বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সইফিনার দ্বিতীয় সন্তানের নাম কী? নাতির নাম জানালেন দাদু রণধীর কাপুর
সইফিনা-ছোট ভাইকে কোলে নিয়ে দাদা তৈমুর
সইফিনা-ছোট ভাইকে কোলে নিয়ে দাদা তৈমুর

সইফিনার দ্বিতীয় সন্তানের নাম কী? নাতির নাম জানালেন দাদু রণধীর কাপুর

  • মাত্র এক সপ্তাহ আগে দ্বিতীয় সন্তানের নাম ঠিক করেছেন সইফ-বেবো।

প্রকাশ্যে এসেছে সইফিনার দ্বিতীয় সন্তানের নাম। প্রথম সন্তানের নাম বিতর্কের পর, দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে অতি সাবধানী হয়ে উঠেছেন এই দম্পতি। অবশেষে পাঁচ মাস পর দ্বিতীয় সন্তানের নাম ঠিক করে ফেললেন সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খান। দ্বিতীয় সন্তানের নাম কি রেখেছেন? সেই নিয়ে নেটিজেনদের কৌতুহলের শেষ নেই। 

জানা যাচ্ছে, ‘সইফিনা’-র ছোট ছেলের নাম ‘জেহ আলি খান’। করিনার বাবা অভিনেতা রণধীর কাপুর নিজেই সিলমোহর দিয়েছেন এই গুঞ্জনে। মুম্বইয়ের এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাদু রণধীর বলেছেন, ‘করিনা এবং সইফের ছোট ছেলের নাম জেহ রাখা হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে এই নামটা ঠিক করা হয়।’

‘জেহ’ নামের অর্থ কী জানেন?

ল্যাটিন ভাষায় ‘জেহ’ নামে 'নীল পালকের পাখি' (blue crested bird)। পার্সি ভাষায় এটা জনপ্রিয় নাম। এর অর্থ ‘নিয়ে আসা’।

অন্যদিকে শোনা যায়, ছোট ছেলেকে তাঁরা মনসুর বলেও ডাকেন। প্রসঙ্গত, সইফ আলি খানের বাবার নাম মনসুর আলি খান পতৌদি।

প্রসঙ্গত, সইফিনার প্রথম সন্তান তৈমুরের জন্মের পর নেটমাধ্যমে নাম নিয়ে প্রচুর কটাক্ষের শিকার হতে হয়। এক সাক্ষাৎকারে করিনা জানিয়েছিলেন, তৈমুরের জন্মের আট ঘণ্টাও হয়নি, বলিউডের এক বিখ্যাত তারকা হাসপাতালে যান তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে। তখনই কথা বলতে বলতে তৈমুরের নাম শুনে তিনি অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করে বসেন, ‘তোমার হয়েছেটা কী? ছেলের নাম তৈমুর রেখেছ কেন তুমি?’ যা শুনে তিনি প্রায় কেঁদেই ফেলেছিলেন সেই সময় জানান অভিনেত্রী।

সদ্য মা হয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে তাঁর সন্তান কটাক্ষের শিকার। তবে নিজেকে সেই সময় সামলে নেন তিনি। আসলে, ইতিহাসে সুলতান তৈমুর লং একজন অত্যাচারী শাসক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু করিনা জানিয়েছেন, তাঁরা সুলতানের নামে নাম রাখেননি। ‘তৈমুর’ শব্দের অন্য অর্থ হল ‘লোহা’। সেই হিসেবে তাঁরা ছেলের নাম রেখেছেন তৈমুর আলি খান।

সাক্ষাৎকারে অবশ্য অভিনেত্রী সেই ব্যক্তির নাম নিতে চাননি। তবে অভিনেত্রী বলেন, ‘যা হয়ে গিয়েছে, তা হয়ে গিয়েছে। সেই ব্যক্তির নাম নিতে চাই না। তবে সেই মুহূর্তেই আমি সিদ্ধান্ত নিই, আমার সন্তানের যে রকম ইচ্ছে নাম রাখব। ততক্ষণ পর্যন্ত আমার যায় আসে না, যতক্ষণ আমার সন্তান ভালো আছে। আমরা তাতেই খুশি। যে যা খুশি বলুক, যে ভাবে ইচ্ছে ট্রোল করুক, আমি পাত্তা দেব না’।

 

 

বন্ধ করুন