বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Meenakshi Seshadri: ২৭ বছর পর ক্যামেরার সামনে মীনাক্ষী শেশাদ্রি! অভিনয় ছেড়ে কোন পেশায় মন দিয়েছেন দামিনী'?

Meenakshi Seshadri: ২৭ বছর পর ক্যামেরার সামনে মীনাক্ষী শেশাদ্রি! অভিনয় ছেড়ে কোন পেশায় মন দিয়েছেন দামিনী'?

মীনাক্ষী শেশাদ্রি

Meenakshi Seshadri: ইন্ডিয়ান আইডলের সুবাদে ২৭ বছর পর অন্তরাল থেকে সামনে আসলেন মীনাক্ষী শেশাদ্রি। এই বলি সুন্দরীর প্রেমে একটা সময় পাগল ছিল গোটা দেশ। বাদ যাননি কুমার শানু, রাজকুমার সন্তোষীরাও। 

আশি ও নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বলিউডে রাজত্ব করেছেন মীনাক্ষী শেশাদ্রি (Meenakshi Seshadri)। হিন্দি সিনেপ্রেমীরা আজও ভুলতে পারে না তাঁর অসাধারণ অভিনয়, মীনাক্ষীর নাচের জাদুতেও মুগ্ধ ছিল আসমুদ্রহিমাচল। তবে আচমকাই অভিনয় ছেড়েছেন ‘দামিনী’ খ্যাত নায়িকা। এরপর শোবিজ দুনিয়াতে আর দেখা মেলেনি তাঁর। দীর্ঘ ২৭ বছর পর ক্যামেরার সামনে এলেন ‘জুরম’ ছবির নায়িকা।

ইন্ডিয়া আইডলের সাম্প্রতিক এপিসোডে দেখা মিলল আশির দশকের এই সুন্দরীর। এত যুগ পর মীনাক্ষী শেশাদ্রিকে পর্দায় দেখে খুশি তাঁর অনুরাগীরা। ১৯৯৫ সালে ইনভেসমেন্ট ব্যাঙ্কার হরিশ মাইসোরকে বিয়ে করে মার্কিন মুলুকে বসবাস শুরু করেছিলেন মীনাক্ষী। সেখানেই নতুন জীবন শুরু হয় তাঁর। এদিন অভিনেত্রী জানান ভিনদেশে গিয়ে অভিনয় ছেড়ে কোন পেশাকে আপন করে নিয়েছিলেন তিনি।

অভিনেত্রীকে বলতে শোনা গেল, ‘আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গেলাম। সেখানে গিয়ে আমি কারুর স্ত্রী হলাম, এরপর মা হলাম আর শেষে বাবুর্চি হলাম। আমি জোর গলায় বলতে পারি আমি দক্ষিণ ভারতীয় নিরামিষ পদ বেশ ভালো রান্না করি।’

রাধুঁনি হিসাবে নিজের দক্ষতা প্রমাণে নেহা কক্কর, হিমেশ রেশমিয়া,বিশাল দদলানিদের জন্য নিজের হাতের রান্না করা পদও নিয়ে এসেছিলেন মীনাক্ষী। ইন্ডিয়ান আইডলের প্রতিযোগিরা চলতি সপ্তাহে হিন্দি সিনেমার অন্যতম আইকন মীনাক্ষী শেশাদ্রিকে সম্মান জানালো গানে গানে।

জুরম ছবির ‘যব কই বাত বিগড় যায়ে’ গানটি শোনা গেল বাংলার মেয়ে দেবস্মিতার গলায়। কুমার শানু, সাধন সরগমের গাওয়া এই কালজয়ী গানটির দৃশ্যায়নে বিনোদ খান্না-মীনাক্ষী শেশাদ্রির রসায়ন আজও ভুলতে পারেনি দর্শক। তবে আজব বিষয় হল, অভিনেত্রী জানান ‘আজ পর্যন্ত কোনওদিন স্বামীর সঙ্গে বসে এই গানটা শোনা হয়নি আমার’।

মীনাক্ষী শেশাদ্রির রূপের ছটা এত বছরে এতটুকু ফিকে হয়নি। ৫৮ বছরের নায়িকার উদ্দেশে এক অনুরাগী লেখেন, ‘আপনি আগের মতোই সুন্দরী রয়েছেন’।

‘জুর্ম’, ‘ঘায়েল’, ‘শাহেনশা’, ‘বিজয়’, ‘গঙ্গা যমুনা সরস্বতী’, ‘ঘাতক’ একের পর এক সুপারহিট ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অভিনেত্রী। যদিও ‘দামিনী’ ছবির জন্যই দর্শক সবচেয়ে বেশি মনে রেখেছে তাঁকে। ঋষি কাপুর, সানি দেওলের মতো সুপারস্টাররাও এই ছবিকে ফিকে হয়ে গিয়েছিলেন মীনাক্ষীর সামনে। কেরিয়ারের মধ্যগগণে থাকাকালীন বলিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে সরিয়ে দেন তিনি। ১৯৯৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল তাঁর শেষ ছবি ‘ঘাতক’।

 

বন্ধ করুন