রঙ্গোলি চান্দেল ও কঙ্গনা রানাওয়াত
রঙ্গোলি চান্দেল ও কঙ্গনা রানাওয়াত

টুইটার বিতর্কে দিদির পাশে কঙ্গনা, মোদি সরকারকে টুইটারের 'দানাপানি' বন্ধের আর্জি

  • বির্তকিত টুইটারে বহিষ্কৃত রঙ্গোলি চান্দেলের পাশে দাঁড়ালেন কঙ্গনা রানাওয়াত। মোরাদাবাদে চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিগ্রহের ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়েই সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক টুইট করার অভিযোগ উঠেছে রঙ্গোলির বিরুদ্ধে।

টুইটার বিতর্কে দিদি রঙ্গোলি চান্দেলের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। টুইটারে সাম্প্রদায়িক উস্কানি মূলক মন্তব্যের অভিযোগে এই মাইক্রো ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম থেকে বরখাস্ত করা হয় রঙ্গোলিকে। দিদির সমর্থনে কঙ্গনার দাবি, তিনি এবং রঙ্গোলি দুজনেই ক্ষমা চাইবেন যদি রঙ্গোলির কোনও টুইটে সে একটি গোটা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করে থাকে। ভারত সরকারের কাছে কঙ্গনা অনুরোধ জানান টুইটার ‘ধ্বংস’ করে, এই ধরণের কোনও ভারতীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার।

বলিউডের অন্যতম ঠোঁট কাটা ব্যক্তিত্ব হিসাবেই পরিচিত কঙ্গনা রানাওয়াতের দিদি তথা ম্যানেজার রঙ্গোলি চান্দেল। দেশজুড়ে ঘটে চলা স্বাস্থ্যকর্মীদের নিগ্রহের ঘটনার সমালোচনা করতে গিয়েই বৃহস্পতিবার এই বিতর্কিত টুইট করেন রঙ্গোলি। মূলত মোরাদাবাদের ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য তাঁর। সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের বাইরে টুইটে ভুয়ো তথ্য দেন রঙ্গোলি, যা টুইটারের গাইডলাইন বিরোধী।


রঙ্গোলির সেই টুইটের বিরুদ্ধে সরব হন পরিচালক রিমা কাগতি, জুলেয়ারি ডিজাইনার তথা সুজান খানের দিদি ফারহা খান আলি। তাঁরা মুম্বই পুলিশ ও টুইটার ইন্ডিয়াকে ট্যাগ করে রঙ্গোলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন, এমনকি রঙ্গোলিকে গ্রেফতারের দাবি তোলেন। এই ঘটনাতেও চটেছেন কঙ্গনা। রঙ্গোলির বিরুদ্ধে তাঁদের দাবি সম্পূর্ন ভুয়ো।

কঙ্গনার এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছেন ফারহাও। তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় কঙ্গনা, তোমাকে আমি শুরুতেই বলে রাখি আমি তোমার ভীষণ বড় ভক্ত এবং তুমি দুর্দান্ত অভিনেত্রী’। অ্যাসিড আক্রান্ত রঙ্গোলির লড়াইকে তিনি কুর্নিশ জানান বলেও উল্লেখ করেন। তবে ‘কিছু মানুষের ভুলের জন্য গোটা একটা সম্প্রদায়ের মানুষকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যার দাবি করাটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’।

রঙ্গোলি সেই টুইটে দাবি করেছিলেন, করোনায় মৃত এক জামাতির পরিবারের সদস্যদের পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসতে গেলে পাথর ও ইট বৃষ্টির শিকার হল স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্তব্যরত পুলিশ কর্মচারীরা। ঘটনায় মৃত্যু হয় এক চিকিত্সকের। যা সম্পূর্ন ভুয়ো দাবি। এক চিকিত্সক গুরুতর আহত হলেও ঘটনায় কারুর মৃত্যু হয়নি। এখানেই থেমে না থেকে রঙ্গোলি আরও বলেন সেই সব ব্যক্তি এবং ভারতের 'তথাকথিত সেকুলার মিডিয়া'কে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা উচিত।

টুইটারকে ভারত বিরোধী প্ল্যাটফর্ম বলে উল্লেখ করে রঙ্গোলি আগেই জানিয়েছেন, 'আমার কোন ইচ্ছাই নেই এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে নিজের চিন্তাভাবনা ও সত্ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার, তাই আমি আমার অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করব না, আমি আমার বোনের মুখপাত্র ছিলাম, এবার ওঁর সরাসরি সাক্ষাত্কারের দিকেই নজর রাখুন। কঙ্গনা একজন মস্ত বড় তারকা, মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার জন্য ওর অনেক রাস্তা রয়েছে, একটা পক্ষপাতদুষ্ট মাধ্যমকে সহজেই এড়িয়ে চলা যাবে’।


বন্ধ করুন