মাহিরা শর্মার মা সানিয়া শর্মা ক্ষমা চাইলেন রশমি দেশাইয়য়ের মায়ের কাছে
মাহিরা শর্মার মা সানিয়া শর্মা ক্ষমা চাইলেন রশমি দেশাইয়য়ের মায়ের কাছে

রশমি দেশাইয়ের মায়ের কাছে ক্ষমা চাইলেন মাহিরার মা!

  • মাহিরার মা জানান 'বেডরুম' শব্দটি রশমির জন্য তিনি খারাপ ভাবে ব্যবহার করেন নি। তবুও যদি তাঁর খারাপ লেগে থাকে তাহলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী।


বিগ বস ১৩-র প্রতিযোগী মাহিরা শর্মার মা সানিয়া শর্মা ক্ষমা চাইলেন রশমি দেশাইয়য়ের মায়ের কাছে। পিঙ্কভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে মাহিরার মা জানান 'বেডরুম' শব্দটি রশমির জন্য তিনি খারাপ ভাবে ব্যবহার করেন নি। তবুও যদি তাঁর খারাপ লেগে থাকে তাহলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। সানিয়া শর্মা বলেন, আমি কোনওদিনই বেডরুম মানে খারাপ কিছু বোঝাতে চাই নি। সিদ্ধার্থের গোয়ার প্রসঙ্গে কথা শুনে আমি বলেছিলাম এবার সব ভিতরের খবর বাইরে আসবে। তাও যদি রশমির মায়ের কথাটা অপমানজনক মনে হয়, তাহলে আমি ক্ষমা চাইছি’।

পাশাপাশি তিনিও এত জানান রশমি দেশাইও নানাভাবে আমাকে আঘাত দিয়েছে। তিনি জানান, ‘রশমি মায়ের একবার ভেবে দেখা উচিত রশমি যখন একটি পুতুল বানিয়ে তাঁর নাম রেখেছিল মাহি এবং বলেছিল মাহি মরে গেছে’।

দিনকয়েক আগেই রশমি-সিদ্ধার্থের ঝগড়ার পর সিদ্ধার্থ শুক্লা জানিয়েছিলেন রশমি সবসময়ই তাঁর পিছু ধাওয়া করে থাকেন,এমনকি সিদ্ধার্থের পিছু নিয়ে তিনি গোয়া পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন। এই কথা শুনে রশমি কোনও প্রতিক্রিয়া দেন নি। তিনি গোয়া যান নি একথাও বলতে শোনা যায় নি সিদ্ধার্থ শুক্লার দিল সে দিল তক কো-স্টারকে। এরপরই এক সাক্ষাত্কারে সানিয়া শর্মা জানিয়েছিলেন রশমি তেমনটা করেন নি কারণ হয়ত এরপর সিদ্ধার্থ জাতীয় টেলিভিশনে বেডরুমের গল্প ফাঁস করে দিতে পারেন। রশমি হয়ত ভেবেছে সিদ্ধার্থ গোয়ার কথা অবধি বলে দিয়েছে, বেডরুম অবধি পৌঁছতেও ওর বেশি সময় লাগবে না। তাই চুপ থেকেছে’, টেলিচক্করকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন মাহিরার মা।

রশমির মা রসিলা দেশাই এই ধরণের মন্তব্যের জন্য মাহিরার মায়ের কড়া সমালোচনা করে জানান, এটা তাঁর নিম্ন রুচির পরিচয়।

বিগ বসের ঘরে মাহিরা-পরশের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও মুখ খুললেন মাহিরার মা। মাহিরা-পরশের বন্ধুত্ব চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে বিগ বস সিজন ১৩-তে। প্রসঙ্গত পরশ ছাবড়া বিগ বস হাউসে আসার আগে থেকেই অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা পুরির সঙ্গে প্রেম সম্পর্কে আবব্ধ।

সানিয়া শর্মা জানান, ‘আমি পরশকে পছন্দ করি,বিগ বসের গোটা সফরে পরশ যেভাবে মাহিরার পাশে দাঁড়িয়েছে সেটা প্রশংসার যোগ্য। তবে কখনও কখনও মনে হয় পরশের মাহিরাকে নিজের খেলাটা খেলতে দেওয়া উচিত। ও প্রচন্ড কন্ট্রোল করে থাকে মাহিরাকে’।



বন্ধ করুন