বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ধূমপানের অভ্যাস ছিল তাঁর জীবনে চরম মূর্খামি, অকপট মিলিন্দ সোমান!
দেশের অন্যতম 'ফিটনেস আইকন' মিলিন্দ সোমান। ছবি সৌজন্যে - টুইটার
দেশের অন্যতম 'ফিটনেস আইকন' মিলিন্দ সোমান। ছবি সৌজন্যে - টুইটার

ধূমপানের অভ্যাস ছিল তাঁর জীবনে চরম মূর্খামি, অকপট মিলিন্দ সোমান!

  • জনসাধারণকে ধূমপানের অভ্যাস থেকে বিরত করতে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করলেন মিলিন্দ সোমান। সঙ্গে জানালেন, একসময় তিনি নিজেই তীব্র ধূমপানে আসক্ত ছিলেন।যা মিলিন্দের কথায়,'জীবনের চরম মূর্খামি ছিল!'

মধ্যে পঞ্চাশেও মডেল তত বলি-অভিনেতা মিলিন্দ সোমানের ফিটনেস ঈর্ষণীয় কুড়ির কোঠায় থাকা যুবকদের কাছে। জনসাধারণকে শরীরচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিটনেস ভিডিও আপলোড করে থাকেন তিনি। পাশাপাশি টিপস দেন সুস্থ ও সুষম খানাপিনার। পাশাপাশি তিনি একজন দৌড়বিদও বটে। সহজ কথায়, মিলিন্দকে দেশের অন্যতম 'ফিটনেস আইকন' বললে অত্যুক্তি করা হবে না। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও মিলিন্দের ফিটনেসের অকুন্ঠ তারিফ করেছেন। কিন্তু জানেন কি এই অভিনেতাই একসময় তীব্র ধূমপানে আসক্ত ছিলেন! একেকদিন ২০-৩০টি সিগারেটের সদ্ব্যবহার করতেন। সদ্য সে কথা নিজেই জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি পালিত হলো 'ওয়ার্ল্ড নো টোব্যাকো ডে'। সেই উপলক্ষে জনসাধারণকে ধূমপানের অভ্যাস থেকে বিরত করতে ইনস্টাগ্রামে একটি ব্যুমেরাং ভিডিও পোস্ট করেন মিলিন্দ। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নিজের দু'হাতে একটি সিগারেটকে দু'টুকরো করছেন তিনি। বার্তাটি পরিষ্কার, ধূমপানের থেকে দূরে থাকুন।ওই ভিডিওর সঙ্গে লেখা পোস্টে মিলিন্দ নিজেই জানিয়েছেন একসময় তিনি নিজেও ধূমপানের জানায় আসক্ত ছিলেন। সেটা ১৯৯৮ সাল। সেইসময়ে ছোটপর্দায় অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'ক্যাপ্টেন ভিওম' এর মুখ্যভূমিকায় অভিনয় করতেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ৩২ এর আশেপাশে। সেই ধারাবাহিকের শ্যুটিং চলাকালীনই সিগারেটের নেশায় আসক্ত হন এই মডেল-অভিনেতা। যা তাঁর নিজের কথায়,'জীবনের চরম মূর্খামির ছিল!' সেসময়ে একেকদিন তাঁর লেগে যেত প্রায় ২০-৩০টি সিগারেট। 

 

এখানেই না থেমে মিলিন্দ জানিয়েছেন এই নেশা ছাড়তে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল তাঁকে। তবে বর্তমানে বহু বছর ধরেই ধূমপানের থেকে শত হস্ত দূরে থাকেন তিনি। এরপর নিজের ফলোয়ার্সদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ধূমপানের থেকে দূরে থাকার। কারণ তিনি এই নেশা ছাড়তে পেরেছেন অনেক কষ্টে এবং সঙ্গে নানারকম 'সু অভ্যাস' বজায় রাখতে পেরেছিলেন বলেই। কিন্তু সবাই তো তা পারেন না। সুতরাং.... 

বলাই বাহুল্য, মিলিন্দের এই পোস্টে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ স্মৃতিচারণ করেছেন কীভাবে মিলিন্দের অনুপ্রেরণায় তাঁরাও ধূমপানের নেশা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পেরেছেন।

বন্ধ করুন