বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Dostojee: বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে হাজির 'দোস্তজী', প্রথম দিনের ব্যবসা কেমন হল ছবির?

Dostojee: বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে হাজির 'দোস্তজী', প্রথম দিনের ব্যবসা কেমন হল ছবির?

বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে হাজির 'দোস্তজী'

Dostojee: দুই বন্ধুর গল্প নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল দোস্তজী। ১১ নভেম্বর মুক্তি পেল ছবিটি। আর প্রথমদিনেই শো হাউজফুল! কারা এল এই ছবি দেখতে?

প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের ছবি দোস্তজী মুক্তি পেল বড়পর্দায়। ১১ নভেম্বর বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে হাজির হল নবাগত এই পরিচালকের ছবিটি। ছবি মুক্তির আগে থেকেই এই ছবি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। কম বেশি সমস্ত সিনেমাপ্রেমীরাই এই ছবির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের সেই অপেক্ষা শেষ করে দেশ জুড়ে মুক্তি পেল এই ছবি।

এই ছবি নিবেদন করেছেন 'ইন্ডাস্ট্রি' প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার আগেই একাধিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখানো এবং মনোনীত হয়েছে। এবার সর্বসাধারণের জন্য এটি প্রেক্ষাগৃহে এল। আর মুক্তির প্রথম দিনেই ছবি হাউজফুল। কারা এসেছিল জানেন এই ছবি দেখতে প্রথমদিন? এক ঝাঁক বিশেষ অতিথি। কারা বলুন তো? আন্দাজ করতে পারছেন? স্কুল পড়ুয়ারা।

১১ নভেম্বর দুই ছোট্ট বন্ধুর গল্প নিয়ে হলে হাজির হল দোস্তজী। তবে প্রসূন চট্টোপাধ্যায় এর আগে এই ছবির বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে বাংলা বিনোদন জগতের বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এবং বলাই বাহুল্য এই ছবি তাঁদের সকলের মন জয় করে নিয়েছে। এবার যেই তা সর্ব সাধারণের জন্য সিনেমা হলে এল তখন প্রথম দিনই কচিকাঁচারা দল বেঁধে তা দেখতে হাজির হল।

হাইল্যান্ড পার্কের হলে সকাল ১১টার শোতে একদল দোস্তদের দেখা মিলল। স্থানীয় এক স্কুলের ছাত্ররা এই ছবি দেখার জন্য হলে গিয়েছিল সদলবলে। নিজেদের বয়সী দুই অভিনেতার অভিনয় দেখতে তাঁরা প্রেক্ষাগৃহে ভিড় জমিয়েছিলেন। আর চার পাঁচদিন ওরা যেমন ভাবে স্কুলে যায়, অর্থাৎ স্কুল ড্রেস পরে, পিঠে ব্যাগ নিয়ে সেভাবেই এসেছিল তবে স্কুলে নয়, হলে। এখান থেকেও তো কত কিছু শেখা যায়, তাই না? আর এই কথা পরিচালক নিজে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।

প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালক হিসেবে এটাই প্রথম কাজ। সকলের ছোটবেলার স্মৃতি ফিরিয়ে দেবে এই ছবি। বাবরি মসজিদ ধ্বংস এবং মুম্বাই বিস্ফোরণের পরের প্রেক্ষাপটে এই ছবির গল্প তৈরি হয়েছে। গল্প দেখানো দুই বন্ধু কী করে সমস্ত বাঁধা বিপত্তি এড়িয়ে এগিয়ে চলে বন্ধুত্ব বজায় রেখে সেটা এই গল্পে ধরা পড়বে।

গল্প দেখানো দুই দোস্ত মুর্শিদাবাদের বর্ডারের কাছের বাসিন্দা। তাঁদের বাড়ির খুব কাছেই বাংলাদেশ। তাঁদের একে অন্যের প্রতি বন্ধুত্ব, ভরসা, হাসি কান্না সবটাই ভীষণ মায়াময় যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে বলে আশা রাখেন পরিচালক। এই দুই বন্ধুর একজন হিন্দু, তার নাম পলাশ, আরেকজন মুসলিম, নাম সফিকুল।

এই ছবিতে একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে, তেমনই এটি একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছে। লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডারবান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব কেরল, ইত্যাদি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই ছবি প্রদর্শিত হয়েছে ইতিমধ্যেই।

বন্ধ করুন