বাড়ি > বায়োস্কোপ > রিয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা যায়নি সুশান্তের তরফে, '১৫ কোটি গায়েব'- দাবি খারিজ মুম্বই পুলিশের
রিয়া চক্রবর্তীকে দু'বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বই পুলিশ।
রিয়া চক্রবর্তীকে দু'বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বই পুলিশ।

রিয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা যায়নি সুশান্তের তরফে, '১৫ কোটি গায়েব'- দাবি খারিজ মুম্বই পুলিশের

  • দুবার রেকর্ড করা হয়েছে রিয়া চক্রবর্তীর বয়ান। তাঁর অ্যাকাউন্টে নাকি কোনও ফান্ড ট্রান্সফার হয়নি সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে,বললেন মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনার। 

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে মুম্বই পুলিশ। সাংবাদমাধ্যম থেকে দেশবাসী-সকলের মনেই রয়েছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। সেই বিষয় নিয়েই প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন মুম্বই পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং।

এদিন কমিশনার পরিষ্কার জানান, সুশান্তের পরিবারের তরফে তাঁর মৃত্যুর পর রিয়া চক্রবর্তী বা অন্য কোনও ব্যক্তিকে নিয়ে কোনওরকম সন্দেহ প্রকাশ করা হয়নি। পাটনা পুলিশের কাছে দায়ের এফআইআরে সুশান্তের কোটাক মহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা গায়েব হওয়ার অভিযোগ এনেছিল প্রয়াত অভিনেতার পরিবার। এই তত্ত্বও এদিন খারিজ করে দেন পুলিশ কমিশনার।  টাকা হেরফের করবার মামলায় রিয়া চক্রবর্তীকেও ‘কার্যত’ ক্লিনচিট দিলেন পরমবীর সিং। তিনি বলেন,' ২০১৯-এর জানুয়ারি থেকে ২০২০-র জুন পর্যন্ত সুশান্তের ব্যাঙ্কের নথিপত্র খতিয়ে দেখেছে মুম্বই পুলিশ।সুশান্তের অ্যাকাউন্টে (কোটাক মহিন্দ্রা) প্রায় ১৪.৫ টাকা ছিল। কোন বড়সড় টাকা রিয়া চক্রবর্তী বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়নি'। 

রিয়া-সুশান্তের সম্পর্ক নিয়েও সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মুম্বই পুলিশ কমিশানার বলেন, সুশান্তের পরিবারের সঙ্গে রিয়ার কোনও সমস্যা রয়েছে। আমরা দু'বার রিয়ার বয়ান রেকর্ড করেছি। রিয়া সবটা বলেছে।রিয়া সুশান্তের মানসিক সমস্যা এবং সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তথ্য দিয়েছে। চিকিত্সকদের প্রেসক্রিবশনও শেয়ার করেছে। ইউরোপ ট্যুরে সংক্রান্ত বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়েছে'।

সুশান্ত-রিয়া একসঙ্গে ইউরোপ ট্যুরে গিয়েছিলেন। ইতালি,প্যারিস শহরে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন তাঁরা। ২০১৯-এর অক্টোবরে দেশে ফেরেন তাঁরা। এরপর থেকেই নাকি সুশান্তের শরীর ভালো যাচ্ছিল না। 

মুম্বই পুলিশ কমিশানার বলেন, রিয়া ৮ই জুন সুশান্তের ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যান। কারণ তাঁর মানসিক পরিস্থিতিও নাকি ঠিক যাচ্ছিল না।  সেইদিন সুশান্তের দিদি (মীতু সিং) সুশান্তের ফ্ল্যাটে আসেন। তবে ১৩ই জুন তিনি বাড়ি ফিরে যান কারণ তাঁর মেয়ে বাড়িতে একা ছিল এবং তাঁর পরীক্ষা ছিল, এই কথা সুশান্তের দিদি নিজের বয়ানে জানিয়েছেন।

সুশান্তের পরিবারের সঙ্গে পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে চাইলেও নাকি তা সম্ভবপর হয়নি বলে জানান পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, প্রিয়াঙ্কা সিংয়ের বয়ান রেকর্ড করবার জন্য ফের যোগাযোগ করা হলে তাঁর স্বামী জানান তিনি বয়ান দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থায় নেই। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ৫৬ জনের বয়ান রেকর্ড করছে মুম্বই পুলিশ বলে জানান মুম্বই পুলিশ কমিশনার। 

বন্ধ করুন