বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Hema Malini: হেমাকে মেনে নেয়নি ধর্মেন্দ্রর পরিবার, লুকিয়ে নাতনি এষার মুখ দেখতে আসেন শাশুড়িমা
এষা ও ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

Hema Malini: হেমাকে মেনে নেয়নি ধর্মেন্দ্রর পরিবার, লুকিয়ে নাতনি এষার মুখ দেখতে আসেন শাশুড়িমা

  • চার সন্তানের বাবা ধর্মেন্দ্রকে বাড়ির অমতে বিয়ে করেছিলেন হেমা। ধর্মেন্দ্রও প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেননি। ধর্মেন্দ্রর প্রথম পরিবার কোনওদিনই হেমাকে মেনে নেয়নি। 

বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা হামেশাই ঘুরেফিরে আসে সংবাদ শিরোনামে। বহু তারকাই রয়েছেন যাঁরা একাধিকবার বিয়ের বাঁধনে বাঁধা পড়েছেন। সত্তরের দশকের বলিউড সুপারস্টার ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই বিয়ে করেছিলেন হেমা মালিনীকে। নতুন সম্পর্কে জড়ালেও নিজের চার সন্তানের মা, প্রকাশ কৌরের সঙ্গে্ কোনদিন সম্পর্ক ছিন্ন করেননি ধর্মেন্দ্র। ধর্মেন্দ্র-হেমার ফিল্মি প্রেম কাহিনির বহুদিক উঠে এসেছে অভিনেত্রী জীবনী ‘বিয়ন্ড ড্রিম গার্ল’-এ। 

রাম কমল মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই জীবনীতে হেমা মালিনী জানিয়েছিলেন, কেমনভাবে বড় মেয়ে এষার জন্মের পর কেমনভাবে গোপনে শাশুড়ি মা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। 

হেমা-ধর্মেন্দ্রর প্রেম কাহিনির দিকে ফিরে তাকালে, ১৯৭০ সালে ‘তুম হাসিন মেয় জাওয়ান’ ছবির সেটে তাঁদের প্রথম আলাপ। এরপর একের পর এক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করে প্রেম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। কিন্তু এই প্রেম আর পাঁচটা ফিল্মি প্রেম কাহিনির চেয়ে আলাদা ছিল, কারণ ধর্মেন্দ্র তখন চার সন্তানের বাবা। বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক মেনে নেয়নি হেমার পরিবার। এমনকী জিতেন্দ্রর সঙ্গে বিয়ের ঠিক হয়েছিল হেমা মালিনীর। বিয়ের দিন মদ্যপ অবস্থায় চেন্নাইয়ে হাজির হয়ে হেমার বিয়ে ভেঙেছিলেন প্রেমিক ধর্মেন্দ্র। অবশেষে পরিবারের অমতে ১৯৮০ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েন হেমা-ধর্মেন্দ্র।

হেমা-ধর্মেন্দ্রর দুই সন্তান- এষা ও অহনা দেওল। অনেকেই হয়ত জানা নেই, হেমা মালিনীর ধর্মেন্দ্রর পৈতৃক ভিটেতে ঢোকবার অনুমতি নেই। বিয়ের এত বছর পরেও প্রকাশ কৌরের বেঁধে দেওয়া এই শর্ত অটুট রয়েছে। রাম কমল মুখোপাধ্যায়কে অভিনেত্রী শ্বশুরমশাইকে নিয়ে জানান, ‘উনি (কেওয়াল কিষাণ সিং দেওল) মাঝেমধ্যে আমার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। হাত মেলাতেন না বরং পাঞ্জা লড়তেন। আর সেই ম্যাচে ওদের হারিয়ে বলতেন, তোমরা এতটু ঘি-মাখন-লস্যি খাও, ওই ইডলি, সাম্বর খেয়ে শরীরে জোর আসে না’। 

আরও পড়ুন-'সঞ্জু'কে ছাপিয়ে নয়া রেকর্ড রণবীরের! প্রথমদিন ঘরে কত কোটি আনবে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’?

পাশাপাশি অভিনেত্রী এও বলেন, ‘ধরমজির মা সতওয়ান্ত কৌরও খুব বড় মনের মানুষ ছিলেন। আমার মনে আছে, আমি একবার জুহুর ডাবিং স্টুডিওতে ছিলাম, তখন সবে এষা জন্মেছে। উনি বাড়িতে কাউকে কিছু না জানিয়ে এসেছিলেন আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমি পা ছুঁয়ে প্রণাম করতেই আমাকে গলা জড়িয়ে আর্শীবাদ দেন- ‘সব সময় এমনই খুশি থেকো সোনা’। 

 

বন্ধ করুন