বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > KRK case update: ‘আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চাইছে, চাই না সুশান্তের মতো বাবাও…’, টুইট KRK-র ছেলের
KRK

KRK case update: ‘আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চাইছে, চাই না সুশান্তের মতো বাবাও…’, টুইট KRK-র ছেলের

  • ‘কিছু মানুষ ওঁনাকে টর্চার করছে, আমার বাবাকে মুম্বইয়ে মেরে ফেলতে চাইছে'- বাবার জীবন ভিক্ষা চেয়ে অভিষেক বচ্চন, রীতেশ দেশমুখদের উদ্দেশে টুইট কেআরকে-র ছেলের।

গত ৩০শে অগস্ট মুম্বইয়ে পা রাখা মাত্র এয়ারপোর্ট থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল কেআরকে-কে। ২০২০ সালে অক্ষয় কুমারের ‘লক্ষ্মী’ ছবি এবং রাম গোপাল বর্মাকে নিয়ে করা বিতর্কিত টুইটের জেরে গ্রেফতার হন কেআরকে। পরবর্তীতে ৩রা সেপ্টেম্বর যৌন হেনস্থার মামলায় ফের গ্রেফতার হন জেলবন্দি কেআরকে। মঙ্গলবার ও বুধবার- পরপর দুটি মামলায় জামিন মঞ্জুর হয় কেআরকে-র। যদিও এই বিতর্কিত অভিনেতা তথা স্বঘোষিত ফিল্ম সমালোচক জেল থেকে বাইরে এসেছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার বিকালে কেআরকে-র টুইট অ্যাকাউন্টে বিস্ফোরক পোস্ট। তবে না এইবার কেআরকে নন, সেই টুইট করেছেন তাঁর ২৩ বছর বয়সী ছেলে ফয়জল। সেই টুইটে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ এবং অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও রীতেশ দেশমুখের কাছে সাহায্যের আর্জি রেখেছে কেআরকে-পুত্র।

‘দেশদ্রোহী’ অভিনেতা গ্রেফতার হওয়ার পর আজই প্রথম তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট নজরে এল নেটিজেনদের। দুটো টুইটের প্রথমটিতে লেখা, ‘আমি কেআরকে-র ছেলে ফয়জল কামাল খান। কিছু মানুষ ওঁনাকে টর্চার করছে, আমার বাবাকে মুম্বইয়ে মেরে ফেলতে চাইছে। আমার মাত্র ২৩ বছর বয়স, আমি লন্ডনে থাকি। আমি জানি না কীভাবে বাবাকে সাহায্য করব। আমি আবেদন জানাচ্ছি অভিষেক বচ্চন,রীতেশ দেশমুখ, দেবেন্দ্র ফড়নবীশ জি-কে আমার বাবার জীবনটা রক্ষা করুন। আমি ও আমার বোন ওঁনাকে ছাড়া মারা যাব’।

পরের টুইটে ফয়জল লেখে, ‘উনি (কেআরকে) আমাদের জীবন। আমি জনতার কাছেও আবেদন রাখছি আমার বাবাকে সাপোর্ট করুন। আমরা চাই না উনি সুশান্ত সিং রাজপুতের মতো মারা যাক’। এখনও পর্যন্ত রীতেশ দেশমুখ, অভিষেক বচ্চন বা দেবেন্দ্র ফড়নবীশ এই টুইটের কোনও জবাব দেননি।

আরও পড়ুন- হৃতিক-সইফের ধুন্ধুমার লড়াই! মারকাটারি অ্যাকশনে ভরপুর ‘বিক্রম বেদা’র ট্রেলার

যৌন হেনস্থার মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন কেআরকে। ১৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে মুক্তি দেওয়া হয় তাঁকে। প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ সোমবার সকাল ১০টা থেকে ১১টায় থানায় সশরীরে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। পাশাপাশি অভিযোগকারিনীর সঙ্গে যোগাযোগের কোনওরকম চেষ্টা করবে না অভিযুক্ত, মামলা সম্পর্কিত তথ্য-প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা যাবে না।

বন্ধ করুন