বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > করণ জোহরের ‘ফ্যান’ থেকে লকডাউনে হোটেলে ১ কাপ কফি বিক্রি না হওয়ার গল্প,অকপট মিঠুন
মিঠুন চক্রবর্তী।

করণ জোহরের ‘ফ্যান’ থেকে লকডাউনে হোটেলে ১ কাপ কফি বিক্রি না হওয়ার গল্প,অকপট মিঠুন

  • কালার্স চ্যানেলের নয়া ট্যালেন্ট হান্ট শো ‘হুনারবাজ'-এর অংশ হচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী।শো-এর অন্যতম বিচারক হিসেবে দেখা যাবে তাঁকে। 

একদম ভিন্নরকম এক ট্যালেন্ট হান্ট শো-এর অংশ হচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী। কালার্স চ্যানেলে আসছে ‘হুনারবাজ… দেশ কি শান’। দেশের নানান প্রান্তে বহু প্রতিভা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কত গায়ক, নৃত্যশিল্পী, ম্যাজিকশনিয়ান, স্টান্টম্যান, কমেডিয়ান আর কত কী… তাঁদেরই মঞ্চ প্রদান করবে এই শো। সাফল্য পাওয়া সহজ কাজ নয়, এটা মিঠুনের চেয়ে ভালো আর কে জানেন। এবার এই শো নিয়ে মুখ খুললেন মহাগুরু নিজেই। ই টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে 'হুনারবাজ' নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি জানালেন করোনা অতিমারির সময় কীভাবে বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাঁর হোটেল ব্যবসা।

‘হুনারবাজ' নিয়ে মহাগুরু বলেছেন, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম আমাদের দেশে বহু প্রতিভাবানের জন্ম হয়েছে। ‘হুনরবাজ় – দেশ কি শান’ এমন একটা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রতিযোগীরা এসে তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শন করতে পারবেন।' পাশাপাশি আরও জানিয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানান প্রতিভা এসে হাজির হয়েছেন এই মঞ্চে। আন্তর্জাতিক মানের তাঁদের সেই পারফর্মেন্স দেখে যে দর্শকরা মুগ্ধ হবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত তিনি।

 তবে এই শো-এর টিআরপি বাড়ানোর জন্য প্রতি পদে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিগত জীবনে দুর্দশার গল্প পেশ করা হবে না, সে ব্যাপারেও কড়া নজর রয়েছে তাঁর, নিজেই জানালেন মিঠুন। এই শো-এর শ্যুটিং করতে করতে ব্যক্তি হিসেবে করণ জোহর এবং পরিণীতি চোপড়ার যে 'ফ্যান' হয়ে গেছেন তিনি, লুকোলেন না সেকথাও। মিঠুনের কথায়, 'মঞ্চে প্রতিযোগীদের পারফর্মেন্স দেখে কিংবা তাঁদের কথা শুনে একেকসময় আবেগপ্রবণ হয়ে কোনও ভুলচুক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলার আমার সম্ভাবনা থাকলেও, সেসবের থেকে শত হস্তে দূরে থাকে করণ এবং পরিণীতি। তাঁরা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেও আবেগে ভেসে যায় না। আর করণ আর পরিণীতির যে এত দুর্দান্ত রসবোধ সেকথা আমারও জানা ছিল না। খুব উপভোগ করছি।'

করোনা অতিমারির প্রসঙ্গ উঠলে সাফ কথায় তিনি জানিয়ে দিলেন তাঁর হোটেলের ব্যবসা বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর দাবি, 'এমনও দিন গেছে সারাদিনে এক কাপ কফিও বিক্রি হয়নি আমার হোটেলে। তারপর তো লকডাউন।একটা সময় টাকাও আসা বন্ধ হয়ে গেল আমার হোটেলগুলোর থেকে। সেই সময় যতটা পেরেছি আমার কর্মচারীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একমাত্র আমিই উপার্জনকারী। তাই সময়টা বড্ড কঠিন ছিল। সবাইকে বলতাম, কঠিন সময়ও একসময় কেটে যায়। এবারও তা হবে।'

বন্ধ করুন