বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Abu Hena Rony: ‘নিজেই আগুন, ওকে পোড়ায় কার সাধ্য?’ রনিকে নিয়ে প্রার্থনা মীরের
রনিকে নিয়ে প্রার্থনা মীরের। 

Abu Hena Rony: ‘নিজেই আগুন, ওকে পোড়ায় কার সাধ্য?’ রনিকে নিয়ে প্রার্থনা মীরের

  • Mir Afsar Ali on Abu Hena Rony: অগ্নিদগ্ধ মিরাক্কেল বিজয়ী কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি। তাঁকে নিয়েই প্রার্থনা মীরের। 

গ্যাস বেলুন ফেটে দগ্ধ হয়েছেন কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি। তাঁর এই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ তো বটেই ভারতের প্রচুর অনুরাগীও বিপুল দুশ্চি্তায় রয়েছেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে দুর্ঘটনার শিকার হন রনি। দগ্ধ ও আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। আহতদের প্রথমে শহিদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের মধ্যে আবু হেনা রনি, জিল্লুর রহমান ও মোশারফ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

রনির এই দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া তাঁর আরোগ্য কামনায় ভরে গিয়েছে। যাঁরা তাঁর আরোগ্য কামনা করছেন, সেই তালিকায় আছেন মীর আফসার আলিও।

‘মীরাক্কেল’ নামক অনুষ্ঠানে মীরে সঙ্গে কাজ করেছিলেন রনি। সেই থেকেই দু’জনের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব বলেও জানা গিয়েছে। খবর পেয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় রনির জন্য প্রার্থনা করেছেন মীর। লিখেছেন, ‘আবু হেনা রনি নিজেই আগুন। ওকে পোড়ায় কার সাধ্য? দোয়া করবেন সবাই।’

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রফিকুল ইসলামের থেকে জানা গিয়েছে, আবু হেনা রনির অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবচেয়ে বেশি দগ্ধ হয়েছেন তিনি। তাঁর শরীরের ২৫-৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল সাড়ে ৫টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঞ্চে বেলুন উড়িয়ে জিএমপি পুলিশের চার বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদ্বোধন করছিলেন। বেলুনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত ভারে বেলুনগুচ্ছ আকাশে উড়তে পারেনি। তাই অবশেষে সাদা পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অতিথিরা অনুষ্ঠানমঞ্চে গেলে, একজন পুলিশ বেলুনগুলিকে এক পাশে নিয়ে যান। বেলুন বিক্রেতা বেলুনগুলি ওড়ানোর চেষ্টা করেন। তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময়ে আবু হেনা রনি-সহ ৫ জন দগ্ধ হন। পুলিশকর্মীরা জল ঢেলে আগুন নেভান।

মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘বেলুন নিয়ে মঞ্চের পিছনে যাওয়ার পর কয়েক জন বেলুনে লাগানো ‘গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ’ লেখা ফেস্টুনটিকে বেলুন থেকে খুলতে চেষ্টা করতে থাকে। তখন কেউ একজন ফেস্টুনের সুতো লাইটার জ্বালিয়ে আলাদা করার চেষ্টা করেন। তখনই আগুন লেগে বেলুনে বিস্ফোরণ হয়।’

 

বন্ধ করুন