বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Rahul Vaidya-Disha Parmar: জুতো পরে গণপতি বিসর্জন রাহুল বৈদ্য-দিশা পারমারের, ক্ষোভ উগড়ে দিলেন নেট-নাগরিকরা
জুতো পরে গণেশ মূর্তি কোলে নেওয়ায় সমালোচনায় রাহুল বৈদ্য!

Rahul Vaidya-Disha Parmar: জুতো পরে গণপতি বিসর্জন রাহুল বৈদ্য-দিশা পারমারের, ক্ষোভ উগড়ে দিলেন নেট-নাগরিকরা

  • বিয়ের পর এটাই রাহুল-দিশার প্রথম গণেশ পুজো। আর তাতেই করলেন বড় ভুল। পায়ে জুতো দিয়েই গণেশ মূর্তি কোলে নিয়ে চললেন বিসর্জনে। 

২০২১ সালেই বিয়ে করেন রাহুল বৈদ্য আর দিশা পারমার। বিগ বসের ঘর থেকে দিশাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাহুল। তারপর বেশ ধুমধাম করে হয় বিয়েটা, ভরা করোনাতেই। বরাবরই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভালোবাসা পেয়ে এসেছেন এই দম্পতি। তবে এবার পড়লেন জনতার রোষের মুখে। কারণ একটা ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে পায়ে জুতো পরে গণেশ বিসর্জন করছেন রাহুল-দিশা।

মুম্বইয়ে গত কয়েকদিন ধরে ধুমধাম করে পালন হচ্ছে গণেশ চতুর্থী। অর্পিতা খান থেকে সানি লিওনি, একতা কাপুর থেকে শাহরুখ খান বাড়ির গণেশ পুজো ভাইরাল। রাহুল-দিশাও বাড়িতে গণেশ পুজোর একাধিক ছবি শেয়ার করে নিয়েছিলেন। বেশিরভাগ সময়তেই দেখা গেল ম্যাচিং পোশাক পরেছেন তাঁরা। তবে বিসর্জনের ভিডিয়ো নিয়েই যত আপত্তি। রবিবার গণেশ ভাসান দেন তাঁরা। মুম্বইয়ের লোখন্ডওয়ালাতেও তাঁদের সেদিন দেখা গেল। দুজনেই পরেছিলেন সাদা রঙের পোশাক। রাহুল কোলে নিয়েছিলেন গণেশ মূর্তি। পাশে হাঁটছিলেন দিশা। আর তখনই দেখা যায় পায়ের জুতো খেলেননি তাঁরা কেউই। আরও পড়ুন: রাজের বাড়িতে কী কী কাজ করতে হয়? বিবাহিত জীবন ফাঁস করলেন শুভশ্রী দিদি নম্বর ১-এ

আর ‘খতরো কে খিলারি ১১’-র এই প্রতিযোগীর নিন্দে করে একজন লিখলেন, ‘কিছুই না এগুলো সবই টিআরপি বাড়ানোর চক্কর। ভাই ভাগবানকে অন্তত সম্মান করো’। অপরজন লিখলেন, ‘চপ্পল পরে কেউ গণেশের বিসর্জন করে! এটাও জানা নেই এদের।’ আরও পড়ুন: সুইগি তর্কে ক্ষমা চেয়েও ‘অহঙ্কার’ দেখালেন সুদীপা, ঘুরিয়ে দোষ দিলেন নেটিজেনদেরই!

ধর্ম নিয়ে বিতর্কে জড়ানো এই প্রথম নয় রাহুলের জন্য। এর আগে গত বছর দুর্গা পুজোতেও একই রকম ট্রোলিং সহ্য করতে হয়েছিল এই গায়ককে। ২০২১ সালের নবরাত্রি উপলক্ষ্যে মুক্তি পেয়েছিল রাহুল বৈদ্যর নতুন গান ‘গরবে কি রাত’। যাতে তাঁকে দেখা গিয়েছে হিন্দি টেলিভিশনের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিয়া শর্মার সঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল সে গান। গানে হিন্দু দেবী হিসেবে ‘মোগল মাতা’র নাম উল্লেখ ছিল। গুজরাট ও রাজস্থানের মহিলারা মোগল মাতার আরাধনা করে থাকেন। আর তাই চটুল গানে দেবী মায়ের নাম মেনে নিতে পারেননি অনেকেই। পরে যদিও তা বদল করে দেওয়া হয়েছিল বিতর্ক এড়াতে।

 

বন্ধ করুন