বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Soumitrisha-Adrit: সিদ্ধার্থ-মিঠাইয়ের মন কষাকষি প্রকাশ্যে, আদৃতের জন্মদিনে শুভেচ্ছা নেই সৌমিতৃষার!
মনোমালিন্যের ছবি প্রকাশ্যে 

Soumitrisha-Adrit: সিদ্ধার্থ-মিঠাইয়ের মন কষাকষি প্রকাশ্যে, আদৃতের জন্মদিনে শুভেচ্ছা নেই সৌমিতৃষার!

  • হলটা কী? আদৃতের জন্মদিনে মুখভার সৌমিতৃষার। কো-স্টার কেক খাওয়াতেও অনীহা আদৃতের? বন্ধুত্বে আসা মান-অভিমান নাকি এর পিছনে লুকিয়ে অন্য রহস্য?

এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনের হার্টথ্রব জোড়ির কথা বললে একদম শুরুতেই নাম আসবে ‘আদ্রিতৃষা’র। সিদ্ধার্থ আর মিঠাইকে নিয়ে মাতামাতির শেষ নেই। অথচ রিয়েল লাইফে নাকি বিরাট দূরত্ব তৈরি হয়েছে তাঁদের সম্পর্কে। ক্যামেরার সামনে তাঁদের রসায়ন যতটা টানটান, ক্যামেরা বন্ধ হলে ততটাই ঠাণ্ডা। সূত্রের খবর, আজকাল কথাও বন্ধ সৌমিতৃষা-আদৃতের। পরস্পরকে যথাসাধ্য়ভাবে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দুজনেই। পর্দায় পুরোনো প্রেম যখন ছন্দে ফিরছে, তখন আচমকা এই দূরত্ব কেন?

সেই নিয়ে কানাঘুষো কম শোনা যাচ্ছে না। কো-স্টার কৌশাম্বির সঙ্গে আদৃতের ঘনিষ্ঠতার জেরেই নাকি সৌমিতৃষার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে আদৃতের তেমনটাও দাবি করছেন দুজনের পরিচিতমহলের কেউ কেউ। বুধবার ছিল আদৃতের ৩০তম জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওতে আদৃত অনুরাগীরা ভিড় জমিয়েছিলেন। সারাদিন ধরেই চলে সেলিব্রেশন পর্ব। মিঠাই পরিবারের সদস্যরা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে তাঁদের প্রিয় সিডি বয়কে শুভেচ্ছা জানান। কিন্তু তেমনটা করেননি সৌমিতৃষা। দিন কয়েক আগেই ঐন্দ্রিলা বা দিয়ার জন্মদিনে আদুরে বার্থ ডে উইশ পোস্ট করেছিলেন মিঠাইরানি, তবে আদৃতের জন্য তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল ফাঁকা (ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কিনা জানা নেই)। তবে ইনস্টাগ্রামে তিনি অ্যাক্টিভ ছিলেন না তেমনটা নয়। বরং এদিন সৌমিতৃষা তিনটে স্টোরি পোস্ট করেছে যেগুলো কোনও মানুষের ব্রেকআপ যন্ত্রণার কথা তুলে ধরছে, যা যথেষ্ট সন্দেহজনক। সৌমিতৃষার এই একতরফা ভালোবাসা কার জন্য?

সৌমিতৃষার এক তরফা ভালোবাসায় কার জন্য?
সৌমিতৃষার এক তরফা ভালোবাসায় কার জন্য?

এখানেই শেষ নয়, এদিন মিঠাই-এর ফ্যানপেজ গুলোর সুবাদে সেটের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে জন্মদিনের কেক কেটে সকলকে খাইয়ে দিচ্ছেন আদৃত। সেখানে সকলের মুখে কেকের টুকরো তুললেও শুরুতে বেমালুম মিঠাইকে ‘ইগনোর’ করতে দেখা যায় আদৃতকে। সৌমিতৃষাও বেশ মন খারাপ করা মুখ নিয়েই ওই সেলিব্রেশনে শামিল হয়েছিলেন। এরপর ঠাম্মির কথায় সৌমিতৃষার মুখে চকোলেটের টুকরো তুলে দেন আদৃত। পালটা বার্থ ডে বয়ের মুখ মিষ্টিও করাননি সৌমিতৃষা।

অনুরাগীরা বেশ হতাশ গোটা ঘটনায়। সৌমিতৃষার ফ্যানেরা আদৃতের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আবার আদৃতের ফ্যানেরা বলছেন সৌমির উচিত ছিল আদৃতকে প্রকাশ্যে শুভেচ্ছা জানানো। সব মিলিয়ে যেন দু দলে ভাগ মিঠাই ভক্তরা।

মান-অভিমান চলছে দুই বন্ধুর?
মান-অভিমান চলছে দুই বন্ধুর?

অবশ্য কেউ কেউ এমনটাও বলছেন দুই বন্ধুর মধ্যে মান-অভিমানের পর্বও তো চলতে পারে। সব ব্যাপারটা এত নেগেটিভলি দেখা উচিত নয়। মিঠাই ভক্তদের অনেকেই বেশ চিন্তায় এই বিষয়টি নিয়ে, এর জেরে টিআরপি তালিকায় কোনও প্রভাব পড়বে না তো? 

বলা বাহুল্য পর্দায় সিদ্ধার্থ-মিঠাইয়ের রসায়ন থেকে চোখ ফেরানো দায়! সেখানে তাঁরা আগের মতোই কপল গোলস দিয়ে চলেছেন, সব ব্যক্তিগত সমস্যা দূরে রেখে। 

বন্ধ করুন