বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘আমি ইমিটেশন পরি না’, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝাড়বাতি দুলের ছবি দিয়ে ট্রোলড সুদীপা
সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।
সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

‘আমি ইমিটেশন পরি না’, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝাড়বাতি দুলের ছবি দিয়ে ট্রোলড সুদীপা

সুদীপা চট্টোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড হলেন কানের দুলের ছবি পোস্ট করে। 

টেলিভিশনের জনপ্রিয় শো ‘রান্নাঘর’-এর দৌলতে ঘরে ঘরে জনপ্রিয় সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। যদিও অভিনেত্রী হিসেবে একসময় বহু ছবিতে কাজ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই ব্যক্তিগত নানা মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে থাকেন সুদীপা। কখনও দেখা যায় ছেলে আদিদেবকে নিয়ে খেলা করছেন তো কখনও স্বামী অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাচ্ছেন। এবার সামাজিক মাধ্যমে নিজের কানের দুল পরা একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি। যা নিয়ে তাঁকে বেশ কটু কথা শুনতে হয়। নেটনাগরিকদের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শুক্রবার নিজের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন সুদীপা। সঙ্গে তাঁর কানের দুলের এক কাহিনিও ভাগ করে নিয়েছেন অনুরাগীদের সঙ্গে। সেই দুলের ছবি দিয়েই ট্রোলিংয়ের শিকার হলেন তিনি। ছবিতে স্পষ্ট ‘রান্নাঘরে’র শ্যুটিংয়েই তোলা হয়েছে সেগুলি।

সুদীপা নিজের পোস্টে পরিষ্কারভাবেই উল্লেখ করে দিয়েছিলেন এই সোনার কানের দুলটি তিনি প্রথম দেখেছিলেন বর্ষীয়ান গায়িকা নির্মলা মিশ্র দি-র কান। সেই থেকেই সেরকম দুল বানানোর ইচ্ছে ছিল। আর তার মনের মতো “ঝাড়বাতি" কানের বানিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন এক জুয়েলারি সংস্থাকে। কিন্তু তাও সুদীপার ছবিতে এক নেটনাগরিক জানতে চান, ‘দিদি দুলটা কি সোনার’? যার উত্তরে সুদীপা মন্তব্য, ‘আমি ইমিটিশন’ ছাড়া কানের পরি না। আর তারপরই নেটনাগরিকদের কটুক্তির শিকার হন তিনি। কারও বিচারে সুদীপা অহঙ্কারী, তো কারও মতে তিনি রুড। কেউ কেউ আবার খুঁজে খুঁজে সুদীপার কস্টিউম জুয়েলারি পরা ছবি পোস্ট করতে থাকেন।

যদিও সংবাদমাধ্যমের কাছে সুদীপা জানিয়েছেন, ‘আমি লিখে দিয়েছিলাম, সোনার গয়না, সৌজন্যে অমুক… সেখানে এই প্রশ্নটা কেন? আমি ইমিটেশন পরি না। কাউকে ছোট করার জন্য তো সেকথা বলিনি। আসলে এগুলো ইগনোর করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সচিন তেন্ডুলকর, লতা মঙ্গেশকরের মতো মানুষদেরও এরা ট্রোল করতে ছাড়ছে না। আর এরাই আবার ওই সেলেবকে রাস্তায় দেখলে সেলফি তুলতে চাইবেন।’

বন্ধ করুন