বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'হোম লোন মেটাতে আমি নুসরতকে টাকা দিয়েছি', টাকা হাতানোর দাবি উড়িয়ে পালটা নিখিল
পালটা জবাব নিখিলের
পালটা জবাব নিখিলের

'হোম লোন মেটাতে আমি নুসরতকে টাকা দিয়েছি', টাকা হাতানোর দাবি উড়িয়ে পালটা নিখিল

  • মিথ্যা অভিযোগ করছেন নুসরত, 'স্ত্রী' অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতানোর অভিযোগ নস্যাত্ করলেন নিখিল। 

নুসরত জাহান ও নিখিল জৈনের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে ২০২১-এর প্রথম দিন থেকেই। তবে এই আলোচনা সম্পূর্ণ নতুন মোড় নিয়েছিল গতকাল (বুধবার)। এদিন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ মিডিয়া বিবৃতি জারি করে দুম করে বসেন, ‘নিখিল আর আমার বিয়ে আইনত অবৈধ, তাই বিচ্ছেদের প্রশ্ন নেই। নিখিলের সঙ্গে আমি লিভ ইন রিলেশনশিপে ছিলাম’। নুসরত এখানেই থেমে থাকেননি বরং গুরুতর অভিযোগ এনেছেন নিখিল ও তাঁর পরিবারের নামে। নুসরতের দাবি নিখিল নাকি তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বিচ্ছেদের পরেও টাকা তুলছেন। নিখিলের পরিবার নুসরতের গয়না ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি আটকে রেখেছে। 

নুসরতের সেই দাবি সরাসরি নাকোচ করে দিলেন নিখিল জৈন। এদিন নুসরতের পালটা বিবৃতি দিয়ে রঙ্গোলি ইন্ডিয়ার কর্ণধার জানান, ‘বিয়ে নিয়ে আমার পরিবার এবং আমাকে যে দোষারোপ করা হচ্ছে, তার সত্যতা প্রকাশ করতেই এই বিবৃতি।’

নিখিল সাফ জানান, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের ৫ তারিখ নিখিলের আলিপুরের বাড়ি ছেড়ে নিজের ব্যাগ-পত্তর গুছিয়ে রওনা দেন নুসরত। এরপর নুসরত নিজের বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে শিফট করেন বলে জানান নিখিল। তিনি যোগ করেন নুসরত নিজের সমস্ত মূল্যবান সম্পত্তি, কাগজ-পত্র সব গুছিয়ে নিজের সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন। শিফট করে যাওয়ার পরে নুসরতের কিছু জরুরি কাগজপত্র (যেমন আইটি রির্টানের ফাইল) তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।

নিখিল যোগ করেন বিয়ের পর বিপুল পরিমাণ গৃহঋণের বোঝা ছিল তা এড়াতে টাকা চেয়েছিল নুসরত। সেই টাকা পারিবারিক অ্যাকাউন্ট থেকে নুসরতকে দিয়েছিলেন নিখিল। পরে সেই টাকা নিখিলকে শোধ করে দেওয়ার কথাও বলেছিলেন নুসরত। সেই টাকার কিছুটা পরিমাণ ইতিমধ্যেই কিস্তিতে ফিরত দিয়েছেন নুসরত, সেকথাও বলেন নিখিল। তাই নুসরতের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে নিখিলের অ্যাকাউন্টে যে টাকা পাঠানো হয়েছে, তা পূর্ববর্তী লোনের টাকা বলে দাবি করেন নিখিল। 'সেই লোনের অনেকটা এখনও বাকি আছে,' বিস্ফোরক নিখিল জৈন।

নিখিল জানান, ২০১৯ সালের জুন মাস থেকে ২০২০ সালের নভেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসাবেই থেকেছেন। এবং এই সময়কালের মধ্যে তিনি বহুবার নুসরতকে নিজেদের বিয়ে স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট,১৯৫৪-এর অধীনে রেজিস্টার করতে বলেছিলেন। তবে বরাবর নুসরত এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের পথ আলাদা হয়ে গিয়েছে, আগেই। এখন নিখিল চান অ্যানালমেন্ট করে নুসরতের থেকে আলাদা হতে, সেই জন্য আলিপুর কোর্টে গত মার্চেই মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ২০শে জুলাই। 

বন্ধ করুন