বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Sandhya Mridul: ‘তোমার তো বুকই নেই’, বুব জবের প্রস্তাব ফিরিয়ে সন্ধ্যা মৃদুল পরেছিল ব্রেস্ট প্যাড
পেজ থ্রি আর রাগিনি এমএমএস ২-তে ব্রেস্ট প্যাড পরেছিলেন সন্ধ্যা মৃদুল। 

Sandhya Mridul: ‘তোমার তো বুকই নেই’, বুব জবের প্রস্তাব ফিরিয়ে সন্ধ্যা মৃদুল পরেছিল ব্রেস্ট প্যাড

  • ‘পেজ থ্রি’, ‘রাগিনী এমএমএস ২’-র মতো সিনেমায় কাজ করেছেন সন্ধ্যা মৃদুল। শরীর নিয়ে কীরকম কটাক্ষ শুনতে হয়েছে তাঁকে ইন্ডাস্ট্রিতে, তা নিয়েই কথা বললেন তিনি সম্প্রতি। 

বাইরে থেকে বলিউড যতটা চকচকে, ভিতর থেকে ততটাই অন্ধকার। নানা সময়ে তারকাদের কথাতেই তা উঠে এসেছে। ‘রাগিনী এমএমএস ২’-খ্যাত সন্ধ্যা মৃদুলের কথায় সেরকমটাই জানা গেল। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানালেন কেরিয়ারে তাঁকে প্রায়ই শুনতে হত ‘আপনাকে খলনায়িকার মতো দেখতে’, ‘চেহারায় একটু লাস্য চাই’,  ‘আপনার তো শরীরই নেই’! এমনকী এক পরিচালক তাঁকে বুব জব করার প্রস্তাবও দিয়েছিল। 

মৃদুলের কথায়, ‘বুব জবের কথা শুনেই আমি সাফ না করে দিয়েছিলাম। আমার মাথায় ছিল না আমি কারও জন্য আমার শরীর বদলাব না। কাল তুমি এসে আবার বলবে তোমার নাকটা ভালো না। আমি এসব করব না।’ তিনি আরও জানান, কেউ কেউ তাঁকে এটা বলেও ফিরিয়ে দিয়েছিল, ‘তোমার তো বুকই নেই’। একটা সিনেমার জন্য তাঁকে বলা হয়, ‘তুমি এমনিতে ভালো। কিন্তু আমরা এমন কাউকে চাইছি যার স্তন অনেক বড়। সরি।’

মৃদুল আরও জানান, পেজ থ্রি আর রাগিনি এমএমএসের জন্য তিনি ব্রেস্ট প্যাড ব্যবহার করেছেন। তাঁর কথায়, ‘পেজ থ্রি-তে কিছু কিছু দৃশ্যে আমাকে ব্রেস্ট প্যাড ব্যবহার করতে হয়েছে। যা আমি মেনে নেই। রাগিনি এমএমএসেও আমাকে ব্রেস্ট প্যাড করতে হয়েছে, কারণ চরিত্রের জন্য তেমনতাই প্রয়োজন ছিল। তবে তার মানে এই নয় তুমি আমাকে বুব জব করতে বলবে।’ আরও পড়ুন: দাদু হওয়া এত সহজ! নাতনি আরাধ্যার মান ভাঙাতে এই বিশেষ উপহার দিতে হয় অমিতাভকে

‘আপনি তো বাইরে যেতে চান না’, ‘চলো আজ একটা বিয়ার খাইয়ে দাও’, এর মতো কথাও মৃদুলকে শুনতে হয়েছে ইন্ডাস্ট্রি থেকে। ‘এসব অনেক শুনেছি। আর এটাই বড় কারণ আমি বেশি কাজ করতে পারিনি। আমি বরাবরই চেষ্টা করেছি টাকার জন্য কাজ করব না। এমন অনেক সময় গিয়েছে যখন আমি আর্থিকভাবে সংকটের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি, কিন্তু কখনও টাকার জন্য কাজ করার কথা ভাবিনি।’, জানান মৃদুল। আরও পড়ুন: স্টার জলসায় আসছে মা তারা নবনীতা দাসের নতুন মেগা, নায়ক ওটিটি-পাড়ার এই চেনা মুখ

অভিনেত্রী মেনে নেন ২০০৭ সালের পর সেভাবে তাঁর হাতে কাজ ছিল না। ‘ওই সময়টা খুব কঠিন ছিল। আমি নিজেকে কমার্শিয়াল ছবিতে দেখতে চাইতাম না। যে ধরনের ছবি করতে চাইতাম তা হচ্ছিল না। এখনকার অভিনেত্রীরা খুব সৌভাগ্যবান। আমি তখন যতটা বিরক্ত হয়েছিলাম ততটাই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে ছিলাম। আমি নিজেকে হিরোইনের ধাঁচায় দেখতেও পারছিলাম না সেই সময়।’

৪৭ বছরের এই অভিনেত্রী জানান ২০০২ সালে সাঁথিয়ার কাজও তিনি প্রাথমিকভাবে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ‘যশজি আমাকে যখন সাঁথিয়ার জন্য বলল আমি না করে দিয়েছিলাম। উনি আমাকে যদিও বলেছিল এই চরিত্রটা আমাকে ছাড়া সম্ভব না। আমি তাও ওঁকে বলেছিলাম, না আমার পক্ষে সম্ভভ নয়। যদিও যশজি এত মিষ্টি আমি বেশিদিন না করতে পারিনি। আর কাজটা আমি খুব উপভোগ করেছিলাম।’

 

বন্ধ করুন