বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > অতি সংকটজনক কোভিড আক্রান্ত নন্দিনী পাল, অভিভাবকের মতো ‘তাপস-জায়া’র পাশে মমতা
দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ালেন অভিভাবক মমতা
দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ালেন অভিভাবক মমতা

অতি সংকটজনক কোভিড আক্রান্ত নন্দিনী পাল, অভিভাবকের মতো ‘তাপস-জায়া’র পাশে মমতা

  • বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি নন্দিনী পাল। 

প্রয়াত অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের সহধর্মিনী নন্দিনী পাল কোডিভ পজিটিভ। তাপস জায়ার শারীরিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক, বাইপাসের ধারে এক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন নন্দিনী, পাশে একমাত্র মেয়ে সোহিনী পাল। এই কঠিন পরিস্থিতি প্রাক্তন সহকর্মীর অসহায় পরিবারের পাশে অভিভাবক হয়ে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

গতকাল থেকে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়েছে নন্দিনী পালের। জানা গিয়েছে কোভিডের কারণে তাপস পাল পত্নীর  রক্তে সুগার লেবেল ক্রমাগত ওঠানামা করছে, চলছে প্লাজমা থেরাপিও। এই পরিস্থিতিতে সোহিনী জানিয়েছেন তাঁদের সবরকমভাবে সাহায্য করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

ফেসবুক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক দিকের কথা তুলে ধরেছেন রান্নাঘর খ্যাত সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি সেই পোস্টে রাজনীতির রঙ খোঁজবার চেষ্টা না করবার অনুরোধও জানিয়েছেন, যদিও সেই অনুরোধ একেবারেই রাখেননি নেটনাগরিকরা। 

সুদীপা ফেসবুকের দেওয়ালে লেখেন- ‘স্বর্গীয় শ্রী তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পাল,কোভিডে আক্রান্ত,খুবই সংকটজনক পরিস্থিতি। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। তাঁর অসহায় একমাত্র মেয়ে সোহিনী পাল ও আমাদের পরিবারের পাশে সত্যিকারের ‘দিদি’র মতো দাঁড়িয়েছেন কেবলমাত্র মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে তাঁকে ছোট করার ধৃষ্ঠতা আমার নেই।' পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুস্থতা কামনা করে সুদীপা পোস্টের শেষে যোগ করেন, ‘শুধু এইটুকু বলব, করুনাময় ঈশ্বর তাঁর মঙ্গল করুন। তাঁর সুস্থ এবং দীর্ঘজীবন কামনা করি'।

সুদীপার এই পোস্ট দেখে অনেকে খোঁচা দিয়ে লেখেন- তাপস পাল তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন, মমতা তাঁর স্ত্রীকে সাহায্য করবে দলনেত্রী সেটাই তো স্বাভাবিক, এটা এমন কী বড় কথা। উল্লেখ্য কৃষ্ণনগর থেকে দীর্ঘদিন তৃণমূল সাংসদ ছিলেন তাপস পাল। ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের এই বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাপস পালের।

এক জনৈক ফেসুবকে সুদীপাকে তাঁর ‘প্রিভিলেজড' হওয়ার কথা মনে করিয়ে দেন। খোঁচা দিয়ে লেখেন, ‘দিদি একটা কথা বলি রাগ করবেন না,আপনারা সেলেব্রিটি, তাই মাননীয়ার সাহায্য আপনারা তাড়াতাড়ি পান। আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। আমাদের অসহায় অবস্থায় মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা পাওয়া খুবই কঠিন’।

বন্ধ করুন