বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'শ্বেতার দুর্ভাগ্য ওর দুটো বিয়ে টেকেনি', প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে মত রাজা চৌধুরীর
রাজা চৌধুরী-শ্বেতা তিওয়ারি
রাজা চৌধুরী-শ্বেতা তিওয়ারি

'শ্বেতার দুর্ভাগ্য ওর দুটো বিয়ে টেকেনি', প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে মত রাজা চৌধুরীর

  • রাজা জানিয়েছেন, যদি শ্বেতার দুটো বিয়ে নাও টেকে, সেটার মানে এটা নয় যে ও একজন খারাপ মানুষ।

শ্বেতার সঙ্গে রাজার বিচ্ছেদের প্রায় ১৪ বছর কেটে গেছে। ২০০৭ সালে দু'জনের বিচ্ছেদ হয়। শ্বেতার প্রথম স্বামী ভোজপুরী অভিনেতা রাজা চৌধুরী। বিয়ের সাত বছর পর দুজনের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০১৩ সালে অভিনব কোহলিকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। যদিও ২০১৯ সালে বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। তাঁদের এক ছেলে আছে। এবিষয় অভিনেত্রীর প্রাক্তন স্বামী রাজা, তাঁর দুটো বিয়ে না টেকায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাজা জানিয়েছেন, যদি শ্বেতার দুটো বিয়ে নাও টেকে, সেটার মানে এটা নয় যে ও একজন খারাপ মানুষ। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, শ্বেতা একজন ভাল স্ত্রী এবং ভাল মা।

রাজার কথা, শ্বেতার দুবার বিচ্ছেদ হয়েছে একইভাবে। তাই লোকে ওকে নিয়ে প্রশ্ন করছে। তবে দেখলে বোঝা যাবে স্ত্রী এবং মা হিসেবে শ্বেতা এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। এটা তাঁর দুর্ভাগ্য, ইতিহাস বার বার পুনরাবৃত্ত হচ্ছে তাঁর জীবনে। তাঁর দ্বিতীয় বিয়েও টেকেনি। তাই বলে তাঁকে কখনোই ভুল অথবা খারাপ মানুষ বলা যায়না।

পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, তিনি এসব বিষয় কথা বলতে চান না। তবুও তাঁর মনে হয়, শ্বেতার উচিত অভিনবের সঙ্গে তাঁর ছেলের দেখা করতে দেওয়া। ‘শ্বেতার বোঝা উচিত, সম্পর্কে একটা জুটির মধ্যে যাই হয়ে থাক, এক বাবা কখনই তাঁর সন্তানকে কষ্ট দেওয়া অথবা ক্ষতি করতে পারে না। যদিও ওঁজদের দুজনের মধ্যে যাই ঘটে থাকুক আমি সেটাতে প্রবেশ করতে চাইনা’।

‘খতরো কে খিলাড়ি ১১’তে অংশগ্রহন করতে কেপ টাউনে রওনা দিয়েছেন শ্বেতা। সম্প্রতি শ্বেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে তাঁর স্বামী অভিনব কোহলি। শ্বেতার প্রাক্তন স্বামী অভিনব কোহলির দুটো ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, ছেলেকে মুম্বইয়ের এক হোটেলে রেখে চলে গিয়েছেন শ্বেতা। সকাল থেকে তিনি সমস্ত হোটেলে খোঁজ নিয়ে চলেছেন। এমনকী, দ্বারস্থ হয়েছেন চাইল্ড কেয়ারেরও।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিমেষে ভাইরাল হয় অভিনব কোহলির শেয়ার করা এই ভিডিয়ো। মাত্র ৫ বছরের ছেলের সঙ্গে এরকম ব্যবহার করায় নেটিজেনদের রোষের মুখেও পড়তে হয় শ্বেতাকে। তারপরই এক সংবাদমাধ্যমের তরফে যোগাযোগ করা হয় শ্বেতা তিওয়ারির সঙ্গে। অভিনবের এই অভিযোগ নিমেষে খারিজ করে দিয়েছেন অভিনেত্রী।

আগেও ছেলে রেয়াংশের কাস্টেডি নিয়ে ঝামেলায় জড়াতে দেখা গিয়েছিল শ্বেতা ও অভিনবকে। কোর্টের তরফে ছেলের কাস্টেডি দেওয়া হয়েছে শ্বেতাকে। সঙ্গে অভিনবকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে প্রতিদিন আধ ঘণ্টা করে ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলার।

 

বন্ধ করুন