বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > রাজ কৌশলের স্মরণসভা: দুই সন্তান, মন্দিরা, পরিবার, মৌনীদের শেষ শ্রদ্ধা পরিচালককে
শোকের ছায়া পরিবার এবং বলিউডেও
শোকের ছায়া পরিবার এবং বলিউডেও

রাজ কৌশলের স্মরণসভা: দুই সন্তান, মন্দিরা, পরিবার, মৌনীদের শেষ শ্রদ্ধা পরিচালককে

  • শনিবার রাজ কৌশলের স্মরণসভায় পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। মন্দিরাকে দুই সন্তান এবং মা-বাবাকে তাঁদের বাড়িতে দেখা গেছে।

প্রয়াত পরিচালক রাজ কৌশলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার এবং বলিউডি ঘনিষ্ঠরা। শনিবার তাঁর স্মরণসভার আয়োজন করা হয় মুম্বইয়ের বাড়িতে। স্মরণসভায় শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায় দুই সন্তান, অভিনেত্রী-স্ত্রী মন্দিরা বেদী, পরিবাররে সদস্য সহ অন্যান্যদের। মৌনী রায়, বিদ্যা মালওয়াড়ে, মন্দিরার বাবা-মা এবং দম্পতির দুই সন্তানকে মুম্বাইয়ে তাঁদের বাড়িতে স্মরণসভায় হাজির হতে দেখা যায়।

গত বুধবার ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাজ কৌশল। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। তাঁর দুই ছেলে মেয়ে রয়েছে বীর এবং তারা। পেয়ার মে কাভি কাভি, শাদি কা লাড্ডু, অ্যান্টনি কৌন হ্যায়-র মতো ছবি পরিচালনা করেছেন রাজ।

বিজয় মালওয়াড়ে এবং মৌনীকে রাজের মুম্বইয়ের বাড়িতে এদিন দেখা যায়। রাজ-মন্দিরার ছেলে মেয়েকেও এদিন বাড়ির বাইরে দেখা গেছে। রাজ কৌশলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় মন্দিরার হাতে। 

দাদারের শিবাজি পার্ক শ্মশানে রাজের শেষকৃত্য হয়। ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচালকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অভিনতা রণিত রায়, সমীর সোনি, আশীষ চৌধুরী, ডিনো মোরিয়া সহ অন্যান্যরা তাঁর শেষ যাত্রায় হাজির হয়েছিলেন। রাজের শেষকৃত্যে পোশাক নিয়ে ট্রোল হতে হয়েছে মন্দিরাকে। যদিও এবিষয় মন্দিরা পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সোনা মহাপাত্র, মিনি মাথুর, মুক্তি মোহানের মতো তারকারা। তাঁর মন্দিরাকে রীতিমতো সাপোর্ট কেটেছেন এবং সাহসী বলেছেন।

সংবাদমাধ্য়মকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দম্পতির ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিউজিক কম্পোজার সুলেমন মার্চেন্ট জানিয়েছেন, ‘সন্ধ্যে থেকেই অস্বস্তি অনুভব করছিল রাজ। অ্যান্টাসিড ট্যাবলেটও নিয়েছিল। হার্ট অ্যাটাকের কথা মন্দিরাকে বলেছিল রাজ। মন্দিরা তড়িঘড়ি আশীষকে ফোন করে। আশীষ ওদের বাড়িতে ছুটে আসে। মন্দিরা এবং আশীষ রাজকে গাড়িতে তুলতেই, ও নিজের জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। আমি যদি ভুল না হই, ওরা ওকে লীলাবতি হাসপাতালে তড়িঘড়ি নিয়ে যায়। কিন্তু তাঁর ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই ওরা বুঝতে পারে ওর হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর আগেই বড্ড দেরি হয়ে গেছে বুঝতে পারেন ওরা’।

বন্ধ করুন