বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > বয়স বেড়ে যাওয়ায় ছিল না কাজ,ঋষির ব্যাবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন রণবীর,নীতু! তারপর?
ঋষি ও নীতু কাপুরের সঙ্গে রণবীর। (ফাইল ছবি)

বয়স বেড়ে যাওয়ায় ছিল না কাজ,ঋষির ব্যাবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন রণবীর,নীতু! তারপর?

  • সত্তরের দশকের প্রথমভাগ থেকে শুরু করে নব্বইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত চুটিয়ে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে গিয়েছিলেন ঋষি।এরপর বড়পর্দায় চরিত্রাভিনেতা হয়ে ফের দারুণভাবে কেরিয়ার শুরু করেন তিনি।

প্রয়াত কিংবদন্তি তারকা ঋষি কাপুরের কেরিয়ার যতটা বড় এবং সফল ছিল, ঠিক ততটাই ছিল রঙিন। সত্তরের দশকের প্রথমভাগ থেকে শুরু করে নব্বইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত চুটিয়ে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে গিয়েছিলেন ঋষি। এরপর আর বাকি পাঁচজন তারকার মত ঋষিরও নায়ক সাজার বয়স বাড়াতে, ধীরে ধীরে সেই ধরণের চরিত্রে অভিনয় করা থামিয়ে দেন তিনি।এরপর বড়পর্দায় চরিত্রাভিনেতা হয়ে ফের দারুণভাবে কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। তবে এর মাঝে কয়েক বছর অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়টুকু কেমন কেটেছিল তাঁর? এতদিন পর সেই বিষয়ে মুখ খুললেন ঋষি-পুত্র রণবীর কাপুর।

ঋষি অভিনীত শেষ ছবি 'শর্মাজি নমকিন'-এর প্রচার করাকালীন কম্প্যানিয়ন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রণবীর বলেন, 'নায়ক থেকে পুরোপুরি চরিত্রাভিনেতার ভূমিকায় নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার আগের ওই বছর তিন চারেক নিজেকে কম্পিউটার গেমস খেলায় ব্যস্ত রেখেছিলেন উনি। সারাদিন ধরে কম্পিউটারে ব্রিজ খেলে যেতেন উনি। বাবাকে এতদিন ধরে বাড়িতে বসে থাকতে দেখে আমার মা-ও প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ কোনওদিন ওই সময়ের আগে তিনি বাবাকে এতদিন ধরে টানা বাড়িতে বসে থাকতে দেখেননি। তার উপর বাবার কথাবার্তায় পাগল হয়ে যেত মা। একেক সময় তো বাবাকে রীতিমতো অনুরোধ করত মা যে যদি উনি ঘরে না বসে আমাদের আর কে স্টুডিওতে গিয়ে বসেন।'

এখানেই থামেননি রণবীর। ফাঁস করেছেন আরও তথ্য। 'বাবা সেই সময়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করতেন। বাড়ির জন্য এটা ওটা কিনতেন, ঘর সাজাতেন। বুঝতে পারতাম নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করছেন উনি। তবে এর পাশাপাশি বাবা চাইতেন আমরা যেন সবসময় ওঁর প্রতি একটু নজর দিই, খেয়াল করি। তাই মাঝেমধ্যে একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলতেন। মাঝে মাঝে এতটাই বারবারই হয়ে যেত যে মা তো বটেই দিদি ঋধিমা এবং আমিও মনে মনে বাবার উপর ক্ষেপে যেতাম। ভাবতাম, বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে পারছি তা একদিন থেকে খুবই ভালো ব্যাপার বটে। তবে আরও ভালো হত যদি উনি শ্যুটিং করার ফাঁকে ফাঁকে আমাদের সঙ্গে সময় কাটান। কারণ একেক সময় আর নিতে পারতাম না আমরা। অতিষ্ঠ হয়ে উঠতাম। তবে শেষমেশ উনি নিজেও বুঝেছিলেন যে অভিনয় করাটা তিনি অত্যন্ত ভালোবাসেন এবং সেটিই তাকে আনন্দ দেবে।'

বন্ধ করুন