বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘তোমায় প্রমাণ দিতেই হবে বিক্রি তুমি হওনি, মিছিল চেয়ে তোমার দিকে...’: রুদ্রনীল
বাংলার বুদ্ধিজীবীদের একহাত নিলেন রুদ্রনীল ঘোষ

‘তোমায় প্রমাণ দিতেই হবে বিক্রি তুমি হওনি, মিছিল চেয়ে তোমার দিকে...’: রুদ্রনীল

  • বাংলার বুদ্ধিজীবীদের একহাত নিলেন রুদ্রনীল ঘোষ! প্রশ্ন তুলেছেন ২০১১ সালের মতো কবে বাংলার মেঘ কাটবে?

SSC দুর্নীতি কাণ্ডে তোলপাড় গোটা রাজ্য। ক্রমেই উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। ইডির জেরার মুখে এবং হেফাজতে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠা মডেল-অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্য়ায়। এমন অবস্থায় একপ্রকার মুখে কুলুপ এঁটেছেন রাজ্যের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজ।

২০১১ সালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিলেন বুদ্ধিজীবী সমাজের একাংশ। সরব হয়েছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তাঁদের নীরবতাকে কটাক্ষ করলেন অভিনেতা তথা বিজেপি রাজনৈতিক দলের সদস্য রুদ্রনীল ঘোষ। কবিতার মাধ্যমে বুদ্ধিজীবীদের চুপ থাকাকে এই বার কড়া ভাষায় একহাত নিলেন তিনি। ২০১১ সালের মতো কবে বাংলার মেঘ কাটবে? প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেতা। 

ফের একবার কবিতা বলে চেনা ছকে দেখা মিলল রুদ্রনীলের। ফেসবুকের পাতায় শেয়ার করেছেন সেই কবিতার ভিডিয়ো। তিনি বলেছেন, ‘ও বুদ্ধিজীবী, লেখক, কবি, ঘুমিয়ে গেলেন নাকি… ভাতা পেয়ে দাতার ভয়ে লজ্জা পাওয়া বাকি। দিচ্ছ কাকে ফাঁকি। বুদ্ধিজীবী, আপনারা নাকি বাংলার মুখ, আপনারা সব বিবেক… মানুষ নিয়ে ভাবেন নাকি… তা হোক এগারোর রিমেক। পড়ছে মনে? এগারোতে… এখন মুখ কুলুপ এঁটে ওড়ান কিসের ফানুস।’

‘বাংলার মা বিস্মিত আজ মাটি জুড়ে লজ্জা… মানুষ চিনছে লুটেরাদের… বাংলার শরশয্যা… ও বুদ্ধিজীবী… ও বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, কবি ওহে বঙ্গভূষণ… ডাকছে মানুষ, মানুন পথে সারান বঙ্গদূষণ… কয়লা বালি ত্রাণ চুরিতে আপনি ছিলেন চুপ… ভোটের পরে মরল মানুষ… কই জ্বালেননি তো ধূপ… আপনারা চুপ বলেই এরা মারল আনিস খান, বুক ফুলিয়ে বগটুই হয়… বাংলার মুখ ম্লান… আপনারা মুখ খুললে পরে হত না হাঁসখালি… প্রতিবাদে ভয় পেত চোর… বাঁচত গেরস্থালী। চোরের মায়ের বড় গলা… রোজ মঞ্চে… চোরের মায়ের বড় গলা রোজ বলে যায় মিথ্যে… চোর জেলে যায়, মা তবু চুপ… মা শুধু চায় জিততে।’ 

‘বুদ্ধিজীবী বলছে মানুষ আপনারা সব বিক্রি হয়ে গেছেন… ভাতা, চেয়ার, খয়েরি খামে মত্ত হয়ে আছেন…ও বুদ্ধিজীবী আর কত লুট হলে পড়ে খুলবে তুমি মুখ… তাবেদারি ছাড়বে তুমি মানুষ তো উন্মুখ… টিভি দেখছেন না… খবর দেখছেন না… জানেন না বাংলায় কী হচ্ছে… লুটের টাকার পাহাড় দেখেও পাচ্ছে নাকি লজ্জা… কাদের কাঁধে হাত রেখেছেন… ঘুণ ধরা কি মজ্জা…’ 

'কিন্তু এই আপনারা অন্য রাজ্যে সামান্য কিছু হলে ইউপি-বিহার-দিল্লি নিয়ে মোমবাতি নেন হাতে… আর বাংলা লুঠে খোলেন না মুখ নামেন না রাস্তাতে… ও বুদ্ধিজীবী… হে বাঙালি আর কাঙালি হবেন কত আর… গ্রাম শহরে দিন দুপুরে দুর্নীতি কারবার… ও বুদ্ধিজীবী… তোমায় প্রমাণ দিতেই হবে বিক্রি তুমি হওনি… মিছিল চেয়ে তোমার দিকে সামনে তুমি হাঁটবে… ঠিক এগারোর মতো আবার বাংলার মেঘ কাটবে… তোমার হাত ধরে… নাহলে অন্যায় হবে। অন্যায় হচ্ছে। প্লিজ বাঙালি কাউকে দোষ দিচ্ছি না।'

বন্ধ করুন