বাড়ি > বায়োস্কোপ > সহানুভূতিশীল হতে গিয়ে সুশান্তকে কি সম্মান জানতে ভুলে যাচ্ছি?প্রশ্ন ইরফান পত্নীর
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুনিয়ে এবার মুখ খুললেন সুতপা শিকদার 
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুনিয়ে এবার মুখ খুললেন সুতপা শিকদার 

সহানুভূতিশীল হতে গিয়ে সুশান্তকে কি সম্মান জানতে ভুলে যাচ্ছি?প্রশ্ন ইরফান পত্নীর

  • সুশান্তের আত্মহত্যার মামলায় তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মিডিয়ায় কাঁটা ছেড়া হচ্ছে তাতে বিরক্ত সুতপা শিকদার, কেন একাধিক মেয়ের নাম জড়িয়ে তাঁদের চরিত্রকে জাজ করার চেষ্টা চলছে? 

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানা রকমের তরজা। একটা তরজাজা প্রাণ চলে যাওয়ার পর মানুষের প্রতিক্রিয়ায় বিরক্ত ইরফান পত্নী। তাঁর মতে, যে মানুষটা চলে গেছে তাঁর প্রতি সঠিকভাবে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে ব্যর্থ সকলেই। সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর আত্মহত্যার ঘটনাকে মশলাদার নিউজ আইটেম তৈরি করে পেশ করবার অভিযোগ উঠেছে সংবাদমাধ্যমেক একাংশের বিরুদ্ধে,অন্যদিকে  বলিউডে নেপোটিজম ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভরে গিয়েছে বুলিং,ট্রোলিংয়ে। এই নিয়েই এবার মুখ খুলেন সুতপা শিকদার। 

সুশান্তের আত্মহত্যার মামলায় তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মিডিয়ায় কাঁটা ছেড়া হচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে সুতপা শিকদার লেখেন, ‘আমার ওই মেয়েগুলোর কথা ভেবে খারাপ লাগছে যাঁদের নাম প্রতিবেদন গুলোতে উল্লেখ করা হচ্ছে। একক্ষণে কত মানুষ রিয়াকে ট্রোল করেছেন। আমরা তো ভাবতেও পারিনা যে দুজন মানুষের মধ্যে কী ঘটেছে তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নীতি পুলিশ হয়ে কাউকে বিচার করবার কী অর্থ? আজকাল তো সকলেই সোশ্যাল মিডিয়াতে বিচারক, থেরাপিস্ট, কাউন্সিলার আরও কত কী হয়ে যাচ্ছে। আবারও বলছি এই কঠিন সময়ে নিজের ও আশপাশের মানুষের মঙ্গলের কথা ভাব, দুষ্টু শকুন হয়ে লাভ নেই’।

দুঃখের সঙ্গে যুঝতে যুঝতে আপনি অনেক সময় খুব অন্যের প্রতি সহনুভূতিশীল হয়ে পড়েন। যন্ত্রণা থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। আমি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছি যখন মানুষ সহানুভূতিশীল হওয়ার অজুহাতে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে কাটাছেঁড়া করছে। আমরা পুরোপুরি ভাবে ভুলে গিয়েছে ওকে শ্রদ্ধা জানাতে, কিংবা যা রয়ে গিয়েছে সেটাকেও…মিডিয়া কী করছে এই মৃত্যু নিয়ে!!

প্রসঙ্গত গত রবিরার বান্দ্রার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ। আত্মহত্যাই করেছেন অভিনেতা প্রাথমিক তদন্তে মত পুলিশে। এই মালায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে  পুলিশ। 

বন্ধ করুন