বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ক্যানসারের পরেও মদে আসক্তি ছাড়তে পারেননি রাকেশ রোশন, প্রতিদিন ২ পেগ করে খান!
রাকেশ রোশন ও হৃত্বিক রোশন
রাকেশ রোশন ও হৃত্বিক রোশন

ক্যানসারের পরেও মদে আসক্তি ছাড়তে পারেননি রাকেশ রোশন, প্রতিদিন ২ পেগ করে খান!

  • ২০১৮ সাল থেকে ক্যানসারে আক্রান্ত রাকেশ রোশন। ধূমপান ছাড়লেও অ্যালকোহল পরিত্যাগ করতে পারেননি। 

২০১৮ সাল থেকে মারণ ব্যাধিতে ভুগছেন পরিচালক রাকেশ রোশন। গলায় ক্যানসার হয়েছে তাঁর। পরীক্ষায় প্রমাণিত হওয়ার আগেই তিনি জানতে তিনি গুরুতর অসুস্থ। তিনি এও জানিয়েছেন, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার পিছনে প্রধাণ কারণ মানসিক শক্তি। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাকেশ রোশন জানিয়েছেন, তিনি ধূমপান ত্যাগ করতে পেরেছেন। কিন্তু তিনি এখনও অ্যালকোহলের আসক্তি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। কারণ এটা তাঁকে মানসিক ভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘সিগারেট আমার কাছে অতীত, তবে এখনো প্রতিদিন সন্ধায় আমি দু’পেগ করে খাই। যদিও এটার অনুমোদন আমি পাইনি তবুও আমি খাই। আমি মানসিক ভাবে শান্তি পাই- সেটাই সব থেকে বড় ব্যাপায় নয় কি? আমার সম্প্রতি PET স্ক্যান বলছে আমি অনেকটাই সুস্থ’। 

পরিচালক জানান, ‘টেস্ট করার আগেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমার ক্যানসার হয়েছে... আমি জানি না তবে আমার মনে হয়েছিল গলায় এই ধরণের ফুসকুরি একমাত্র ক্যানসারের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এমনকি আমার গলায় কেমন অনুভূতি হচ্ছে সেটা আমি চিকিৎসকের কাছেও বলেছিলাম’।

রাকেশ রোশন ও হৃত্বিক রোশন
রাকেশ রোশন ও হৃত্বিক রোশন

২০১৯ সালে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে অভিনেতা হৃত্বিক জানিয়েছিলেন, তিনি বাবার সঙ্গে ছবি তুলতে চান। কারণ নিজের অপারেশনের দিনেও তাঁর বাবা রাকেশ রোশন জিম মিস করতে চাননি। বাবার মতো শক্ত মনের মানুষ হৃত্বিক খুব কমই দেখেছেন বলে জানান। গলায় ক্যানসারের কথা প্রারম্ভিক পর্যায়েই জানতে পেরেছিলেন রাকেশ রোশন, তারপর তিনি পুরোদমে রোগের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুতি নেন। পরিবারের কর্তা হিসেবে তাঁর মতো ব্যক্তিত্বকে পেয়ে তিনি ধন্য এবং ভাগ্যবান বলে মনে করেন নিজেকে। 

অন্য এক সাক্ষাৎকারে রাকেশ রোশনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাঁর রোগ নিরাময় সম্পর্কে হৃত্বিকের কী প্রতিক্রিয়া? উত্তরে পরিচালক জানিয়েছিলেন, এটা তাঁদের কাছে নতুন কিছু নয়। তাঁরা বিষেয়টি জানতে পেরে সেটি সংশোধন করার চেষ্টায় রয়েছেন। কখনো হতাশা হয়ে না পড়ার কথা বলেন তিনি। জীবনটাকে বাঁচুন, ক্যানসার শুধুমাত্র একটা বড় রোগের নাম বলে আখ্যা দেন তিনি।

বন্ধ করুন