বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > মুখে নেই মাস্ক, BMC-র ভেঙে দেওয়া মুম্বই-অফিসের বাইরে পাপারাৎজিদের মুখোমুখি কঙ্গনা
কঙ্গনা রানাওয়াত। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
কঙ্গনা রানাওয়াত। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

মুখে নেই মাস্ক, BMC-র ভেঙে দেওয়া মুম্বই-অফিসের বাইরে পাপারাৎজিদের মুখোমুখি কঙ্গনা

২০২০ সালে উদ্ভব ঠাকরের সরকারের সঙ্গে সম্মুখ সমরে নেমেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। 

করোনা থেকে সেরে উঠে উত্তরাখণ্ডে পরিবারের কাছে গিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। চলতি সপ্তাহেই মানালির বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটিয়ে মুম্বই ফিরেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। আর মঙ্গলবার অভিনেত্রীকে দেখা গেল তাঁর মুম্বই অফিসের বাইরে, যার ওপর গত বছর কোপ পড়েছিল BMC-র। ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল অফিসের একাংশ। 

মঙ্গলবার সেই অফিসের বাইরেই দেখা মিলল কঙ্গনার। এক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘুরে দেখাচ্ছিলেন গোটা জায়গাটা। পাপারাৎজিরা সেই সময় অভিনেত্রীকে ক্যামেরাবন্দি করতে চাইলে কঙ্গনা জানান, ‘আপনারা আমাকেও তো আমরা কাজ করতে দিন’! পরে অবশ্য অফিসের ব্যালকনি থেকে পাপারাৎজিদের ছবির জন্য পোজ দেন কঙ্গনা। এদিন তাঁর পরনে ছিল সাদা লং ড্রেস।

বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে ২০২০-র সেপ্টেম্বর মাসে পালি হিলে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ফিল্মসের একটি দফতরের বাইরে নোটিস ঝুলিয়ে দেয় বিএমসি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছিল অভিনেত্রীকে। তা সময়মতো এসে না পৌঁছতেই বুলডোজার নিয়ে অফিস ভাঙার কাজ শুরু করে দেয় বিএমসি। তারপরই শুরু হয় BMC ও কঙ্গনার সরাসরি সংঘাত। এরপর কঙ্গনা রানাওয়াতের মুম্বইয়ের অফিস ভাঙার কাজ বন্ধ রাখার জন্য বিএমসিকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। যে পদ্ধতিতে অভিনেত্রীর অফিস ভাঙার কাজে এগিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল হাইকোর্ট। রাতারাতি পুরকর্তাদের অতি সক্রিয়তা ঘিরেও আদালত তার রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল।

আর তারপর সেপ্টেম্বরেই কঙ্গনা জানিয়েছিলেন তিনি তাঁর এই ভাঙা অফিস সারাবেন না। বরং, সেটাকে এরকমই রেখে দেবেন ‘নারীর উত্থানের’ প্রতীক হিসেবে। সে সময় তিনি এক টুইটবার্তায় জানিয়েছিলেন, ‘গত ১৫ জানুয়ারি আমি শেষ অফিসে গিয়েছি। কারণ তারপরেই করোনা এসে পড়ে। তারপর থেকে আর সবার মতো আমার হাতেও কোনও কাজ নেই। তাই অফিস সারিয়ে তোলার পয়সাও আমার নেই। আমি এই ভাঙা অফিস থেকেই কাজ করব যা প্রতীক হিসেবে কাজ করবে নারীরা গোটা পৃথিবীর বিপক্ষে গিয়েও মাথা তোলার সাহস দেখাতে পারে।’

চলতি বছর মার্চে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন বিএমসি-র ভয়ে কোনও আর্কিটেক্ট তাঁর সঙ্গে কাজ করতে রাজি হচ্ছেন না। কারণ, উদ্ভব ঠাকরের সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে নাকি হুমকি দিয়ে রাখা হয়েছে কঙ্গনার অফিসের কাজে হাত দিলেই তাঁদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তাই বেআইনি ভাঙচুরের ছয় মাস পরেও একইভাবে পড়ে আছে তাঁর অফিস।

বন্ধ করুন