বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Rachana Banerjee: ‘বাবা চলে যাওয়ায় সব বন্ধ করে দিয়েছিলাম’, লাইভে চোখের জল ফেললেন পিতৃহারা রচনা
এখনও বাবার শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। 
এখনও বাবার শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

Rachana Banerjee: ‘বাবা চলে যাওয়ায় সব বন্ধ করে দিয়েছিলাম’, লাইভে চোখের জল ফেললেন পিতৃহারা রচনা

  • বাবার সঙ্গে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। এ শোক কী এত সহজে কাটিয়ে ওঠা যায়?

দিন কয়েক আগেই পিতৃবিয়োগ হয় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ১৫ নভেম্বর না-ফেরার দেশে চলে যান রচনার বাবা। বাবা-মেয়ে-র সম্পর্কের যে গভীর টান থাকে তা ছিল রচনা আর তাঁর বাবারও। তাই তো আচমকা পিতৃবিয়োগ সামলে উঠতেও বেশ কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল অভিনেত্রীর। 

বাবার পরলৌকিক ক্রিয়াকর্ম সেরে ২৭ নভেম্বর থেকে দিদি নম্বর ১-র শ্যুট করেন তিনি, যা সম্প্রচারিত হয়েছিল ২৯ নভেম্বর। ফিরে ফেসবুক লাইভে রচনা জানিয়েছিলেন ‘আপনারা সবাই জানেন এতদিন আমি কেন আসতে পারিনি। অনেকদিন পর আবার সেটে ফিরলাম। ঘরে ফিরে আসার মতোই। আশা করছি আবার সবাইকে আনন্দ দিতে পারব।’

পুজোর আগেই নিজের শাড়ির কালেকশন নিয়ে এসেছেন তিনি সকলের জন্য। তৈরি করেছেন নিজস্ব ক্লোদিং ব্র্যান্ড ‘রচনাস ক্রিয়েশনস’। একদম শুরুতেই জানিয়েছিলেন নানান ধরনের ডিজাইনার শাড়ি সকলের সামনে তুলে ধরা তাঁর প্যাশন। অনেকদিন থেকেই এই কাজের উৎসাহ ছিল, অবশেষে তা শুরু করতে পেরেছেন। তবে, বাবা মারা যাওয়ায় শাড়ির ব্যবসা থেকেও নিজেকে দূরে রেখেছিলেন। আসেননি লাইভে। দেখাননি নতুন কালেকশন। 

তবে সম্প্রতি বিয়ে স্পেশ্যাল কালেকশান নিয়ে লাইভ করেন অভিনেত্রী। আর সেখানেই স্পষ্ট ফুটে ওঠে বাবা-কে হারানোর শোক। মাসখানেক হতে চললেও রচনার কথায় বিসাদের সুর ছিল স্পষ্ট। ক্ষমা চেয়ে নিয়ে জানান, ‘এতদিন আমি সবকিছু থেকে দূরে ছিলম। শ্যুটও বন্ধ রেখেছিলাম। লাইভে তো আসছিলামই না। জানেন আপনারা আমি আমার বাবাকে হারিয়েছি। বাবাকে তো খুব মিস করি। এর আগে যতবার লাইভ করেছি বাবা পাশে থাকতেন। বাবা আমাকে বলতেন ভালো করে করবে। যেটা করছ মন দিয়ে করবে।’

‘বাবা চলে যাওয়া আমার কাছে শক ছিল। রচনা বন্দ্যোপধ্যায় হওয়া, কাজ করার পিছনেও আমার বাবা। সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করতেন। যখন আমি ভাবলাম রচনাস ক্রিয়েশন শুরু করব, তখনও বাবাই আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল। বাবা আমার ছিল একটা পিলারের মতো। তাই আগের লাইভে দেওয়া নতুন নতুন শাড়ির কালেকশন নিয়ে আসব, এই কথা রাখতে পারিনি। কিন্তু পরে ভাবলাম, বাবা তো এরকমটা কখনও চায়নি, যে আমি সব ছেড়ে ঘরে বসে থাকব। থাই ধীরে ধীরে আবার ফিরলাম কাজে।’

শুধু তাই নয় লাইভের মাঝখানেই রচনা চোখের জলে জানান, বাবাই ছিল তাঁর জীবনের সমস্ত কাজের অনুপ্রেরণা। তাঁদের সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। তাই তো পিতৃহারা হয়ে প্রথমটা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভুলেছিলেন নাওয়া খাওয়া!

বন্ধ করুন