বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'দ্য হোয়াইট টাইগার' পরিচালককে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য,পাশে দাঁড়ালেন প্রিয়াঙ্কা
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও রামিন বেহরানি।ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও রামিন বেহরানি।ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস

'দ্য হোয়াইট টাইগার' পরিচালককে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য,পাশে দাঁড়ালেন প্রিয়াঙ্কা

বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের শিকার 'দ্য হোয়াইট টাইগার' পরিচালক রামিন বেহরানি। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে পরিচালকের পাশে প্রিয়াঙ্কা। 

চলতি বছরের অস্কারে মনোনয়ন পেয়েছেন 'দ্য হোয়াইট টাইগার' খ্যাত পরিচালক রামিন বেহরানি।চলতি বছরের 'বাফটা'-তেও মনোনয়ন পেয়েছিলেন এই প্রখ্যাত শিল্পী। তা সত্ত্বেও আমেরিকার আটলান্টা শহরে প্রকাশ্যে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের শিকার হতে হল তাঁকে। সম্প্রতি, দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন এই পরিচালক।রামিন জানান একটি প্রজেক্টের শ্যুটিং সারতে তিনি ও তাঁর টিম আমেরিকার আটলান্টা শহরের রাস্তায় শ্যুট সারছিলেন। ওইদিন টানা অনেকক্ষণ শ্যুটিং চলার শেষে রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে প্রজেক্টটির প্রযোজক এভা ডুভারনে-র সঙ্গে ফোনের ভিডিও কলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা সেরে নিচ্ছিলেন তিনি। সেইসময় রামিনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরই উনিটের আরও এক সদস্য। ইউনিটের ওই সদস্য যে দক্ষিণ এশিয়ার সেকথাও পরিচালক জানান। এরপরেই ওই ভিডিও কলে কথা বলার  সময় তিনি শুনতে পান রাস্তার ধার থেকে চেঁচিয়ে তাঁর উদ্দেশে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন এক ব্যক্তি।

 রামিনের কথায়,' তখন ভিডিও করে এভার সঙ্গে জরুরি কথা সারছি। এমন সময় লক্ষ্য করলাম একটি গাড়ি এসে দাঁড়ালো আমাদের পাশে। ওই গাড়ির ড্রাইভারের সিটে বসা থাকা এক ব্যক্তি আমার ও আমার সেই সহকর্মীর  দিকে তাকিয়ে হঠাৎ ভীষণ চেঁচিয়ে উঠে বলে,তোমরা কি মনে করো এই দেশটা তোমরা চালাচ্ছো ? যদি তা ভেবে থাকো,তবে তা সম্পূর্ণ ভুল! এই দেশ থেকে বেরিয়ে নিজের দেশে ফিরে যাও!' জবাবে রামিন অবশ্য কিছু বলেননি তখন।প্রসঙ্গত, এই খ্যাতনামা ইরান বংশোদ্ভূত পরিচালকের জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা আমেরিকার উত্তর ক্যারোলিনায়। 

গোটা ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। উল্লেখ্য, রামিনের পরিচালনায় ' দ্য হোয়াইট টাইগার' ছবিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে এই অভিনেত্রীকে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে প্রিয়াঙ্কার বলেন রামিনের সঙ্গে ঘটা এইঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় এখনও কতটা দূর যেতে হবে আমাদের। তিনি আরও বলেন কে ঠিক করবে যে কে কোথায় থাকবে না থাকবে! নিজের বক্তব্য শেষে অভিনেত্রীর সংযোজন, আমেরিকা দেশটাই তো গড়ে উঠেছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষদের নিয়ে।আর 'আমেরিকান ড্রিম' মানেই তো এই দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীন জীবনের সঙ্গে সুযোগ ও নিরাপত্তার সহাবস্থান।

বন্ধ করুন