শাহিদ কাপুরের সঙ্গে ব্রেক আপ নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন করিনা কাপুর খান
শাহিদ কাপুরের সঙ্গে ব্রেক আপ নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন করিনা কাপুর খান

কেন ভেঙেছিল শাহিদের সঙ্গে সম্পর্ক? এতদিন পর জবাব দিলেন করিনা কাপুর খান

  • ২০০৬ সালে ভেঙে যায় শাহিদ-করিনার বহুচর্চিত প্রেম। এরপর পেরিয়ে গেছে সুদীর্ঘ ১৪ বছর। এখন দুজনেই খুশি রয়েছেন নিজেদের জীবনসঙ্গীর সঙ্গে। সইফ-করিনার জমজমাট সংসার। শাহিদ নিজের ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছেন মীরার মধ্যে। এতদিন পর শাহিদের সঙ্গে ভাঙা সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন করিনা।

শাহিদ কাপুর ও করিনা কাপুর-একসময় বলিউডে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকত এই জুটির প্রেম কাহিনি। প্রচালিত ট্রেন্ডের বাইরে হেঁটে প্রকাশ্যে একে অপরকে ভালোবাসার কথা স্বীকার করে নিতেন তাঁরা। প্রায় পাঁচ বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০০৬ সালে ব্রেক-আপ করে নেন শাহিদ-করিনা। নিজেদের ভাঙা সম্পর্ক নিয়ে কোনওদিনই সেভাবে মুখ খোলেননি শাহিদ-করিনা। সম্প্রতি ফিল্ম কম্পানিয়নের সঙ্গে একটি সাক্ষাত্কারে অনুপমা চোপড়ার সঙ্গে মন খুলে কথা বললেন নবাব বেগম।

করিনা জানান ইমতিয়াজ আলির যব উই মেটের সেটে থাকাকালীনও টশান নিয়ে বেশি উত্সাহী ছিলেন তিনি। টশনের জন্য ওজন কমিয়ে ‘সাইজ জিরো’ ফিগার করেছিলেন বেবো। করিনা ভেবেছিলেন টশন তাঁর কেরিয়ারের দিশা বদলে দেবে।

টশন ছবির একটি দৃশ্যে সইফ-করিনা (সৌজন্যে-ইউটিউব)
টশন ছবির একটি দৃশ্যে সইফ-করিনা (সৌজন্যে-ইউটিউব)

শাহিদের কথাতেই নাকি যব উই মেট করতে রাজি হয়েছিলেন করিনা। করিনার কথায়, ‘শাহিদ আমাকে বলে তুমি এই চিত্রনাট্যটা শোনো, মেয়ের(গীত) চরিত্রটা অসাধারণ এবং তোমার এটা করা উচিত। ওর কথাতেই শেষমেষ রাজি হয়ে এই ছবিটা আমারা দুজনে করে ফেলেছিলাম’। কিন্তু ব্রেক-আপ? অবশ্যই ভাগ্য সেটাই ঠিক করে রেখেছিল,জীবন সেই ছন্দেই এগিয়েছিল। এই ছবিটা এবং টশনের মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের জীবনে অনেক কিছু ঘটে গিয়েছে..আমরা দুজনেই ভিন্ন রাস্তা বেছে নিয়েছিলাম’।

সইফের সঙ্গে টশন ছবিতে অভিনয় কেমনভাবে পাল্টে দিয়েছিল করিনার জীবন?

'টশন যখন তৈরি হচ্ছিল ওই ছবিটা আমাকে করতেই হত..সইফের সঙ্গে আমার আলাপ হল। আমি বদলে গেলাম...আমি ভেবেছিলাম এই ছবিটা আমার কেরিয়ার বদলাবে! না তা হল না...যব উই মেট আমার কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিল আর টশন আমার জীবনটা পাল্টে দিল। আমার জীবনের স্বপ্নের পুরুষ..যাঁকে আমি বিয়ে করেছি..তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দেয় টশন। আর শাহিদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নিজেই তাঁর রাস্তা বেছে নিয়েছিল.. আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। এটা যেন একটা দাবার খেলা...ভাগ্যের খেলা...'

করিনা আরও জানান, 'গীতের চরিত্রের মতো আমার জীবনটাও সেই সময় প্রায় একই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। যব উই মেট...সহজ ছিল না আমার কাছে, ব্যক্তিগতভাবে এবং পেশাদার জীবনেও। ছবির দ্বিতীয়ার্ধে গীতের জীবনের মোড় যেমন ঘুরে যায়, আমারও একই অবস্থা ছিল’।

প্রায় পাঁচ বছর প্রেম করার পর ২০১২ সালে সইফ আলি খানকে বিয়ে করেন করিনা। তাঁদের একমাত্র পুত্র তৈমুর জন্ম নেয় ২০১৬ সালে। অন্যদিকে ২০১৫ সালে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন শাহিদ। তাঁদের দুই সন্তান-মিশা এবং জৈন।

শীঘ্রই রূপোলি পর্দায় করিনার দেখা মিলবে আংরেজি মিডিয়াম ছবিতে। পাশাপাশি লাল সিং চড্ডা,তখতের মতো প্রোজেক্টে কাজ করছেন করিনা।




বন্ধ করুন