বাড়ি > বায়োস্কোপ > ‘মাদকাসক্ত,অবসাদগ্রস্ত একজনকে ভালোবাসার খেসারত দিচ্ছে রিয়া’,প্রতিক্রিয়া আইনজীবীর
রিয়ার গ্রেফতারির পর প্রতিক্রিয়া তাঁর আইনজীবীর 
রিয়ার গ্রেফতারির পর প্রতিক্রিয়া তাঁর আইনজীবীর 

‘মাদকাসক্ত,অবসাদগ্রস্ত একজনকে ভালোবাসার খেসারত দিচ্ছে রিয়া’,প্রতিক্রিয়া আইনজীবীর

  • রিয়া চক্রবর্তীর গ্রেফতারির প্রসঙ্গে প্রথম প্রতিক্রিয়া এল অভিযুক্তর আইনজীবীর তরফে। 

মঙ্গলবার তৃতীয়বারের জন্য এনসিবির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছিলেন রিয়া। এবং তৃতীয় দিনের জেরা পর্ব চালকালীনই মাদককাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকবার অপরাধে রিয়াকে গ্রেফতার করল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। রিয়ার গ্রেফতারির খবর এনসিবির তরফে নিশ্চিত করবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রতিক্রিয়া সামনে এল রিয়ার আইনজীবী সতীশ মানেসিন্ধের। রিয়ার গ্রেফতারি, তাঁর কথায় 'বিচার ব্যবস্থার প্রহসন'।

সতীশ মানেসিন্ধে বলেন, ‘তিনটি কেন্দ্রীয় সংস্থা হাত ধুয়ে একজন মহিলার পিছনে পড়েছে, কারণ সে এমন একজনকে ভালোবাসত যে মাদকাসক্ত ছিল এবং মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিল বেশ কয়েক বছর ধরে এবং মুম্বইয়ের পাঁচজন নামী মনোচিকিত্সক তাঁর চিকিত্সা করছিল। যে আত্মহত্যা করে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছে, তাঁকে বেআইনিভাবে দেওয়া ওষুধের সেবন করে’।

এদিন রিয়াকে এনসিবি গ্রেফতার করেছে মাদক সেবন ও সংগ্রহের জন্য। সূত্রের খবর রিয়া স্বীকার করে নিয়েছেন মারিজুয়ানা ভর্তি সিগারেটের সেবন তিনি করেছেন। ড্রাগ সংগ্রহ করার অভিযোগও নাকি মেনে নিয়েছেন রিয়া। তাঁর দাবি সুশান্তের জন্য মাদক সংগ্রহ করতেন তিনি।

রিয়ার বিরুদ্ধে প্রচুর ইলেকট্রিনক এভিডেন্স হাতে আসার পরেই মঙ্গলবার রিয়াকে গ্রেফতার করল এনসিবি। রিয়া নিজের বয়ানে দাবি করেছেন ২০১৬ সাল থেকেই নাকি মাদক সেবন শুরু করেছিল সুশান্ত। যদিও রিয়ার মাদকযোগের প্রমাণ এনসিবির হাতে রয়েছে তিনি সুশান্তের জীবনে আসবার অনেক আগে থেকেই, বলেই এনসিবি সূত্রের খবর। আজ সন্ধ্যা ৭.৩০টায় ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হবে রিয়াকে, জানিয়েছেন এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টর কেপিএস মালহোত্রা। 

রবিবার রিয়াকে এনসিবির তরফে সমন দেওয়ার পরেই অভিযুক্তর আইনজীবী সতীশ মানেসিন্ধে বলেন, 'রিয়া গ্রেফতার জন্য প্রস্তুত কারণ এখানে ডাইনির খোঁজ চলছে। যদি কাউকে ভালোবাসা অপরাধ হয় তাহলে নিজের ভালোবাসার জন্য ফল ভোগ করতে তৈরি রিয়া। যেহেতু ও নির্দোষ তাই এখনও পর্যন্ত কোনও আদালতে আগাম জামিনের জন্য আবেদন জানাননি রিয়া, বিহার পুলিশ, সিবিআই, ইডি এবং এনসিবিতে ওর বিরুদ্ধে দায়ের মিথ্যা মামলায়।

গতকালই মুম্বই পুলিশের কাছে সুশান্তের দুই দিদি প্রিয়াঙ্কা সিং, মীতু সিং এবং চিকিত্সক তরুণ কুমারের বিরুদ্ধে আইপিসি এবং এনডিপিএস আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন রিয়া। রিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআরও দায়ের করে বান্দ্রা পুলিশ, পরবর্তী সময়ে তা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যদিও এই এফআইআরকে বেআইনি এবং সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অবমাননা বলে উল্লেখ করেছেন সুশান্তের পরিবারের আইনজীবী বিকাশ সিং। এই এফআইআরের বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টে আবেদন জানাবে সুশান্তের পরিবার।

বন্ধ করুন