বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘ভালো থেকো সুশান্ত। তারাদের দেশে…’ সহ-অভিনেতার স্মৃতিতে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়
‘দিল বেচারা’ ছবির দৃশ্যে সুশান্ত সিং রাজপুত ও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
‘দিল বেচারা’ ছবির দৃশ্যে সুশান্ত সিং রাজপুত ও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

‘ভালো থেকো সুশান্ত। তারাদের দেশে…’ সহ-অভিনেতার স্মৃতিতে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়

  • সুশান্ত চলে যাওয়ার আজ এক বছর। আজও সুশান্তকে মনে করলে চোখে জল আসে তাঁর ভক্তদের, সহকর্মীদের।

‘দিল বেচারা’ ছবিতে একসঙ্গ কাজ করেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত ও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। ছবিটা অনেক কারণে স্পেশ্যাল। সুশান্তের শেষ ছবি। যা মুক্তি পেয়েছিল অভিনেতার মৃত্যুর ১ মাস ১০ দিনের মথায়। OTT প্ল্যাটফর্ম ডিজনি + হটস্টারের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল এই ছবি। প্রকাশ্যে আসতেই ইউটিউবে ছবির ট্রেলার দেখতে ভিড় করেছিলেন আগুণতি মানুষ। 

সহ-অভিনেতার হঠাৎ চলে যাওয়া আজও মন থেকে মেনে নিতে পারেন না শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। কেমন ছিল একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা। সুশান্তের মৃত্যুবার্ষিকীর আগে সংবাদমাধ্যম TV 9-র কাছে শাশ্বত জানিয়েছেন, ‘‘তোমার সঙ্গে কাটানো প্রতিটা দিন, ঘণ্টা, সেকেন্ড মনে থেকে যাবে চিরকাল। মনে থেকে যাবে ব্যস্ত জামশেদপুরে শুটিং শিডিউলের দিনগুলোতেও ভোর পাঁচটায় উঠে ক্রিকেট খেলা। মনে থেকে যাবে সকালগুলোয় দেখা হতেই তোমার সরল হাসি মাখা মুখে বলা ‘গুড মর্নিং দাদা’ উইশগুলো।’’

শাশ্বতর কলমে উঠে এসেছে, কাজের প্রতি এত নিষ্ঠা খুব কম মানুষের মধ্যে দাখা যায়। এসব কোনওদিন ভুলতে পারবেন না তিনি। আর না তিনি তা ভুলতে চান। যদিও একটা ছবিতেই একসঙ্গে কাজ করেছেন। কিন্তু একজন দর্শক হিসেবে, একজন অভিনেতা হিসেবে এই মত পোষণ করেন শাশ্বত। লিখেছেন, ‘আমি বহু মানুষের সঙ্গে কাজ করেছি সুশান্ত। কিন্তু তোমার মতো পড়াশোনা করার এমন খিদে আর কারও মধ্যে দেখিনি। আমি দেখিনি একজন অভিনেতার মেকআপ ভ্যানে এত বই থাকতে পারে। যা শুধু ফিল্ম বিষয়ক একেবারে নয়। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ ছিল তোমার ফেভারিট সাবজেক্ট, তারামণ্ডল। টেলিস্কোপের চোখ রেখে তুমি তারাদের দেশই তো দেখতে, তাই না?’

বন্ধ করুন