি হোর্ডিং-য়ে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন করে, ‘আচ্ছা, ওই ভদ্রমহিলা কে?’ এমনকী সব জায়গায় ‘এই ভদ্রমহিলার’ ছবি কেন তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। যাতে যোগ দেন পরিচালকের বড় মেয়ে মায়াও। দুই সন্তানের কথোপথনই তিনি তুলে ধরেছেন ফেসবুকে।

কী লিখেছেন সুমন?

আমার মেয়েরা (মায়া ও লীলা) ৩ সপ্তাহের ছুটি কাটিয়ে কলকাতা ছেড়ে এয়ারপোর্টের পথে যাচ্ছি। লীলা, যে ৭ বছরের একটি হোর্ডিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে:'এই ভদ্রমহিলা কে? কেন তাঁর ছবি সব জায়গায়?' আমি এতে উত্তর দেই, ‘উনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’। ফের লীলার প্রশ্ন, ‘কিন্তু তাহলেও সব জায়গায় ছবি কেন?’ এবার মায়া বলে, ‘তাতে তোমার কী সমস্যা?’ ফের লীলার বক্তব্য, ‘আমার সমস্যা হল উনি সব জায়গায় কেন?’। সুমন জানিয়েছেন এরকমই কথোপকথন চলতে থাকে দুই কন্যার।

তিনি মাঝে বলেন, এবার তোমরা বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে কত কিছু জানতে পেরেছ… শান্তিনিকেতন, কলেজ স্ট্রিক বুকশপ, দক্ষিণেশ্বর। আর এই সময় লীলা ফের বাবাকে থামিয়ে বলে ওঠে, ‘…আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও বাংলার সংস্কৃতি’!

<p>পরিচালক সুমন ঘোষের ফেসবুক পোস্ট। </p>

পরিচালক সুমন ঘোষের ফেসবুক পোস্ট। 

নিজের পোস্টের নীচে পুনশ্চ লিখে সুমন যোগ করেন, এটা কোন রাজনৈতিক পোস্ট নয়। দুই কন্যের মধ্যে হওয়া কথাবার্তাই তিনি শুধু তুলে ধরেছেন।

পরিচালকের করা সেই পোস্ট নিমেষে ভাইরাল। স্ক্রিনশটও শেয়ার হতে থাকে নানা জায়গায়। একজন লিখেছেন, ‘বাচ্চারা অনেক বড় সত্যি এভাবেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারে। এই কারণেই ওদের কথা মন দিয়ে শোনা উচিত।’ আরেকজন লিখলেন, ‘সত্যি তো, সব জায়গায় ওঁর ছবি কেন থাকবে?’

 

বন্ধ করুন