বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > এ আবর্জনা ফেলার জায়গা! তীব্র সমালোচনা করে ওটিটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত ক্ষুব্ধ নওয়াজের
নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)
নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)

এ আবর্জনা ফেলার জায়গা! তীব্র সমালোচনা করে ওটিটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত ক্ষুব্ধ নওয়াজের

  • ওটিটি ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।

তাঁকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের বেতাজ বাদশা বলা হলেও অতি বড় সমালোচকও মুখে টুঁ শব্দটি করবেন না। সেক্রেড গেমস’ থেকে শুরু করে 'সিরিয়াস মেন', ‘রাত অকেলি হ্যায়’ -র মত দারুণ সব সুপারহিট ওয়েব সিরিজে নওয়াজকে দেখে মুগ্ধ হয়েছে দর্শকের দল। মূলত জবরদস্ত গল্প, ঠাসবুনোট চিত্রনাট্য এবং নওয়াজের দুর্দান্ত অভিনয়, এই ত্রয়ীর মিশেলেই অন্য মাত্রা পেয়েছিল উল্লিখিত ওয়েব সিরিজগুলি। এবার সেই ওটিটি ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি!

বিনোদনের এই নয়া মাধ্যমের প্রতি এই কয়েক বছরের মধ্যেই ভীষণভাবে বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠেছেন 'গ্যাংস অফ ওয়াসিপুর'-এর নায়ক। রীতিমতো ক্ষুব্ধভাবে নওয়াজ বলেছেন, 'আবর্জনা ফেলার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলি!' বলি-তারকার যুক্তি অপ্রয়োজনীয়, বিরক্তিকর এবং খাজা ওয়েব সিরিজে ক্রমাগত ভরে উঠছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলি। তাঁর কথায়, ' বর্তমানে এমন কিছু ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছে যার গুণগত মান নিয়ে সত্যিই কিছু বলার নেই। কিছু সিরিজের সিক্যুয়েলগুলো তো ভীষণভাবে অপ্রয়োজনীয়। নতুন করে কিছুই বলার নেই সেসবে'।

এখানেই না থেমে নওয়াজ আরও বলেন, 'ওটিটিগুলো এখনও বলিপাড়ার প্রযোজকদের ধান্ধা করার জায়গায় পরিণত হয়েছে। স্রেফ ঢালাও ব্যবসা। অজস্র ছবি বা সিরিজ পরপর মুক্তি পাচ্ছে। পেয়েই চলেছে আর তার জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা পাচ্ছেন প্রযোজকরা। ফলে সিরিজগুলো মান নিম্ন থেকে নিম্নতর হচ্ছে। একসময় ‘সেক্রেড গেমস’ যখন করেছিলাম, তখন ওটিটি মঞ্চ নিয়ে রীতিমতো রোমাঞ্চ করত। আর এখন? সেসবের বালাই বহুদিন হল চুকেছে। বর্তমানে একটিও ওয়েব সিরিজে সেভাবে নতুনত্ব কিছু নেই'। বক্তব্য শেষে কাটা কাটা বাক্যে বলি-তারকার সংযোজন, ' এককথায় ওটিটির বেশিরভাগ কন্টেন্ট এখান অসহ্য। আর যেসব ব্যাপার স্রেফ দেখার ব্যাপারেই সহ্য করতে পারছি না সেবে অভিনয় করব কী করে?'

বন্ধ করুন