বাড়ি > বায়োস্কোপ > ‘ব্যাড বয় বিলিয়নেয়ার্স’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি পেল না নেটফ্লিক্স
এই ডকু-ড্রামায় অন্তর্বতীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে বিহারের এক আদালত 
এই ডকু-ড্রামায় অন্তর্বতীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে বিহারের এক আদালত 

‘ব্যাড বয় বিলিয়নেয়ার্স’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি পেল না নেটফ্লিক্স

  • বুধবার থেকে স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার কথা ছিল এই ডকু-ড্রামার। তবে বিহার আদালতের রায়ের নির্দেশে তা আপতত স্থগিত রইল।
  • সুব্রত রায়ের আবেদনের ভিত্তিতে সিরিজের উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে বিহার আদালত।

‘ব্যাড বয় বিলিয়নেয়ার্স’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কোনওপ্রকার স্বস্তি পেল না ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স। বিহার আদালতের রায় নিয়ে কোনওরকম মন্তব্য করতে রাজি নয় শীর্ষ আদালত। এদিন দেশের প্রধান বিচারপতি, জাস্টিস বোবদে নেটফ্লিক্স কর্তৃপক্ষকে সাফ জানিয়ে দেন, ‘আপনাদের এখানে আসা উচিত হয়নি, আপনারা বিহার আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানাতে হলে হাইকোর্টে যান’।

বুধবার থেকে নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার কথা ছিল এই ডকু-ড্রামার। তবে বিহার আদালতের রায়ে আপতত স্থগিত রয়েছে ‘ব্যাড বয় বিলিয়নেয়ার্স’-এর স্ট্রিমিং। 

নেটফ্লিক্সের তরফে আগেই জানানো হয়েছে, ‘এটা একটা তদন্তমূলক ডকুমেন্ট্রি সিরিজ যা লোভ, জালিয়াতি এবং দুর্নীতির বিষয় তুলে ধরবে যেখানে তুলে ধরা হয়েছে ভারতের এই কুখ্যাত চার পুঁজিপতি’। মূলত ঋণখেলাপির মামলায় পলাতক নীরব মোদী, বিজয় মালিয়া এবং দেশের অপর দুই বিজনেস টাইকুন রামলিঙ্গ রাজু ( সত্যম কম্পিউটার সার্ভিসের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও সিইও) ও সুব্রত রায় (সাহারা গ্রুপ)-কে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে তৈরি হয়েছে এই ডকু-ড্রামা। তাঁদের জীবনের উত্থান-পতনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে ‘ব্যাড বয় বিলিয়নেয়ার্স’-এ। 

এই ডকু-ড্রামার বিরুদ্ধে বিহারের এক আদালতে মামলা করেন সুব্রত রায়। তিনি আদালতকে জানান এই ডকু-ড্রামা তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করবে। এরপর নেটফ্লিক্সের এই ডকু-ড্রামার উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত,কারণে এখানে সরাসরি সুব্রত রায়ের নামের ব্যবহার রয়েছে। 

নেটফ্লিক্সের তরফে নিযুক্ত কৌঁসুলি প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল জানান শীর্ষ আদালত এর আগে এই ধরণের আবেদনের শুনানি গ্রহণ করেছেন, তবে এই দলিলের বিরোধিতা করেন সুব্রত রায়ের আইনজীবী বিকাশ সিং। 

৬৮ বছর বয়সী সাহারা প্রধানের উপর ২৪,০০০ কোটি টাকা বেআইনিভাবে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় ২০১৪ সালে। গ্রাহকদের সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে, যাঁর মধ্যে অর্ধেক টাকা ইতিমধ্যেই ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। ২০১৪ সাল থেকে দিল্লির জেলেবন্দি থাকবার পর গত বছরই জামিনে মুক্তি পান সুব্রত রায়। এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ প্রমাণ হয়নি।

পাঞ্জাব ন্যাশান্যাল ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অন্যতম অভিযুক্ত মেহুল চোকসি নেটফ্লিক্সের এই ডকুমেন্ট্রির বিরোধিতা করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে তাঁর আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। 

বন্ধ করুন