বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > গোপনে প্রেম করছে সাজি, জানতে পেরে রেগে লাল পটকা! খড়কুটোয় নয়া টুইস্ট
সাজির গোপন প্রেমের পর্দা ফাঁস

গোপনে প্রেম করছে সাজি, জানতে পেরে রেগে লাল পটকা! খড়কুটোয় নয়া টুইস্ট

  • মেয়ের বয়ফ্রেন্ডকে দেখে রেগে লাল পটকা, সাজিকে মারধরও করল সৌজন্যের ছোট মা! 

লুকিয়ে প্রেম করছে সাজি! আর সেই কথা জানতে পেরে রেগে আগুন পটকা। হাসিখুশি পটকাকে এমন অবতারে আগে দেখেনি দর্শক। এই তো দু-দিন আগেই সামনে এসেছে মুখোপাধ্যায় পরিবারে আসতে চলেছে ‘লিটল গুনগুন’। সেই টুইস্টের রেশ কাটতে না কাটতেই কাহিনিতে নতুন টুইস্ট, আর এন্ট্রি নতুন নায়কের। 

এমনিতে সদা হাসিখুশি আর প্রাণোজ্বল পটকা। সৌজন্য-গুনগুনের প্রেম কাহিনির অন্যতম অনুঘটক তিনি, অথচ প্রেমেকে এক রেস্তোরাঁতে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে গোপনে প্রেম করছে সেটা দেখেই মেজাজ চরমে পটকা ও ছোট মা-র। সাজির জীবনের এই নতুন মানুষ কে? প্রফেসর স্রোত সেনগুপ্ত। সেই ভূমিকায় দেখা মিলছে সায়ন্তনের। সাজি ও স্রোতের প্রেম কাহিনী হাতেনাতে ধরে ফেলছে পটকা-গুনগুনরা। 

বাড়িতে এসে মেয়ের উপর অগ্নিশর্মা পটকা, সাজিকে মারধর করা থেকেও পিছপা হল না মা। তবে সাজির পক্ষ নিয়ে পাশে দাঁড়ায় মেজো মা। বলে, ‘আজকালকার ছেলেমেয়েরা ভাব-ভালোবাসা করে বিয়ে করে। সময় বদলেছে’। এমনকি সৌজন্যর ছোট মা, সাজিকে মারধর শুরু করলেও আটকায় মেজো মা। এরপর পাত্রের পরিচয় জানতে চায় পরিবার। পটকা যদিও মেয়ের উপর চটে লাল। তাঁর কথা, ‘ও প্রেম করছে তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু ও আমাদের বলেনি তাতেই আমার সমস্যা। আমাদের বিষয়টা জানিয়ে দিলেই হত, এই কথাটা বলবার সত্ সাহস নেই কেন?’ 

সাজি কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘ও উত্তর কলকাতার একটা কলেজের প্রফেসার। পারমানেন্ট চাকরি, নাম ডাঃ স্রোত সেনগুপ্ত। ফিজিক্স ওর বিষয়…. আমাদের কলেজে গেস্ট লেকচারার হয়ে এসেছিল ও কয়েকদিনের জন্য’। কেন পরিবারের কাছ থেকে প্রেমের কথা গোপন রেখেছে সে? ‘আমাদের বাড়িতে তো এইসবের চল নেই। তাই ভয়ে বলতে পারিনি’। মেয়ে বিশ্বাস ভাঙায় খুব গোঁসা হয়েছে পটকার। মেয়ের কাছ থেকে ‘বাবা ডাকার’ অধিকারটুকু ছিনিয়ে নিচ্ছে পটকা। অন্যদিকে বাড়ির ভয়ে সাজিকে গুটিয়ে যেতে দেখে আগেই প্রেমিকার উপর চটেছে স্রোত। সেও বলে দিয়েছে, ‘এতোই যখন ভয়,তখন তোমার এই সম্পর্কে জড়ানো উচিত হয়নি’। 

মেয়ের প্রেমিককে নিয়ে পটকার এই রিয়্যাকশন দেখে তো অবাক দর্শক। যদিও পটকা বারবার জানাচ্ছে প্রেমে আপত্তি নেই তাঁর, কিন্তু প্রেম লুকোনোটা বিশ্বাস ভাঙা। এখন কেমনভাবে মুখোপাধ্যায় বাড়ির আদর্শ জামাই হয়ে উঠবে স্রোত? পটকা কতটা জাঁদরেল শ্বশুরমশাই হবে? গুনগুন কেমনভাবে সাজির প্রেম কাহিনির সফল রূপায়ণ করবে? এই নিয়েই এগোবে ধারাবাহিকের গল্প।

দিন কয়েক আগেই স্লট বদলেছে খড়কুটোর। এখন দুপুর ২.৩০টে-তে সম্প্রচারিত হচ্ছে এই ধারাবাহিক। নতুন সময়ে নতুন টুইস্ট নিয়ে কি কামাল করে দেখাবে সৌগুন? উত্তেজিত দর্শক। 

 

 

বন্ধ করুন