বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পরেও থামলেন না কঙ্গনা! বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া
ফের বিস্ফোরক কঙ্গনা
ফের বিস্ফোরক কঙ্গনা

টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পরেও থামলেন না কঙ্গনা! বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া

  • ‘শ্বেতাঙ্গারা বিশ্বাস করে বাদামী চমড়ার মানুষ ওদের দাস’, টুইটারকে কড়া বার্তা কঙ্গনার। 

বাংলার বিধানসভা ভোট নিয়ে একের পর এক উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে আজীবনের মতো কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করল টুইটার কর্তৃপক্ষ। এর বিরুদ্ধে পালটা প্রতিক্রিয়া দিলেন কঙ্গনা। তিনি স্পষ্টভাবেই জানালেন তাঁর কাছে অন্য প্ল্যাটফর্ম মজুত রয়েছে যেখানে তিনি নিজের মতামতা জাহির করতে পারবেন। এবং তাঁকে নির্বাসিত করে টুইটার প্রমাণ করে দিয়েছে তাঁদের নিজেদের অবস্থান।  

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো বার্তা পোস্ট করে কঙ্গনা কান্নাভেজা গলায় বলেন, ‘বন্ধুরা আমরা দেখছি, বাংলা থেকে লাগাতার ভিডিয়ো, ছবি উঠে আসছে.. যেখানে দেখা যাচ্ছে হিংসার নির্দশন। মানুষর ঘরবাড়ি জ্বালানো হচ্ছে, গণধর্ষণ-খুন হচ্ছে। অথচ কোনও লিবারল মুখ খুলছে না’। এরপর একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে নিয়ে তোপ দাগেন কঙ্গনা। বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না আমাদের দেশ নিয়ে কী ষড়যন্ত্র এঁরা করছেন। হিন্দুদের রক্তের কী কোনও মূল্য নেই!’

টুইটারের উদ্দেশে কঙ্গনার বার্তা- ‘টুইটার প্রমাণ করে দিয়েছে আমার দৃষ্টিকোণ, ওঁরা আমেরিকান, এবং জন্মগতভাবে শ্বেতাঙ্গারা বিশ্বাস করে বাদামী চমড়ার মানুষ ওদের দাস। ওরা তোমরা কী বলবে বা ভাববে, সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। সৌভাগ্যবশত আমার কাছে আরও অনান্য মাধ্যম রয়েছে, যেখানে আমি নিজের বাক স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে পারব, আমার নিজের শিল্প-ভাবনা নিয়ে কথা বলব। এর মধ্যে অবশ্যই রয়েছে, আমার সিনেমা।তবে আমার মন কাঁদছে আমার দেশের সেইসব মানুষের কথা ভেবে যাঁরা বছরের পর বছর নির্যাতিত হচ্ছে, অত্যাচারের শিকার হচ্ছে… এবং তাঁদের এই কষ্টের শেষ নেই’।

টুইটারের এক মুখপাত্র কঙ্গনার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়া নিয়ে জানিয়েছেন, ‘আমরা বারবার জানিয়েছি কোনও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইনে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করা হলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব। এই অ্যাকাউন্টটি একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আমাদের হেটফুল কনডাক্ট (ঘৃণা ছড়ানো) পলিসি ও অ্যাবিউসিভ বিহেবিয়ার (খারাপ ব্যবহার) পলিসি না মানার জন্য। আমরা নিশ্চিত করতে চাই টুইটারের সব ব্য়বহারকারীদের জন্যই এক নিয়ম মেনে চলি আমরা।’

মূলত সোমবার রাতে বাংলার ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বিতর্কিত টুইটের জেরেই কঙ্গনার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়েছে। টুইটারে নিয়মবিধি ভঙ্গ করে, সেই টুইটে হিংসা ছড়ানোর বার্তা দেন অভিনেত্রী।  বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তর এক টুইটের প্রেক্ষিতে কঙ্গনা হিংসায় প্ররোচনা দিয়ে লেখেন- ‘এটা ভয়ঙ্কর... গুন্ডাগিরি মেরে ফেলার জন্য আমাদের সুপার গুন্ডাগিরির প্রয়োজন... তিনি (মমতা) শেকলহীন দানবের মতো, তাঁকে দমন করার জন্য দয়া করে ২০০০ সালের প্রথম দিকের বিরাট রূপটা দেখান মোদিজী... #PresidentRuleInBengal’।

বন্ধ করুন