বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ফিল্মি পত্রিকার পুরনো প্রচ্ছদে একসঙ্গে হাসিমুখে সইফ-করিনার পরিবার; দেখেছেন কি?
পুরোনো ফিল্মি পত্রিকার প্রচ্ছদে উঠে এল সইফের পরিবার (বাঁদিকে) এবং করিনার পরিবারের একসঙ্গের ছবি (ডান দিকে)। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)
পুরোনো ফিল্মি পত্রিকার প্রচ্ছদে উঠে এল সইফের পরিবার (বাঁদিকে) এবং করিনার পরিবারের একসঙ্গের ছবি (ডান দিকে)। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)

ফিল্মি পত্রিকার পুরনো প্রচ্ছদে একসঙ্গে হাসিমুখে সইফ-করিনার পরিবার; দেখেছেন কি?

  • বলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খান। তাঁদের বাবা মায়েরাও বলিউডের একসময় বিরাট নামের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

বলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খান। তাঁদের বাবা মায়েরাও বলিউডের একসময় বিরাট নামের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। সম্প্রতি, এক পুরোনো ফিল্মি পত্রিকার প্রচ্ছদের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ওই পত্রিকার প্রচ্ছদে একইসঙ্গে জায়গা করে নিয়েছেন সইফ ও করিনার বাবা-মায়েরা।

সইফের মা শর্মিলা ঠাকুর এবং করিনার বাবা-মা যথাক্রমে রণধীর কাপুর ও ববিতা কাপুর ষাট-সত্তরের দশকের বি-টাউনের প্রথম সারির তারকাদের মধ্যে অন্যতম নাম ছিল। পাশাপাশি সইফের বাবা প্রয়াত মনসুর আলি খান পতৌদি ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম চর্চিত ক্রিকেটারই ছিলেন না, সঙ্গে প্রাক্তন অধিনায়কও ছিলেন। ওই পত্রিকার পুরোনো প্রচ্ছদে একইসঙ্গে হাসিমুখে দেখা যাচ্ছে এই চারজনকে। লেখায় বাহুল্য, সেই সময়ে বলিপাড়া থেকে কয়েকশো মাইল দূরে 'সইফিনা'। তবে ইদানিং করিনা, সোহা এবং সাবা আলি খানের করা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে দেখা যায় রণধীর-ববিতা, মনসুর-শর্মিলার বিভিন্ন অদেখা ছবি।

সেই ফিল্মি পত্রিকার প্রচ্ছদ। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)
সেই ফিল্মি পত্রিকার প্রচ্ছদ। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে চারহাত এক করেছিলেন সইফ এবং করিনা। এর আগে অবশ্য আরও একবার বিয়ে করেছিলেন সইফ। অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে তাঁর দুই সন্তানও রয়েছে - সারা এবং ইব্রাহিম। অন্যদিকে, সইফ-করিনার জুটিরও রয়েছে দু'টি সন্তান। তৈমুর এবং জাহাঙ্গির। জানিয়ে রাখা ভালো, নিজের জীবনে দেখা অন্যতম দুই সেরা মানুষ হিসেবে মা ববিতা কাপুর এবং শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুরের কথা একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন 'বেবো'। নিজের লেখা বইয়েও এই কথার উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর গর্ভাবস্থাতেও যে তাঁকে কাজ করার উৎসাহ দিয়ে গেছিলেন এই দুই নারী সেকথাও দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন করিনা।

বন্ধ করুন