বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > জ্যাকির জোতিষী বাবা জানতেন ‘দিনটা খারাপ’, ঠিক সেদিনই জলে ডুবে মারা যায় বড় ছেলে!
জ্যাকি শ্রফ।
জ্যাকি শ্রফ।

জ্যাকির জোতিষী বাবা জানতেন ‘দিনটা খারাপ’, ঠিক সেদিনই জলে ডুবে মারা যায় বড় ছেলে!

  • টুইঙ্কল খান্নার শো-তে পুরনো কথা তুলে ধরেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা!

সম্প্রতি জ্যাকি শ্রফ জানিয়েছেন তাঁর জ্যোতিষী পিতা আগে থেকেই জানতেন দিনটা খারাপ যাবে, যেদিন তাঁর দাদা জলে ডুবে মারা যায় ১৭ বছর বয়সে। জ্যাকির তখন বয়স ছিল মাত্র ১০। আর কোনও ভাইবোন ছিল না অভিনেতার। 

টুইঙ্কল খান্নার সাথে অভিনেতা কথা বলেছিলেন কীভাবে সবাই জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে ঠাট্টা করে সেই ব্যাপারে। আর তখনই উদাহরণ হিসেবে জানান কীভাবে তাঁর বাবার আশঙ্কা সত্যি করে মারা গিয়েছিল তাঁর দাদা। 

জ্যাকি টুইঙ্কলকে বলেন, ‘বাবা দাদাকে বলেছিল, ‘‘আজ দিন খারাপ আছে, আজ ঘরের বাইরে যাস না’।’’ জ্যাকি জানান তাঁর দাদা সেঞ্চুরি মিলে কাজ করত। অভিনেতার কথায়, ‘বাবা দাকে সেদিন মিলে যেতে বারণ করেছিল। তাই দাদাও যায়নি। তবে হঠাৎই ও সমুদ্রতে একজনকে ডুবে যেতে দেখে বাঁচাতে যায়, নিজে সাঁতার না জেনে। আর জলে ডুবে মারা যায়।’

জ্যাকি শ্রফ আরও জানান, ‘‘আমার বাবা বলেছিল দাদার জন্য দিনটা খারাপ। দাদা মারা গেল। বলেছিল আমি একজন অভিনেতা হব, তাই হয়েছি। উনি নথুভাই আম্বানি ও কোকিলাবেন আম্বানির খুব কাছের মানুষ ছিল। আর বারবার কোকিলাবেনকে বলতেন, ‘তোমার স্বামী একদিন বড় মানুষ হবে’। আর একথা শুনে নথুভাই আম্বানি হেসে বলত, ‘ওর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে’।’’

শো-তে জ্যাকির ইংরেজি উচ্চারণের তারিফ করেন টুইঙ্কল। তাতে অভিনেতার জবাব, ‘আমি মুম্বইতে বড় হয়েছি। আর এখানে সবাই এভাবেই কথা বলে। ১১ ক্লাসের পর আর পড়াশোনা করার সুযোগ হয়নি। যেটুকু ইংরেজি শিখেছি তা সিনেমা দেখে। আসলে ক্লিন্ট ইস্টউডকে নিজের ইংরেজির শিক্ষক বানিয়েছিলাম।’

বন্ধ করুন