বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > দু’জনের প্রেমের গল্পে তৃতীয় ব্যক্তিকে টানলে আগ্রহ বাড়ে, মুখ খুললেন ‘মিঠাই’
বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সৌমিতৃষা।

দু’জনের প্রেমের গল্পে তৃতীয় ব্যক্তিকে টানলে আগ্রহ বাড়ে, মুখ খুললেন ‘মিঠাই’

  • গুঞ্জন, কৌশাম্বির প্রেমে পড়েছেন আদৃত। আবার অন্য় দিকে, পর্দার নায়ককে মন দিয়ে বসেছেন সৌমিতৃষা। আর এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই নাকি যাবতীয় বিবাদের সূত্রপাত।

বলা হয়, ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা বন্ধু হতে পারে না। সবটাই নাকি লোক দেখানো, মেকি। ‘মিঠাই’ সৌমিতৃষা কুণ্ডু যদিও সে সব মানতে নারাজ। কারণ কাজ করতে গিয়েই নিজের সব চেয়ে প্রিয় বন্ধুকে খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

‘মিঠাই’-এর সেটেই আলাপ দু’জনের। পর্দায় তিনি সৌমিতৃষার পিসি শাশুড়ি বটে। তবে পরিচালকের ‘কাট’ বলতেই যত ক্ষণ! তার পরেই শুরু হয়ে যায় দু’জনের খুনসুটি-আড্ডা। এ বার বুঝতে পারছেন ‘মিঠাই’-এর প্রিয় বন্ধুটি আসলে কে? না বুঝলেও তাঁর ইনস্টাগ্রামে চোখ রাখলেই মিলবে উত্তর।

অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্য়ায় সৌমিতৃষার সব চেয়ে কাছের বন্ধু। সে কথা অনুরাগীদের আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। সাজঘরে অর্পিতার অবসর যাপনের মুহূর্তকে লেন্সবন্দি করে লিখেছেন, ‘কাছের মানুষ। আমার ভরসার মানুষ’। এই স্বীকারোক্তির সঙ্গেই জুড়ে দিয়েছেন একটি লাল হৃদয়ের ইমোজি।

সৌমিতৃষার কথায়, ‘অর্পিতাদি আমার সব চেয়ে কাছের মানুষ। যে কথাগুলো আমি কাউকে বলতে পারি না, সেগুলো ওকে অনায়াসে বলতে পারি। এতটাই ভরসা করি আমি ওকে। মাঝেমধ্য়ে আমি ওকে মা বলে ডেকে ফেলি। কতটা কাছের মনে করলে এ রকম হয়!’

সাম্প্রতিক সময়ে ‘মিঠাই’-এর সেটের আভ্য়ন্তরীন গোলযোগ নিয়ে নেহাত কম চর্চা হয়নি। শোনা গিয়েছিল সহকর্মী আদৃত রায় এবং কৌশাম্বি চক্রবর্তী সঙ্গে নাকি তাঁর মুখ দেখাদেখি নেই। সত্য়িই কি তাই? তাল কেটেছে তাঁদের বন্ধুত্বে?

খানিক হেসে সৌমিতৃষার উত্তর, ‘যে কোনও বিতর্কই আমার উপরে কোনও প্রভাব ফেলতে পারে না। কারণ আমি জানি আমি কী করছি।’

গুঞ্জন, কৌশাম্বির প্রেমে পড়েছেন আদৃত। আবার অন্য় দিকে, পর্দার নায়ককে মন দিয়ে বসেছেন সৌমিতৃষা। আর এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই নাকি যাবতীয় বিবাদের সূত্রপাত। সৌমিতৃষা যদিও বলেন, ‘দুটো মানুষ সম্পর্কে আছে না নেই, সেই চর্চার মধ্য়ে আমি কী ভাবে ঢুকছি। অনেকেই বলছেন, আদৃতের জন্মদিনে আমি ওকে উইশ করিনি। তার মানেই কোনও একটা সমস্য়া হয়েছে। আচ্ছা, এত দিন ধরে তো সকলেই আমাদের বন্ধুত্ব দেখেছেন। খুব ভালো বন্ধুদের মধ্য়ে কি কখনও ঝগড়া হয় না?’

অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘আমরা তো অনেক সময় বন্ধুদেরও উইশ করতে ভুলে যাই, তার মানে কি বন্ধুত্বই শেষ?’

কৌশাম্বিকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করে দিয়েছিলেন সৌমিতৃষা। তাঁর এই পদক্ষেপ নিয়ে জলঘোলাও হয়েছিল বিস্তর। ‘মিঠাই’ যদিও জানিয়েছেন, অনেক সময়েই নানা কারণে পরিচিতদের আনফলো করেন তিনি। তার মানেই যে তাঁদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কে ফাটল ধরেছে, এমনটা ভেবে নেওয়া ভুল। তাঁর কথায়, ‘সব কিছু সোশ্য়াল মিডিয়ার নিক্তিতে মাপা ঠিক নয়।’

তবে এই প্রথম নয়। অতীতেও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রীর। খানিক ব্য়ঙ্গের সুরে তিনি বললেন, ‘আমি এ সব নিয়ে কখনওই কিছু ভাবি না। এখনও বিতর্ক হচ্ছে সেটা নিয়েও ভাবছি না। আসলে পাঁঠার মাংস রাঁধার সময় বেশি মশলা দিলে যেমন স্বাদ বেশি হয়, ঠিক তেমনই দু’জনের প্রেমের গল্পে তৃতীয় ব্য়ক্তিকে টেনে আনলে মানুষের আগ্রহ বেড়ে যায়।’

বন্ধ করুন