বাড়ি > বায়োস্কোপ > শেডস অফ কালার্স… বিবর্ণ নয়, বর্ণময় হোক জীবনের রঙ!
শেডস অফ কালার্স।
শেডস অফ কালার্স।

শেডস অফ কালার্স… বিবর্ণ নয়, বর্ণময় হোক জীবনের রঙ!

একটু অন্যরকম ভাবনা নিয়ে টলিউডের অভিনেতা প্রদীপ ধরের সংক্ষিপ্ত ছবি ‘শেডস অফ কালারস’। আজকের ব্যস্ত বাস্তবতায়  হারিয়ে যায় জীবনের সব রঙ, সেই রঙ খুঁজতেই লকডাউনের এক ছোট্ট জার্নি এই ছবি। প্রযোজনা অয়নজিৎ সেন। প্রতিবেদনের সঙ্গে দেওয়া রইল এই ছবির লিঙ্ক।

বিবর্ণ অবচেতন? নাকি চেতনার রঙ পান্না সবুজ? উত্তর খোঁজার চেষ্টাটাই আসলে বৃথা। তাই তো কবি বলেছেন ‘সাদা কালোর  যে দ্বন্দ্বে যে ওই ছন্দে নানান রঙ লাগে’…! এই ভাবনা থেকেই  টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রদীপ ধর বানিয়ে ফেললেন এক ভিন্ন ধর্মী সংক্ষিপ্ত ছবি  ‘শেডস অফ কালার্স’। স্বপ্ন নাকি সাদা কালো! সে হোক। কিন্তু আমরা জীবনের যে স্বপ্নটা দেখি তা আসলে ভালোবাসার রঙের প্রবাহ, তাই এই গল্পে স্বপ্নেরর অনেক রঙ। লকডাউনের সমস্ত নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে এই  বাংলা ক্লাউড শর্ট ফিল্মটি। 

ছবিটিতে অভিনয় করেছেন প্রদীপ ধর, স্বর্ণালী চট্টোপাধ্যায় ধর এবং ভূমিশ ধর। প্রথম কাজ হলেও স্বর্ণালী কিন্তু বেশ সাবলীল। এই ছবিতে খুদে শিল্পী ভূমিশের দুষ্টু-মিষ্টি অভিনয় এক বিশেষ পাওনা। পরিচালনা এবং চিত্রনাট্য প্রদীপ ধর। মূল ভাবনা (কনসেপ্ট) সৌভিক বিশ্বাস,  সম্পাদনা  অভিনব হালদার। গল্প প্রদীপ ধর এবং অয়নজিৎ সেন। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন অয়নজিৎ সেন (লা পেলিকিউলা মোশন পিকচার্স)। পরিবেশনা ম্যাক ফিল্মস। 

 

‘লা  পেলিকিউলা মোশন পিকচার্স ’-এর এটি প্রথম বাংলা শর্ট ফিল্ম। এর আগে বলিউডে শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টারি, বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন প্রজেক্ট মুক্তি পেয়েছে এই সংস্থা থেকে।  সংস্থার কর্ণধার অয়নজিৎ সেন জানিয়েছেন, কলকাতায় এটি তাঁর প্রথম শর্ট ফ্লিম। কাজটি করতে পেরে তিনি খুশি। ভবিষ্যতে বলিউডের পাশাপাশি টলিউডেও কাজ করতে চান।

 

জীবন মানে ছোট ছোট খুশি আর আনন্দ।
জীবন মানে ছোট ছোট খুশি আর আনন্দ।

মানব সভ্যতার এক বড় শিক্ষনীয় অধ্যায় এই কোভিড ১৯ মহাপ্রলয়। লকডাউনের দিন গুলি আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেল। ছোট্ট জীবন কিন্তু বড় হওয়ার স্বপ্ন অনেক! আর সেই স্বপ্নকে বাস্তব করতেই প্রতিদিনের ইঁদুর দৌড়ে কোথায় যেন হারিয়ে যায় আমাদের ছোট্ট ছোট্ট সুখের অবকাশ। বাড়ে দূরত্ব। সম্পর্ক মানেই যেন একসঙ্গে থাকার অভ্যেস মাত্র! এই ভাবেই চলে আসছিল আমাদের রোজকার যাপন। কিন্তু প্রথা ভাঙ্গল এই করোনা ভাইরাস। আমরা গৃহবন্দি হলাম। কোথাও কিচ্ছু নেই, যত দূর তাকাও গ্রাম শহর নগর সভ্যতা জুড়ে কেবল বিষন্নতা! 

কিন্তু তবুও মানুষ বাঁচার আশা রখে। লকডাউনে এখন সকলের হাতে প্রচুর সময়। নিজের জন্যে তো বটেই, একে অপরের জন্যেও । তাই নিয়মে বা কর্ত্যবে নয়, ভালোবাসার টানেই বাঁচতে শেখে ভালোবাসা। এক রাশ অক্সিজেন আর অনেকটা খোলা হাওয়া হোক আগামী পথ চলার পাথেয়।

ছবি দেখে দর্শকের ভালো লাগলে তবেই তাঁর কাজ সার্থক। এমনই জানিয়েছেন অভিনেতা এবং পরিচালক প্রদীপ ধর। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে অভিনয়ের পাশাপাশি ভিন্নধর্মী ছবি পরিচালনার কাজ চালিয়ে যেতে চান।

বন্ধ করুন