কঙ্গনা ও রঙ্গোলি চান্দেল (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
কঙ্গনা ও রঙ্গোলি চান্দেল (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

টুইটার বিতর্কে দিদির সমর্থনের জেরে পুলিশে অভিযোগ কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে

  • সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য করার জেরে গত সপ্তাহে টুইটার থেকে বহিষ্কৃত হন কঙ্গনার দিদি তথা ম্যানেজার রঙ্গোলি চান্দেল। এরপর দিদির সমর্থনে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী।

বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াতের। টুইটার বিতর্কে দিদি রঙ্গোলি চান্দেলের সমর্থনে ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের হল। সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য করার জেরে সম্প্রতি মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার থেকে বহিষ্কার করা হয় রঙ্গোলিকে।

কঙ্গনার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী আলি কাশিফ খান দেশমুখ। যিনি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। অভিযোগে তিনি জানান, এক বোন একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে হত্যা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে হিংসার কথা বলে, ‘অন্যজন’ তাঁর সমর্থনে এগিয়ে আসে। দেশজুড়ে সেই মন্তব্যের সমালোচনা এমনকি টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেওয়ার পরেও!

অভিযোগে, কঙ্গনা এবং তাঁর দিদি তথা ম্যানেজার রঙ্গোলি চান্দেলের বিরুদ্ধে তাঁদের স্টারডম,অনুরাগীদের সমর্থন,খ্যাতি,টাকা,ক্ষমতা এবং প্রভাবের ভুল ব্যবহার করে হিংসা ছাড়ানো, সমাজে অসাম্য তৈরি এবং ব্যক্তিগত ফায়দা লাভের উদ্দেশ্যে দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো বার্তা পোস্ট করে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, তিনি এবং রঙ্গোলি দুজনেই ক্ষমা চাইবেন যদি রঙ্গোলির কোনও টুইটে সে একটি গোটা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করে থাকে। ভারত সরকারের কাছে কঙ্গনা অনুরোধ জানান টুইটার ‘ধ্বংস’ করে, এই ধরণের কোনও ভারতীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার।

দেশজুড়ে ঘটে চলা স্বাস্থ্যকর্মীদের নিগ্রহের ঘটনার সমালোচনা করতে গিয়েই গত ১৬ এপ্রিল এই বিতর্কিত টুইট করেন রঙ্গোলি। মূলত মোরাদাবাদের ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য তাঁর। সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের বাইরে টুইটে ভুয়ো তথ্য দেন রঙ্গোলি, যা টুইটারের গাইডলাইন বিরোধী। এরপরই রঙ্গোলি চান্দেলের টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়।

বন্ধ করুন