বাড়ি > বায়োস্কোপ > বিতর্কের মাঝেই অভিনেত্রী কঙ্গনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিক্রম ভাট
বিতর্কের ঝড়ের মাঝেই কঙ্গনার অভিনয়ের প্রশংসা করলেন পরিচালক বিক্রম ভাট।
বিতর্কের ঝড়ের মাঝেই কঙ্গনার অভিনয়ের প্রশংসা করলেন পরিচালক বিক্রম ভাট।

বিতর্কের মাঝেই অভিনেত্রী কঙ্গনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিক্রম ভাট

  • কঙ্গনার অভিনয়ের প্রশংসা করলেন পরিচালক বিক্রম ভাট। জানালেন, নিজের মত প্রকাশ করার অধিকার সবার রয়েছে।

নানান বিতর্কের মাঝেই বুধবার কঙ্গনার অভিনয়ের প্রশংসা করলেন পরিচালক বিক্রম ভাট। জানালেন কঙ্গনার নিজের মত প্রকাশ করার পরিপূর্ণ অধিকার রয়েছে।

অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই টুইটারে একের পর এক বোমা ফাটিয়েছেন বিতর্কে পটু কঙ্গনা রানাওয়াত। মূলত বলিউডের এক-চোখোমি এবং অন্তর্গত-বহিরাগত নিয়ে বিতর্ককে একাধিক বার উস্কে দিয়েছেন অভিনেত্রী । বার বার দাবি করেছেন মহেশ ভাট, করণ জোহরের মতো অচলায়তন, প্রভাবশালী বলি-মাফিয়া যাঁরা পরিবারতন্ত্র এবং স্বজন পোষণের আখড়া চালান ইন্ডাস্ট্রিতে, তাঁদের জন্যই নন-ষ্টার কিড সুশান্তকে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও সুযোগ না পেয়ে চিরতরে সরে যেতে হয়েছে । আর এই ঘটনার পরেই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে 

১৪ জুন সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকেই বলি-মাফিয়াদের চক্রান্তের দিকে আঙুল তুলে আসছেন কঙ্গনা রানাওত। একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি জানিয়েছেন, বহিরাগত হওয়ার কারণেই অবসাদের স্বীকার হয়েছিলেন সুশান্ত। এ ছাড়া, অভিনেতার পরিবারের তরফে রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পর রিয়া তাঁর সাক্ষাৎকারে আত্মপক্ষ সমর্থন করে জবানবন্দি দেওয়ার পরেই কঙ্গনা টুইটে জানিয়েছিলেন, ' রিয়া এবং মহেশের মতো শকুনের ন্যায় চরিত্রই শেষ করে দিয়েছে সুশান্তকে ' । 

শুধু তাই নয়, সুশান্তের প্যারাগ্লাইডিং করার ভিডিও শেয়ার করে জানিয়েছিলেন , সুশান্ত কোনও ভাবেই উড়তে ভয় পেতেন না । তার আ রিয়া দাবি করেছিলেন তাঁদের ইউরোপ ট্রিপেই সুশান্ত জানিয়েছিলেন বিমানে চড়তে তাঁর ভয় হয় , তাঁর ক্লস্ট্রোফোবিয়ার সমস্যা আছে ।

কিন্তু এর পরে কি কঙ্গনা বড়ো প্রোডাকশন হাউসের সাথে আর কাজ করতে পারবেন ? নব ভারত টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিক্রম জানান কঙ্গনা নিঃসন্দেহে একজন বড়ো অভিনেত্রী এবং তিনি তা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছেন । হয়তো নিজের ছবিও তৈরী করবেন কদিন পরেই । আমার যতদূর জানা আছে যশ রাজ্ ফিল্মসের সাথে কোনো কাজ এখনো উনি করেননি । বর্তমানে যা পরিস্থিতি , তাতে আর কোনোদিনই করণ এবং কঙ্গনা একসাথে কাজ করবেন না ' । তবে একাধিক প্রোডাকশন হাউস আছে , কাজেই কঙ্গনার একেবারে একঘরে হয়ে যাওয়ার তত্ত্বকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পরিচালক ।

নিজের মতের প্রেক্ষিতে বিক্রম জানান , স্বাধীন দেশে প্রত্যেকের মত প্রকাশের অধিকার আছে । কিন্তু মাথায় রাখতে হবে যদি আমি এই খেলায় লুজ বল ফেলি তাহলে ছক্কা আমাকে হজম করতেই হবে । কঙ্গনার মতো মানুষ নিজের মত নিজের কাছে না রেখে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেন । কিন্তু আজ তিনি রাজনীতিকে টেনে এনেছেন , কাজেই তাঁর বিরুদ্ধেও পলিটিক্সের উল্টো চাল কেউ দেবেন না এমন তো হতে পারে না । আজ তিনি নিজের ছবি ডিরেক্ট করছেন , চিত্রনাট্য লিখছেন , হয়তো তাঁর আর বিশেষ কিছু দেওয়ার নেই ভেবেই করছেন । তবে আমায় যদি ওঁর ছবিতে কাজ করতে হয় তাহলে আমি কিছুই করব না , শুধু সেটে উপস্থিত থাকব আর প্রতি শটের শেষে হাততালি দেব , সহাস্যে জানান ১৯২০ র পরিচালক ।

বন্ধ করুন