টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড রঙ্গোলির
টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড রঙ্গোলির

'টুইটার ভারত বিরোধী প্ল্যাটফর্ম', অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পর মন্তব্য রঙ্গোলির

  • নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের কোনও চেষ্টা করবেন না রঙ্গোলি। 'পক্ষপাতদুষ্ট' এই প্ল্যাটফর্মে নিজের চিন্তাভাবনা ও সত্ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে ইচ্ছুক নন রঙ্গোলি, টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড প্রসঙ্গে মন্তব্য কঙ্গনার দিদির।

টুইটারে মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটারে তরফে সাসপেন্ড করা হয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের দিদি তথা ম্যানেজার রঙ্গোলি চান্দেলের অ্যাকাউন্ট। মোরাদাবাদের স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিত্সক ও পুলিশ কর্মীদের উপর আম জনতার আক্রমণের সমালোচনা করতে গিয়েই এই উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বসেন রঙ্গোলি। পাশাপাশি সংবেদনশীল ইস্যু নিয়ে ভুয়ো তথ্যও পেশ করেন।

অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পর টুইটার কর্তৃপক্ষকেই একহাত নিলেন রঙ্গোলি। তাঁদেরকে দেশবিরোধী অ্যাখা দিয়ে রঙ্গোলি মিড-ডে’কে জানান, ‘টুইটার একটা আমেরিকান প্ল্যাটফর্ম, এটা সম্পূর্ন পক্ষপাতদুষ্ট এবং ভারত বিরোধী। এখানে হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে মানুষ যা ইচ্ছা মন্তব্য করতে পারে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাসী বলতে পারে কিন্তু যদি তুমি তাদের সম্পর্কে কিছু বল, যারা নাকি স্বাস্থ্যকর্মী আর পুলিশকর্মীদের ইট-পাথর ছুঁড়ছে তাহলে তোমার অ্যাকাউন্ট ওরা বাতিল করে দেবে। আমার কোন ইচ্ছাই নেই এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে নিজের চিন্তাভাবনা ও সত্ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার, তাই আমি আমার অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করব না, আমি আমার বোনের মুখপাত্র ছিলাম, এবার ওঁর সরাসরি সাক্ষাত্কারের দিকেই নজর রাখুন। কঙ্গনা একজন মস্ত বড় তারকা, মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার জন্য ওর অনেক রাস্তা রয়েছে, একটা পক্ষপাতদুষ্ট মাধ্যমকে সহজেই এড়িয়ে চলা যাবে’।

প্রসঙ্গত সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যক্তিগতভাবে এড়িয়ে চলতেই ভালোবাসেন কঙ্গনা রানাওয়াত। অভিনেত্রীর নিজের কোনও ব্যক্তিগত টুইটার বা ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নেই। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে 'টিম কঙ্গনা'র একটি ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

মোরাদাবাদের ঘটনা প্রসঙ্গে রঙ্গোলি বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্যকর টুইট করেন। তিনি জানান করোনায় মৃত এক জামাতির পরিবারের সদস্যদের পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসতে গেলে পাথর ও ইট বৃষ্টির শিকার হল স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্তব্যরত পুলিশ কর্মচারীরা। ঘটনায় মৃত্যু হয় এক চিকিত্সকের। যা সম্পূর্ন ভুয়ো দাবি। এক চিকিত্সক গুরুতর আহত হলেও ঘটনায় কারুর মৃত্যু হয়নি।

এখানেই থেমে না থেকে রঙ্গোলি আরও বলেন সেই সব ব্যক্তি এবং ভারতের 'তথাকথিত সেকুলার মিডিয়া'কে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা উচিত। তাতে ইতিহাস যদি তাদের নাৎসি বলে মনে রাখতে চায় তাহলেও কুছ পরোয়া নেই, জীবনের মূল্য অনেক বেশি 'ফেক ইমেজ' ধরে রাখার থেকে, বক্তব্য রঙ্গোলির।

এই প্রথম নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করার জেরে টুইটার ইন্ডিয়ার তরফে সতর্ক করা হয়েছিল রঙ্গোলিকে।



বন্ধ করুন