বিক্রম ও মিথিলা।
বিক্রম ও মিথিলা।

লকডাউনে নতুন জুটি: ‘দূরে থাকা কাছের মানুষ’ হলেন বিক্রম-মিথিলা

  • লকডাউনে বাড়ি বসেই একের পর এক স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি বানাচ্ছেন টলিউডের শিল্পীরা।

লকডাউনে দূরে থেকেও একে অপরের কাছাকাছি বিক্রম-মিথিলা। আসলে লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে এই শব্দগুলো। এই পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন কাছের মানুষদের থেকে আমরা হয়ত দূরে রয়েছি, তেমনই অনেক দূরের মানুষ,হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কগুলোও ফের একবার জড়িয়ে গেছে আমাদের জীবনের সঙ্গে।

‘নীরার অসুখ হলে কলকাতায় সবাই বড়ো দুঃখে থাকে..সূর্য নিভে গেলে পর, নিয়নের বাতি গুলি হঠাৎ জ্বলার আগে জেনে নেয় ..নীরা আজ ভালো আছো?

কবিতা থেকে এখন অনেক দূরে দীপ্ত, কলকাতা থেকে লন্ডন ফিরেছে একমাস হল। এখন সে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণা করে। গোটা পৃথিবী যখন মারণভাইরাসে আক্রান্ত, তখন সে তো খোঁজ নেবেই তাঁর নীরা কেমন আছে?

চোদ্দ বছর পর প্রাক্তন প্রেমিকা বন্যার সঙ্গে ভিডিয়ো কলে কথা হল দীপ্তর (বিক্রম)। ঢাকায় সাংবাদিক হিসাবে কাজ করে বন্যা মিথিলা)। একে একে বেরিয়ে এল না-বলা অনেক কথা। এই নিয়েই বিক্রম-মিথিলার শর্ট ফিল্ম ‘দূরে থাকা কাছের মানুষ’। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিটি পরিচালনা করেছেন শাহরিয়ার পলক। গল্প লিখেছেন অভ্র চক্রবর্তী।

লকডাউনে বিনোদুনিয়ার নতুন ট্রেন্ড শর্ট ফিল্ম। বাড়ি বসেই একের পর এক স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি বানাচ্ছেন টলিউডের শিল্পীরা। তবে এবার দুই বাংলার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হল ‘দূরে থাকা কাছের মানুষ’। যেখানে একসঙ্গে দেখা মিলল এপার বাংলার বিক্রম চট্টোপাধ্যায় ও ওপার বাংলার রাফিয়াত রশিদ মিথিলার। যাঁর অবশ্যে আরও একটি পরিচয় রয়েছে, তিনি কলকাতার বৌমা-সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পত্নী।

বিক্রমের কথায়,‘আমার কাছে এটি একটি সংবেদনশীল গল্প, দুটি ভিন্ন দেশে দীপ্ত এবং বন্যা । দীর্ঘদিন পর পরস্পরের সাথে কথা বলছি। একটা প্রেমের সুবাস ছড়িয়ে ছিল স্ক্রিপ্ট জুরে। একটা খুব আলাদা অভিজ্ঞতা’। অন্যদিকে মিথিলা ঢাকা থেকে মুঠোফোনে জানালেন, ‘অভিজ্ঞতাটি একদম অন্যরকম ছিল,প্রথমবারর মোবাইল ক্যামেরায় হোম-বেসড শ্যুটিং করলাম। প্রথমদিকে ভেবেছিলাম খুব কঠিন হবে তবে অবশেষে আমি উপভোগ করতে শুরু করি। এই সময় আমার মেয়ের দেখাশোনাও করতে হচ্ছে।সেই সব সামলেই দূরে থাকা কাছের মানুষের কাজ করে ফেললাম’।

এই ছবির সঙ্গে যুক্ত সকলেই পারিশ্রমিক ছাড়াই এই প্রজেক্টের অংশ হয়েছেন। এই শর্টফিল্ম থেকে সংগৃহীত অর্থ ঢাকা সিনে শ্রমিক তহবিল এবং কলকাতা সিনেমা শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলে অনুদান হিসাবে দেওয়া হবে।

ভিডিয়োটি দেখে নিন নীচের লিঙ্কে ক্লিক করে- https://youtu.be/6YiwXNLAZsA

বন্ধ করুন