বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘বর্বর’ তালিবানদের প্রশংসা করা ভারতীয় মুসলমানরা বেশি ‘ভয়ঙ্কর’: নাসিরুদ্দিন শাহ
তালিবানদের প্রশংসা করা ভারতীয় মুসলমানদের নিন্দা করলেন নাসিরুদ্দিন। 
তালিবানদের প্রশংসা করা ভারতীয় মুসলমানদের নিন্দা করলেন নাসিরুদ্দিন। 

‘বর্বর’ তালিবানদের প্রশংসা করা ভারতীয় মুসলমানরা বেশি ‘ভয়ঙ্কর’: নাসিরুদ্দিন শাহ

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভারতীয় মুসলিম’দের কিছু অংশের কড়া সমালোচনা করলেন বর্ষীয়ান বলি অভিনেতা নাসিরুদ্দিন।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির মঞ্চ এখন তোলপাড় আফগানিস্তান প্রসঙ্গে। সে দেশে যেভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তালিবানরা, তাঁর কড়া সমালোচনা করেছে গোটা বিশ্ব। দেশ ছেড়ে পালাতে না পেরে কেউ নিজের সন্তানদের তুলে দিচ্ছেন মার্কিন সৈনিকদের হাতে, তো কেউ প্লেনের চাকায় নিজেকে বেঁধে রেখে পালাতে গিয়ে ওপর থেকে পড়ে মারা যাচ্ছেন, হাড় হিম করা সেসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করে সকলেই ভয় পেয়েছেন। অনেকেরই আশঙ্কা আজ যা সেই দেশের সঙ্গে হচ্ছে, কাল তো তা যে কোনও দেশের সাথেই হতে পারে। 

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেন বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। যেখানে তাঁকে ভারতীয় মুসলমানদের তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায়, যারা তালিবানদের ‘জয়’ নিয়ে আনন্দোৎসবে মেতেছে। নাসিরুদ্দিন বলেন, ‘ভারতীয় মুসলমানদের এবার নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত, তাঁরা তাঁদের ধর্ম সংস্কার করতে চায় নাকি পুরনো বর্বরতার সাথে বসবাস করতে চায়।’ সঙ্গে সমাজের পক্ষে এটা যে ভয়ংকর একটা দিক সেটাও নিজের ভিডিও বার্তায় তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ‘আফগানিস্তানে তালিবানদের ক্ষমতা পুনর্দখল গোটা বিশ্বের কাছে যেমন উদ্বেগের বিষয়, তেমনি এই বর্বরদের ফিরে আসেয় ভারতীয় মুসলমানদের কিছু অংশের উচ্ছ্বাস-উদযাপনও কম বিপদের নয়।’

নাসিরুদ্দিন নিজের মনের কোনে লুকিয়ে থাকা উদ্বেগও ভাগ করে নেন এদিন। খোলাখুলি বলেন, ভারতীয় মুসলিমদের সঙ্গে বিশ্বের অন‍্যান‍্য মুসলিমদের চিন্তাগত ও কার্যগত বেশ কিছু পার্থক‍্য রয়েছে। কিন্তু তাঁর এখন ভয় হচ্ছে, এমন কোনওদিন যেন না আসে যখন এই পার্থক‍্যটা মিটে যায়। সে দিন বাস্তবিকই ভয়ঙ্কর বলেই মনে করেছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।

প্রসঙ্গত, ১৫ অগাস্ট যখন ভারত ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছিল, সীমান্তের ওপারে বিশ্বের একপ্রান্তে তখন সশস্ত্র তালিবান সদর্পে দখল করছিল আফগানিস্তানের একটার পর একটা শহর। নারীদের বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছিল, খাবার মিলছিল না কোথাও। এখনও সেভাবে পরিস্থিতির বদল হয়নি। ২০ বছরের যুদ্ধ শেষ করে আফগানিস্তানের মাটি মার্কিন সেনাবাহিনী বিদায় নেওয়ার পরেই এই পদক্ষেপ নেয় তালিবানরা। আপাতত আন্তর্জাতিক সমস্ত সংঘ নজর রাখছে সে দেশের ওপর। শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বন্ধ করুন