বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > কঙ্গনা-হৃত্বিক আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়,'কব তক রোয়েগা..' টুইটে কটাক্ষ নায়িকার
মামলা গেল ক্রাইম ব্রাঞ্চে 
মামলা গেল ক্রাইম ব্রাঞ্চে 

কঙ্গনা-হৃত্বিক আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়,'কব তক রোয়েগা..' টুইটে কটাক্ষ নায়িকার

  • আমাদের ব্রেক-আপের এত বছর পরেও ও জীবনে এগিয়ে যাচ্ছে না… হৃত্বিককে বিঁধে বললেন কঙ্গনা। 

ফের আইনি অস্বস্তি বাড়ল অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের। ২০১৬ সালে কঙ্গনা-হৃত্বিক ‘ই-মেল’ বিতর্ক মামলা এবার সাইবার সেল থেকে গেল ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টালিজেন্স ইউনিটের হাতে। এই মামলায় নতুন মোড় আসবার পর টুইটে অভিনেতা হৃত্বিককে খোঁচা দিয়ে কঙ্গনা লিখলেন, ‘অতীত ভুলে এবার এগোনো উচিত’। 

এই মামলা এতদিন ছিল মুম্বই পুলিশের সাইবার প্রতারণা শাখার হাতে, তবে হৃত্বকিরে অভিযোগ গত চার বছরে এই মামলা বেশিদূর এগোয়নি। দিন কয়েক আগে মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশানারকে এই সম্পর্কে চিঠি লিখেছিলেন হৃত্বিকের আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি, অবশেষে সোমবার এই মামলা ক্রাইম ইন্টালিজেন্স ইউনিট (Crime Intelligence Unit)-এর হাতে গেল। 

এই নিয়ে হৃত্বিককে কটাক্ষ করে কঙ্গনা টুইট করে, ‘আবার ওর কাঁদুনি শুরু হল, আমাদের ব্রেক-আপের এত বছর পর এবং ওর ডিভোর্সও হয়ে গিয়েছে তবুও ও কিছুতেই এগিয়ে যাচ্ছে না। কোনও মেয়েকে ডেট করছে না, যখন আমি কিছু সাহস জুগিয়ে আমার ব্যক্তিগত জীবনে আশার আলো খুঁজছি তখন আবার এই নাটক শুরু করল হৃত্বিক। কতদিন এইরকমভাবে কাঁদবে একটা ছোট্ট অ্যাফেয়ারের জন্য?’

কঙ্গনার কটাক্ষ
কঙ্গনার কটাক্ষ

অভিযোগ ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে কঙ্গনার ই-মেল অ্যাকাউন্ট থেকে হৃত্বিককে ১৪৩৯টি মেল পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন হৃত্বিক। অভিনেতার কথায় এই সমস্ত ই-মেল তাঁর উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে। হৃত্বিতের আইনজীবী দাবি করেন, কঙ্গনার কিছু মন্তব্যে তাঁর মক্কেলের মানহানি হয়েছে। এর ভিত্তিতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯-এর ৬৬ (সি এবং ডি) ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। সেটি এবার হস্তান্তরিত হল ক্রাইম ইন্টালিজেন্স ইউনিটে।

গোটা ঘটনার সূত্রপাত্র ২০১৬ সালে এক সাক্ষাত্কারে কঙ্গনা হৃত্বিককে ‘সিলি এক্স’ বলে খোঁচা দেওয়ার পর থেকেই। এরপরই ই-মেল চালাচালির ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন হৃত্বিক। এই মামলা নিয়ে সুপার ৩০ মুক্তির আগে  হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে হৃত্বিক বলেছিলেন- ‘কাউকে বুলি করা হলে সেটা অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে  এবং গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।…. সত্যি বলতে সরাসরি ওই মহিলার (কঙ্গনা) বিরুদ্ধ আমার কোনও আইনি মামলা নেই। কারণ এ দেশে ধরে নেওয়া হয় যে পুরুষদের কেউ উত্ত্যক্ত করতে পারে না’।

২০১০ সালে কাইট ছবিতে অভিনয় করেন হৃত্বিক-কঙ্গনা। এরপর ২০১৩ সালে কৃশ-থ্রি ছবিতে অভিনয়ের সময়ই ঘনিষ্ঠতা বাড়ে দু-জনের। ২০১৪ সালে করণ জোহরের পার্টিতে অন্তরঙ্গ অবস্থায় কঙ্গনা-হৃত্বিকের একটি ছবিও ভাইরাল হয়। কঙ্গনা বারবার হৃত্বিকের সঙ্গে প্রেম সম্পর্ক থাকার কথা দাবি করে এলেও সেটি উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেতা। 

বন্ধ করুন