বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Durnibar-Oindrila: বিতর্ককে বুড়ো আঙুল! বৌভাত মিটতেই নতুন বউয়ের হাত ধরে অ্যাওয়ার্ড শো'তে দুর্নিবার

Durnibar-Oindrila: বিতর্ককে বুড়ো আঙুল! বৌভাত মিটতেই নতুন বউয়ের হাত ধরে অ্যাওয়ার্ড শো'তে দুর্নিবার

বিতর্কের মাঝেই প্রথম পাবলিক অ্য়াপিয়ারেন্স নবদম্পতির

Durnibar-Oindrila: বৌভাতের পরদিনই কাজে ফিরলেন দুর্নিবার। মির্চি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে হাজির গায়ক,সঙ্গী তাঁর সদ্যবিবাহিতা স্ত্রী, ঐন্দ্রিলা। 

বৌভাতের পর্ব মিটেছে শনিবার। আর রবিরার দিনই নতুন বউকে নিয়ে শহরের এক অ্যাওয়ার্ড শো'তে হাজির দুর্নিবার সাহা। আসলে নিন্দকরা যাই বলুক দুর্নিবারের স্পষ্ট কথা, ‘শকুনের অভিশাপে গরু মরে না’। দু-বছরের ব্যবধানে দু'বার বিয়ের পিঁড়িতে বসে তুমুল ট্রোলের শিকার সারেগামাপা খ্যাত গায়ক। দুর্নিবারের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে উপচে পড়ছে ‘হেট কমেন্ট’।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পার্সোনাল ম্যানেজার ঐন্দ্রিলা সেন ওরফে মোহরকে বিয়ে করেছেন দুর্নিবার। অনেকে এমন কথাও বলছেন, ‘টলিউডে নিজের জায়গা পাকা করতেই ইন্ডাস্ট্রির কাছের মানুষকে বিয়ে করেছেন দুর্নিবার'। আসলে কাউকে ৬ বছর ধরে ভালোবেসে ধুমধাম করে বিয়ে করবার ৬ মাস পরেই কী করে সম্পর্ক ভাঙতে পারে, তা ভেবে উঠতে পারছেন না কেউই। দুর্নিবারের ঘর ভাঙার জন্য প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীও। অন্যদিকে দুর্নিবারের প্রাক্তন স্ত্রী মীনাক্ষীর প্রতি সহমর্মী নেটপাড়া।

বিতর্কের মাঝেই রবিবার মির্চি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে দেখা মিলল দুর্নিবারের। নতুন বউয়ের হাত ধরেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন গায়ক। বিতর্ককে গায়ে মাখতে না-রাজ দুজনেই। চোখেমুখে তাঁদের নতুন জীবনের পরিতৃপ্তি। হাসি মুখে বরের পাশে বসে পোজ দিলেন ঐন্দ্রিলা। সোনালি সুতোর কাজ করা সবুজ রঙের পঞ্জাবিতে সেজেছেন দুর্নিবার। পাশে গোলাপি রঙা শাড়িতে মোহর। সিঁথি রাঙানো সিঁদুরে, গলায় ছিমছাম মঙ্গলসূত্র। শাঁখা-পলায় সাজানো দু-হাত। একদম নতুন কনের বেশেই পাওয়া গেল দুর্নিবার-পত্নীকে।

<p>দুর্নিবারের পাশে নতুন বউ মোহর</p>

দুর্নিবারের পাশে নতুন বউ মোহর

আশ্চর্যজনকভাবে দুর্নিবারের দ্বিতীয় বিয়েতে টলিপাড়ার সঙ্গীতজগতের তারকাদের উপস্থিতি সেভাবে চোখে পড়েনি। দুর্নিবার মীনাক্ষীর বিয়েতে হাজির ছিলেন ইমন-নীলাঞ্জন, স্বস্তিকা-শোভনরা। তবে এইবার কারুরই দেখা মিলল না! তবে বিয়ে মিটতেই মিউজিক জগতের মাঝখানে ধরা দিলেন নবদম্পতি। 

ট্রোলিং নিয়ে এক সংবাদমাধ্যমকে দুর্নিবার জানান, ‘শকুনের অভিশাপে গোরু মরে না। যাঁরা আমাদের শুভাকাঙ্খী তাঁদের অনেক অনেক হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ভালোবাসা। তাঁদের পাশে থাকায় আমাদের মনের জোরও অনেকটাই বাড়ছে।’ অচেনা-অজানা ট্রোলারদের পাত্তা দিয়ে জীবনে অহেতুক সমস্যা বাড়াতে আগ্রহী নন দুর্নিবার। নিজেদের মতো করে জীবনটা কাটাতে চান গায়ক। 

 

বন্ধ করুন