HT বাংলা থেকে সেরা খবর পড়ার জন্য ‘অনুমতি’ বিকল্প বেছে নিন
বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Preity Zinta-Kal Ho Naa Ho: কাল হো না হো-র বছর কুড়ি পার, স্মৃতি হাতড়ে প্রীতি মনে করলেন করণের বাবাকে

Preity Zinta-Kal Ho Naa Ho: কাল হো না হো-র বছর কুড়ি পার, স্মৃতি হাতড়ে প্রীতি মনে করলেন করণের বাবাকে

Preity Zinta-Kal Ho Naa Ho: কাল হো না হো ছবির কুড়ি বছর পার। ইমোশনাল রোলার কোস্টার তো বটেই সঙ্গে বন্ধুত্ব, প্রেমে ভরপুর এই ছবি নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট করলেন প্রীতি জিন্টা। কী লিখলেন অভিনেত্রী?

কাল হো না হো মানে প্রীতির কাছে কেবল একজনই!

২০০৩ সালের ২৮ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছিল নিখিল আডবানি পরিচালিত এবং করণ জোহরের ধর্মা প্রোডাকশন প্রযোজিত ছবি কাল হো না হো। আর এই ছবিতেই উঠে এসেছিল বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, থুড়ি ত্রিকোণ প্রেম। ছিল ভরপুর ইমোশন। আর এ হেন ছবির দেখতে দেখতে কুড়ি বছর পার হয়ে গেল। গতকাল করণ জোহর একটি আবেগঘন পোস্ট করেন এই ছবিটিকে নিয়ে। বাদ গেলেন ছবির অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা।

কাল হো না হো ছবি নিয়ে কী লিখলেন প্রীতি?

কাল হো না হো ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন প্রীতি জিন্টা, শাহরুখ খান এবং সইফ আলি খান। সেই ছবির কুড়ি বছর পূর্ণ হতেই প্রীতি টুইটারে অর্থাৎ যা বর্তমানে এক্স নামে পরিচিত সেখানে এই ছবির একটি ক্লিপ পোস্ট করেন। সেটার সঙ্গে ক্যাপশনে লেখেন, 'কাল হো না হো আমার করা সব থেকে কষ্টের অথচ আনন্দের ছবি। এই ছবির স্মৃতিগুলো কোনও কিছুই মুছে ফেলতে পারবে না। আমি যশ কাকুর (যশ জোহর) কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব আমাকে এই ছবির অংশ বানানোর জন্য। এটাই শেষ ছবি যার সেটে তিনি উপস্থিত ছিলেন। আপনার মতো আর কেউ হবে না যশ কাকু। তুমি তোমার সঙ্গে আমার জীবনের একটা অংশ নিয়ে চলে গেছ। এই ছবিটা বারবার তোমার কথাই মনে করায়। অনেক ধন্যবাদ।'

আরও পড়ুন: বক্স অফিসে ধিকধিক করছে টাইগার ৩, এর মধ্যে প্রকাশ্যে হৃতিকের ওয়ার ২ রিলিজ ডেট, কবে মুক্তি পাচ্ছে?

আরও পড়ুন: কাল হো না হো ২০-তে পা দিতেই আবেগঘন হয়ে পোস্ট করণের, স্মৃতি হাতড়ে লিখলেন, 'বাবার শেষ ছবি...'

কে কী বলছেন?

প্রীতি জিন্টার এই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এক ব্যক্তি লেখেন, 'আমরা আপনার ছবি খুব মিস করি। ওই সময়কার ছবিগুলোই বড্ড সুন্দর হতো, ভালোবাসা পজিটিভিটিতে ভরা।' কেউ আবার লেখেন, 'আমার বড় হওয়ার সময় এই ছবিটা উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।'

করণ কী লেখেন কাল হো না হোর কুড়ি বছর উপলক্ষ্যে?

করণ এদিন কাল হো না হোর কুড়ি বছর উপলক্ষ্যে লেখেন, 'এই ছবিটা যেন একটা ইমোশনাল জার্নি আমার জন্য, হয়তো আমাদের সবার জন্যই। এমন একটা গল্প সঙ্গে এই দুর্দান্ত স্টার কাস্ট সবটা মিলিয়েই যেন সেরা। এই ছবির ক্যামেরার সামনে এবং পিছনে থাকা সমস্ত কলাকুশলীদের কুর্নিশ এমন একটা ছবি বানানোর জন্য যা আজও সবার এত পছন্দের। ধর্মা পরিবারের অংশ হিসেবে আমার বাবার এটা শেষ ছবি ছিল। আমি আজও যতবার এই ছবিটা দেখি ততবার তাকে উপলব্ধ করতে পারি যেন। থ্যাংক ইউ বাবা আমাদের সব কিছুতে গাইড করার জন্য, যে গল্প বলা উচিত সেটা বলার জন্য। সঠিক পাশে থাকার জন্য। আমি তোমায় ভীষণ মিস করি।'

বায়োস্কোপ খবর