বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > শুধু খেতে ভালোবাসতেন না, ভালো রান্নাও করতেন! জন্মবার্ষিকীতে চিনুন অজানা মান্নাকে
মান্না দে। 
মান্না দে। 

শুধু খেতে ভালোবাসতেন না, ভালো রান্নাও করতেন! জন্মবার্ষিকীতে চিনুন অজানা মান্নাকে

  • মান্না দে-র কালজয়ী গানের তালিকা কখনও শেষ হওয়ার নয়। চলে গিয়েও দর্শক মনে পাকাপোক্ত জয়গা ধরে রেখেছেন তিনি। 

মান্না দে না থাকলেও, তাঁর গানের সম্ভার আজও মানুষের মনে। তাই তো কিংবদন্তি এই গায়কের স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি শ্রোতারা। ১৯১৯ সালের পয়লা মেয়ে জন্ম হয়। বাবা-মা ভালবেসে নাম রেখেছিলেন প্রবোধ চন্দ্র দে, যদিও তিনি সকলের কাছে পরিচিত মান্না দে নামেই। 

২০১৩ সালে প্রয়াত হয়েছেন মান্না দে। বাংলা কিংবা হিন্দি নয়, পাশাপাশি অজস্র গান গেয়েছেন মৈথিলী , গুজরাটি, মারাঠি, পাঞ্জাবি, মালায়লাম প্রভৃতি ভাষায়। ১৯৫৩ সালে ‘দো বিঘা জমি’ তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল। তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। আজকের দিনটি তাই মান্না-ময়। গান তো শুনবেনই তাঁর, পাশাপাশি চলুন জেনে নেওয়া যাক শিল্পীর ব্যাপারে অজানা নানা কথা। আরও পড়ুন: রবিবার মান্না দের জন্মবার্ষিকী, শুনে নিন তাঁর জনপ্রিয় ১০টি হিন্দি এবং বাংলা গান

মান্না দে যাকে বলে ছিলেন খাঁটি ভোজন রসিক। সমস্ত ধরনের খাবারই তিনি রীতিমতো আয়েশ করে খেতেন। কাজের জন্য যেখানেই যেতেন, সেখানকার কুইজিনের স্বাদ নিতে ভুলতেন না। খাঁটি বাঙালি রান্না থেকে শুরু করে নর্থ বা সাউথ ইন্ডিয়ান, কন্টিনেন্টাল, চাইনিজ সব ধরনের রান্নাও করতে পারতেন! 

‘কফি হাউজের আড্ডা’ গান গাওয়া এই মানুষটারই সংগীাতের পাশাপাশি ছিল খেলার মাঠে মন। ডাকাবুকো মান্না পারদর্শী ছিলেন কুস্তি কিংবা বক্সিংয়ে । এমনকী ফুটবল খেলতেও খুব ভালোবাসতেন। একবার নাকি খেলার মাঠে মারপিটও করেছেন।

২০১২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মান্নাদের স্ত্রী মারা যান। কেরলের মেয়ের সুলোচনা কুমারনকে বিয়ে করেছিলেন ভালোবেসে। তাই স্ত্রীর মৃত্যুশোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি। শেষ বয়সে অবসাদ এসে ঘর করেছিল মনে। 

বন্ধ করুন